বিশেষ ঘোষণা
মানব এক্যের পথে প্রধান বাঁধা
বিশ্বের তিনটি অভিশপ্ত জাতি
(১) ইয়াহুদী মুসলমান (২) খৃষ্টান মুসলমান (৩) মোহামেডান মুসলমান ইয়াহুদীরা বলে, আল্লাহ আছেন, তবে ওযাইর আল্লাহর ছেলে। ৃষ্টানরা বলে, আল্লাহ আছেন তবে ঈসা আল্লাহর ছেলে। মোহামেডানরা বলে, আল্লাহ আছেন, তবে “আহাদ” আর “আহমাদ” এর মধ্যে মাত্র একটি “মিম” অক্ষরের তফাত । মিম মুছে ফেললেই “আহ্মাদ” আহাদ” অর্থাৎ আল্লাহ হয়ে যায়। আল্লাহর নূরে মুহাম্মাদ তৈরী, আর নূরে মুহাম্মাদী দিয়ে বিশ্ব সৃষ্টি মুহাম্মাদ না হলে বিশ্বে সৃষ্টি হতো না। এদের কলেমা, কালেমা তাওহীদের সাথে মুহাম্মাদ সঃ কে একাকার করে বলা, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্।” আরবী
ব্যাকরণ মতে যার অর্থ দাঁড়ায় £
“নাই কোনো উপাস্য আল্লাহ ব্যতিত, তিনিই মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” । অতএব, দেখা যায় যে ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা অর্ধেক মুশরিক, আর মোহামেডানরা ষোলো আনা মুশ্রিক। তাই বিশ্বময় আল্লাহ মোহামেডান মুসলমানদের ইয়াহুদী খৃষ্টানদের গোলাম দশায় অভিশপ্ত করে রেখেছেন।
তাহলে বাচার উপায় কিঃ
উপায় হলো, আল্লাহ ও তাঁর আখেরী নবী সঃ যেভাবে কলেমা পড়তে ও বলতে বলেছেন। তা হলো, আমরা যেভাবে আযান, ইকামত ও তাশাহ্হুদে (আত্তাহিয়্যাতে) কলেমা উচ্চারণ করি 8 এ 0৯5১] ১৯৪ 01 ক এ এ! এ! ২ ০। এআ আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ আশ্হাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান্ আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু। 41১ ১০৯০ ১০৯৪ ০1 এ এএ ২ এ! ৩ ০৬৩ এসো হে আদম সন্তান মানব জাতি, আমরা সঠিকভাবে কলেমা পড়ে মুসলিম ও মু'মিন হই। । 3 4 ১ ক টড আল্লাহ বলেছেন, জেনে নাও “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (সূরা যুহাম্মাদ-১৯)
শেষ নবী মুহাম্মদ সঃ বলেছেন £
এস] ০৯5 এএ | এ] ১ 05 ০৭ 9৯৪7 এএ এ 4] ৩ 198 যে-ই বলবে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” জান্নাতে যাবে। শেষ নবী সঃ কোথাও, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” একত্রে বলেন নি। যে কেউ জেনে তা বলবে, ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের ন্যায় ওযাইর ও ঈসা আঃ কে আল্লাহর শরীক বানানোর পাপে মুশরিক ও কাফের হয়ে যাবে। (তওবা-৩০) ০4 ৫ বু, অর্থ) 5 দি আলু এ ভা 2 সর 51 ও ও ১০» + ০৩. 16. ৫ £০। ৮5৫5 £ এ 06০18 5০0 4% 0৩০ তি 94146 ৩০ উপ 8৪ ভে এ ভি ক ৬2 2% 541
২ ু॥। (তাওবা-৩০)
এতো দিন যারা না জেনে ভুলে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লা
একত্রে বলেছে ও লিখেছে, তারা তওবা করে এখন থেকে “লা
ইলাহা ইল্লাল্লাহ” কালেমা তাইয়েবা ও তাওহীদ পড়ে ঈমান নবায়ন করবে । ঘরে, মসজিদে, অফিসে, স্থাপনায় ও যেখানে যেখানে “লা ইনল্লাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” একত্রে লেখা আছে, তা মুছে ও সরিয়ে ফেলবে । এখন থেকে পৃথক পৃথক কলেমা তাইয়েবা ও কালেমা রিসালাত পড়বে, লিখবে ও শিখাবে। যেমন সালাতের আযান, ইকামত ও তাশাহ্হুদে আছে । তবেই তাওহীদ ভিত্তিক মুস্লিম উম্মাহ সৃষ্টি হয়ে বর্তমান অচল অবস্থা দূর হয়ে বিশ্বে আল্লাহ, রাসূল ও আল্ কোর্আন ভিত্তিক উম্মাহর জয় হবে । রহমতের বিশ্বায়ন হবে মানব জাতি এক জাতি হবে। তাওহীদ ও কলেমা তাওহীদের উত্থানই ইমাম মাহ্দী ও হযরত ঈসা আঃদের বিপ্লবের সূচনা করবে । বর্তমান প্রচলিত শিকী কলেমা সে উত্থানের পথে বাধা ।
আজ থেকে সবাই তাওহীদের পতাকা ধারণ করো ও বলো ৪
এ 3 এ] ১ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
আযান ও একামতের শেষে তাই আছে। আল কোরআনে আল্লাহ তাই বলতে নির্দেশ করেছেন।