বারাকাহ ফাউন্ডেশন (?)
উম্মুর রাসূল বারাকাহ? ঃ দাসী বারাকাহঃ
উম্মু আইমান বারাকাহ? ৪ বুয়া বারাকাহঃ
উম্মু উসামাহ বারাকাহ? ঃ আয়া বারাকাহঃ
আমি এবার মানৰ জাতির সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক নিদের্শ করতে যাচ্ছি। মানবজাত নর ও নারী দ্বারা গঠিত । ঈমান ও ইসলাম মানবজাতকে পশুজাত থেকে পৃথক করেছে। ঈমান ও ইসলামহীন মানুষ যে কোনো পশু থেকে নিকৃষ্ট । স্বার্থক ঈমান ও ইসলামের অনুসারী নর-নারী ফেরেশতার চেয়েও সম্মানী, শ্রেষ্ঠ । ঈমানের পর নর-নারীর জন্য ভূপৃষ্ঠে জীবনে বড়ো পাওনা ও পাওয়া হলো নরের জন্য ঈমানদার আদর্শ স্ত্রী এবং নারীর জন্য আদর্শ ঈমানদার স্বামী । ঈমানদার স্বামী স্ত্রী মানেই শিক্ষিত দম্পতি প্রচলিত বাংলা, আরবী, ইংরেজী ও উর্দু প্রভৃতি ভাষার অক্ষর জ্ঞান ছাড়াও বাবা ইবাহীম ও মা হাজেরা ও আখেরী নবী সঃ ও মা খাদিজাদের ঈমানের নিরক্ষর দম্পতিরাও শিক্ষিত। কিন্তু এ ঈমানী শিক্ষাহীন এম,এ পাশ, ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ারও মুর্খ। বরং জঘণ্য মুর্খ। দেশ, জাতি এবং পিতামাতার কুলাঙ্গার । ঘুষ ও সুদখোরী থেকে সকল দুর্নীতি এবং হারাম জীবিকার হারাম খোর । এদের হারাম খেয়ে জন্মদেয়া সন্তানরা হারামজাত হারাম জাদা । এরা জাত বহির্ভত জাতির মাঝে অজাত। এদের দেশ, জাত ও মানব প্রেম নেই । হতে পারেনা । ঈমানদার, ঈমানী শিক্ষায় সমৃদ্ধ দম্পতি মিলনের পূর্বেই আল্লাহর নিকট সৎ সন্তান কামনা করে মিশে । সন্তান হলে ভালো নাম রাখে । জন্মের তারিখ সর্বদা স্মরণ রাখে । কখনো জন্মের তারিখ বদলায় না। তা হলে যে সন্তানের জন, তথা পিতৃপরিচয় মিথ্যা হয়ে যায়! জন্মের তারিখ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহর বান্দা মানুষ তার জীবনের প্রতি মুহূর্ত তার শ্রষ্টার ইবাদতের পরীক্ষার হলে কাটায়। দু'কীধের দু' ফেরেশতা তার পরীক্ষার খাতায় অনুক্ষণ তার ক্রিয়াকলাপ লেখে । জন্মের তারিখ মিথ্যা বা ভূল হওয়া তার পরীক্ষা মিথ্যা ও ভুল হওয়ার নামান্তর । পরীক্ষা ভুল হলে কী হয়? ফেল!? মানুষের পার্থিব জীবন এক । তার পরীক্ষাও একটি । এ এক পরীক্ষায় পাশ করলে জীবন সার্থক ও ধন্য । ফেল হলে সর্বনাশ! মুত্যুর পর দ্বিতীয় বার পৃথিবীতে এসে কোনো পরীক্ষা দিয়ে পূর্বের ফেল পরিবর্তন করা যায় না। তাই নর-নারীরা সাবধান! স্বামী স্ত্রীরা সাবধান! পিতা-মাতারা সাবধান! পার্থিব জীবনের পরীক্ষার হলে নকল ও ফেল অর্থ পরকালে জাহান্নাম । সেখানে স্বীয় আমল ব্যতীত কারো আমলে পার হতে পারবেনা । ঈমানদার নর-নারীর জন্য আমি এ মুক্তিপত্র লিখছি। যারা বেঈমান, সে সমস্ত নর-নারী সত্য থেকে মিথ্যায় পতিত, পতিত ও পতিতা । ব্যভিচারী ও ব্যভিচারীণী ৷ তাদের সন্তান জাত ও জাতক নয়। জারজ ও জারজী । সাবধান! তাদের সাবধান হয়ে তওবা করে মানব মানবী হওয়ার চূড়ান্ত নোটিশ রূপে এ মহাজাতকের গ্রন্থ রচনা করছি। হস্তরেখা দেখে মিথ্যা শয়তানী ভাগ্য বলার মহাজতকের পঞ্জিকা লিখছিনা । হে বাবা আদম ও মা হাওয়ায় সন্তান নর-নারী আমার ভাই বোনেরা! বই পড়ার এ স্থানে তোমরা একটু যাত্রা বিরতি করে অবশ্যই ভেবে নিও যে তোমার যাত্রা গন্তব্যের লক্ষ্যে কিনা! অতীতে ভুল হলে এক্ষুণি মোড় পরিবর্তন করে গন্তব্যের পথে যাত্রা আরম্ভ করো। বর্তমানে শুধু অমুস্লিম কাফেররা নয়, মুসলিম নামধারীরাও আল্লাহ ও তার রাসূলদের পথ ত্যাগকারী মুর্তাদ ও কাফের । আল্লাহর নাধিল করা শরীয়া বা বিধান ত্যাগ করে মানব স্বেচ্ছাচারের রচিত আইনে চালিত জাতি, নির্বিশেষে যালিম, ফাসেক ও কাফের | (দেখো সূরা মাঈদা-৪৪,৪৫ ও ৪৬) সে অর্থে বর্তমান মুসলিম রাষ্ট্র সমূহ দারুল কুফ্র। তার জনগণ তাদের শাসকদের বদলিয়ে তওবা করে ঈমান এনে নূহ, ইব্রাহীম, মুসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সঃ দের শরীআ চালু না করলে সবাই কাফের হয়ে জাতিসংঘের সদস্যদের সাথে জাহান্নামে যাবে। জাতি সংঘের অধীনে নরনারীর যে স্বেচ্ছাচারিতার বিধান রচিত হচ্ছে, তা বিশ্ব বেশ্যায়ন। তার বিরুদ্ধে সকল মুসলিম নরনারীকে আর একটি দিনও নষ্ট না করে প্রথমে নিজেরা রাসূল সঃ গণ ও তাদের অনুগত স্ত্রীদের আদর্শে সত্যের উপর দৃঢ়, অনড় ও অটল অবস্থান নিয়ে দেশী-বিদেশী বেশ্যা নরনারীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্বক প্রতিরোধ ও নির্মূল আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে । ওদের পাপে সারা বিশ্বে বেশ্যাবৃত্তি, ঘরভাঙ্গা এবং এইডস রোগ সর্বগ্রাসী ধ্বংস যজ্ঞ রূপে ধেয়ে আসছে। এ থেকে মুক্তির প্রথম করণীয় হলো প্রচলিত কুশিক্ষা ও তার প্রচার মাধ্যম বর্জন করতে হবে। কুশিক্ষা হলো নরনারীর সহশিক্ষা ও নরনারীর পর্দাহীন বেহায়াপনা । প্রচার মাধ্যম হলো ছাপা
389 ///-99090০901.০011/819911799
অক্ষরে সাহিত্য, সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন এবং শ্রবন দর্শনের বেতার, দূরদর্শন, ভি,সি,আর, ভিডিও ইন্টার নেট প্রভৃতি। পাপাচারের নগর সভ্যতা নামের অসভ্যতা বর্জন করে সামাজিক বীধনের পল্লী-জীবনে ফিরে যাওয়া মাত্রই এ মুক্তির সূর্য উদিত হবে। শহর গুলো ক্যান্সারের ন্যায় পল্লী ও পল্লীর মানুষদের নিঃশেষ করে ফেলছে। অথচ পল্লীবাসিরা তাদের উৎপন্ন দ্রব্য শহর মুখী না করে তাদের পল্লী জীবনকে স্বনির্ভর ও স্বয়ং সম্পূর্ণ করা মাত্রই তাদের জীবন যাত্রার ব্যয় এক সপ্তমাংশে নেমে আসবে । নগরগুলো সংকোচিত হয়ে জনসংখ্যা কমে গিয়ে বর্তমান পাপাচারের রাজধানী থেকে আদর্শ গ্রামের তীর্থস্থানে পরিবর্তিত হবে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের আল্লাহর বিধান মেনে প্রথম রাত্রিতে নিদ্রায় গিয়ে শেষ রাত্রিতে ইবাদত ও ভোরে উঠে কর্মজীবন আরম্ভ করলে বিদ্যুৎ খরচ সিংহভাগ কমে যাবে, অশ্লীল বিনোদন নামের পাশব তান্ডব প্রায় নাই হয়ে যাবে এবং হারামযাদা হারামযাদী পয়দার হার শুন্যের কোঠায় নেমে আসবে । আল্লাহর ওয়াদা তাই। বর্তমান নারকীয় বিশ্বে স্বর্গ নেমে আসবে । বর্তমান বিশ্ব ও তার নগর সভ্যতা ইবলিসের উপনিবেশবাদের বাজার ও মেলা । এ মেলায় বেচাকিনি ছাড়া কারো সাথে কোনো ঈমান ও সামাজিকতার বাধন নেই। যে যাকে পারে ঠকায়। প্রত্যহ, প্রতিমুহূর্ত ও সর্বক্ষণ চিন্তায় থাকে কে কাকে কিরূপে ঠকাবে ৷ তাই যা অর্জন উপার্জন করে তা যতোটুকু ভোগ করে, তার চেয়ে বেশী অপচয় করে । সে অর্থে বর্তমান বিভক্ত জাতিসত্তায় উন্নতরা অপচয়ের জাতি, [৪0175 9? 48569, যাদের আল্লাহ কোরআনে পরস্পরকে “শয়তানের ভাই” বলে নাম করণ করেছেন £ ০০৮৮৫। 3631 14 ৩45) $1 অবশ্যই
অপচয় কারীরা শয়তানদের ভাই। (বনী ইত্রাঈল-২৭)
উন্নয়নশীল জাতিরা উন্নতদের যোগানদাতা দালাল, এবং অনুননতরা ওদের উচ্ছিষ্টভোগী দান ভিক্ষার ক্রীতদাস। এবং তাদের প্রভুদের দেশীয় প্রজন্ম তৈরীর প্রজনন যন্ত্র। সরকারগুলো ও আমলারা ওদের যৌথ খামার ৷ দেশের প্রেসিডেন্ট থেকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের ছবি দেখলে কি মনে হয় যে এরা এদেশের ক্ষেতে খামারে কাজ করা মুসলিম জনগণের সন্তান বা বৈশিষ্টময় বাঙ্গালীদের ওরষজাত সন্তান?! মনে হয় না যে এরা উপনিবেশবাদের ক্লাইভ ও কার্জনদের থুথু ও আবর্জনা থেকে জন্মানো ওদের আর্দালী, খানসামা, নাপিত, ধোপা ও মুচিদের প্রজন্ম! সবাই টাই স্যুটপরা গৌপদাড়ী চাছা ক্লীবৃলিঙ্গের বিকৃতজাত। “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি” কোথায়? একুশে ফেবুয়ারী ও পয়লা বৈশাখে ভন্ডামী ছাড়া কি এদের মধ্যে মুসলমানিত দূরে থাক, কোনো বাঙ্গালীত আছে? পার্শ্ববর্তী ভারতের নেতৃবৃন্দের পোষাক আশাক দেখেও কি এদের লজ্জা শরমের উদ্রেক হয় না? এ খবিসদের নামাজের ইমামত ও এদের মুর্দাদের জানাযা পড়ে যারা, তারা কি সূরা তওবায় বর্ণিত হারাম খোর ধর্ম ব্যবসায়ী নয়? পাঠক বৃন্দ! এর সঠিক উত্তর খুঁজে এ বই পড়লে তোমরা আল্লাহ ও তার রাসূলদের মুস্তাদআফ হয়ে মুস্তাকবিরদের উত্খাত করে বিশ্ব মুস্তদআফদের মুক্তির মাহদী, মসীহ ও মেসাইয়া হতে পারবে । তা না হলে তোমাদের কিয়ামত উপস্থিত। সুশিক্ষা মানুষকে ফেরেশতাদের চেয়েও মর্ধাদাশীল করে । আদমকে সৃষ্টি করে আল্লাহ তাকে সকল জ্ঞান দান করে তা ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করে বলেন, “তোমরা যদি সত্যিকারের জ্ঞানের দাবিতে সত্য হও, তাহলে এর তাৎপর্য আমাকে বলো দেখি!” ফেরেশতারা তখন একবাক্যে বলে ছিলো, “মহাপবিত্র আপনি! আপনার প্রদত্ত ইল্ম ব্যতিত আমাদের তো কোনো জ্ঞান নেই! আপনিই যে সর্বজ্ঞ জ্ঞানের আধার!” অতঃপর আদমকে বলা হলো, “হে আদম! তুমি ফেরেশতাদের এর তাৎপর্য বলে দাও দেখি!” আদম যখন সেমতো বলে দিলো, তখন আল্লাহ বলেন, “আমি কি বলিনি যে আমি আস্মান যমীনের তোমাদের সকল অজানা জানি!? তোমরা যা গোপন বা প্রকাশ করো,
সব জানি!” (দেখো, বাকারা-৩১,৩২,৩৩)
এ হলো মানব নরনারীর জন্য কল্যাণের শিক্ষা। এর বাইরের শিক্ষা ইব্লিসের শিক্ষা । মানবকে ইতর বানিয়ে পৃথিবীতে উদর পুর্তির কারিগরি শিক্ষা, প্রতারণার অর্থনৈতিক কলা কৌশল ও উপনিবেশবাদী শাসন ও শোষণ দিয়ে বকরি ও হাস মুরগীর দামে ব্যালট রূপে ভোটের বাক্সে পুরে পাচ বৎসর মেয়াদে এক এক দল ক্রয় করে গণতন্ত্রের হাটে নিলামে বেচাকেনা করে । এর নাম গণতন্ত্র! তাই এ গণতন্ত্র আত্মহত্যার মতো হারাম । আল্লাহর বিধানে আল্লাহর
390 ///-99090০901.০011/819911799
বান্দাদের এরূপ গবাদি পশুসম দাসের হাট নিষিদ্ধ। তার শেষ ও চুড়ান্ত দৃষ্টান্তই তিনি স্থাপন করেছেন দাসের হাট থেকে কেনা বারাকাহ্কে দিয়ে তার আখেরী নবী সঃ কে লালন করে । তার দ্বারা দাসের হাট থেকে কেনা যায়দকে যুক্ত করে মুহাজির আনসারদের ইমাম বানিয়ে এবং সর্বশেষ মুজিযা বারাকাহ ও যায়দের মিলনের ফল উসামাহকে রাসূল সঃ কর্তৃক বিশ্বের মুস্তাদআফ্দের চুড়ান্ত ইমাম নিয়োগ করে। জনগণের সম্মিলিত চেষ্টায় জনগণের কল্যাণ সাধনের গণতন্ত্র ইসলাম । শাসক ইমাম এবং ইমাম শাসক। নবী রাসূলগণ ইমাম ও শাসক ছিলেন । তাই তারা পিতৃতুল্য ছিলেন এবং তাদের অনুগত আদর্শ স্ত্রীরা মাতৃতুল্য। যেমন মা হাজেরা ও খাদিজা । মন্দরা নবীর স্ত্রী হওয়া সত্তেও মাতৃতুল্য তো নয়ই, বরং মন্দ নারীদের চেয়েও ছ্ৃণ্য। যেমন হযরত নূহ ও লুত আঃ দের স্ত্রী। ঈমানদার শাসকরা নবী রাসূলদের উত্তরাধিকারী । তাই তারা নামাজ সমাজের যেরূপ ইমাম, যুদ্ধেরও ইমাম। তারা নবীদের আদর্শ ও সুন্নায় জনগণের পিতৃতুল্য এবং জনগণ তাদের সন্তান তুল্য। গোটা সমাজ তাদের সংসার ও পরিবার। গোটা জাতি সম্পর্কে তারা হাশরের দিন জিজ্ঞাসিত হবে। 54০১0 ৮0১৫ 7 37 ৭0 ঠতিএও
(আরাফ- ৬)
এখন প্রশ্ন করি যে কোনো বৈধ পিতা-মাতা কি তাদের সন্তানদের ভোটাভোটির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে পিতা-মাতা হয়?! তা হলে তো দম্পতিকে বিবাহের পূর্বে হারামযাদা-হারামযাদী জন্ম দিয়ে তারা প্রত্যেকে আঠারো বছর উত্তীর্ণ হলে তাদের ভোটেই পিতা-মাতা নির্বাচিত হতে হবে?! পাঁচ দশটি সন্তানের পিতা-মাতা হওয়ার চেয়ে কোটি কোটি মানুষের পিতা হওয়া অনেক অনেক বড়ো কাজ । তাই তা" কখনো অবুঝ ও অর্ধবুঝ সাধারণ জনগণের খেয়াল খুশীর ভোটাভোটিতে হতে পারেনা । পরিপরু ঈমানী আনুগত্যের বাছনীতে ইসলামী জন কল্যাণের ইমাম ও শাসক নিযুক্ত হয়। দলাদলীর শ্লোগান, ভোট কেনা ও ভোট ডাকাতির দ্বারা আল্লাহর দ্বীনের ইমাম নির্বাচন ও তার বান্দাদের শাসক বাছাই হয় না। প্রচলিত গণতন্ত্র, বিশেষ করে মুস্লিম অধ্যসিত দেশ সমূহে তাদের প্রাক্তন ওপনিবেশিক লুটেরাদের পরিত্যাক্ত “দেশী কালা আদৃমী” সাহেবদের গণতন্ত্র মধ্যযুগীয় দাস প্রথার চেয়েও নিকৃষ্ট । কারণ মধ্যযুগের দাসদাসীদের মনিবরা তাদের অর্থ দিয়ে কিনে তাদের খাওয়া পরা থেকে আরম্ভ করে সকল দায়িত বহন করতো । কিন্তু গণতন্ত্রের মনিবরা ভোটার জনগণের রাজস্ে স্বর্গ সুখে বাস করে দেশবাসীকে গোলাম খাটায়। ধরাপৃষ্ঠে নিকৃষ্ট মানুষ তারা, যারা মানুষ হয়ে মানুষের উপর প্রভৃত্ব করে। তারা তাগুত, কাফের, ফাসিক ও যালিম। এরা শির্কের দ্বারা মানুষকে বিভক্ত করে দুর্বল করে তাদের উপর প্রভূত্ব করে । আল্লাহ কোরআনে উল্লেখ করেছেন যে ফেরাআউন পৃথিবীতে প্রভূত দাবি করে মানুষকে বিভক্ত করে এক শ্রেণীকে সবল এবং অপর শ্রেণীকে দূর্বল করে পরে সবলকে দুর্বলের উপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের দ্বারা মানুষের উপর প্রভূক্ত করেছে। বর্তমানে গনতন্ত্রী ফেরআউনরা তাদের দলের মন্ত্রী, এম পি ও দলীয় সদস্যদের জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়ে শোষণ করে নব্য ফেরআউনী ও নমরুদী তাগ্ততী চালাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ উল্টোটা হলো আল্লাহর বিধান ইসলাম । তা হলো মানুষকে “লা ইলাহা ইন্লাল্লাহ' এর তাওহীদ দিয়ে সকল মানুষ ও দেব দেবীর দাসত্ব থেকে মুক্তকরে এক অ্ষ্টা, এক বিশ্ব ও এক জাতি করা । এটাই হলো ইসলামী বিশ্বায়ন বা প্লোবালাইজেশন। এর বিপরীতটাই হলো ইব্লিস ও তার মানুষ জারজদের গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, পুঁজিবাদ ও ধর্ম নিরপেক্ষ বাদের বিশ্বায়নের মাধ্যমে “বেশ্যায়ন” । নবী রাসূলগণ মুক্তির বিশ্বায়নের আল্লাহ প্রেরীত আদর্শ ইমাম । তাদের মধ্যে নৃহ, ইবাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মদ সঞ্দদের কে পঞ্চরত্র করে আখেরী নবীকে চূড়ান্ত মোহর দান করেছেন। সৃষ্টি সাম্যের এ মোহর মৃত্যুবরণ করলে তাকে তিন দিন অসমাহিত রেখে যে বৈসম্য পুনঃ চালু করা হয়, তার আবর্তে আজ বিশ্বমানব জর্জরিত। ১৪০০ বছর পর সে রাসুল সঃ কে তার রওযা থেকে উত্তোলন করেই আমাদের যাত্রা শুরু করতে হবে । এ উত্তোলন রওযার মাটি খুঁড়ে নয়, তার রিসালাতকে কৌরআন ও তীর বিশুদ্ধ সুন্নাহ অনুযারী পুনঃ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে করতে হবে। আমার এতো প্রচেষ্টা সে দাফন করা সত্যকে পুনরুখিত করতে । সে কাজে যারা আমার সঙ্গি হবে, তাদের পুরুষগণ হতে হবে যায়দ, বেলাল, আম্মার, ইবন মাসউদ, সুহাইব, সালমান, আবু যার ও উসামাহর দৃষ্ঠান্ত এবং নারীরা বারাকাহ, খাদীজা, উম্মে সালামাহ, উম্মে হাবীবাহ ও মারিয়া কিবতিয়াহ্দের যিন্দা নমুনা ।
3914 ///-99090০901.০011/819911799
বিশ্ব মানব আদর্শের পূর্ণ রবি মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সঃ কে তার আল্লাহ কর্তৃক নিয়োগ কৃত পালিকা মাতা বারাকাহ যে ভাবে চিনে ছিলেন, আমার মতে, সে ভাবে তাঁকে আজ পর্যন্ত কেউ চিনে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়নি। হবে কিনা সন্দেহ। বইর শুরুতে তা উল্লেখ করলেও বইর শেষ পর্যায়ে তার পুনরুল্লেখ করে পাঠকদের তা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। রাসূল সঃ তীর কাজ সমাপ্ত করে বিদায় নিয়েছেন। কেউ গোত্রীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় পাগলের ভান করেছে, কেউ কথায় কথায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে “আল আইম্মাতু মিন কৌরেশ” জপেছে, আবার কেউ পারিবারিক ক্ষমতা রক্ষার জন্য ঘরের দরজা খিল্ দিয়েছে! কিন্তু সবাই গিয়ে যখন রাসূল ও রিসালতের পালিকা মাতার মুখে রাসূলের মৃত্যু সম্পর্কে মূল্যায়ন জানতে চাইলো তখন বারাকাহ্ উম্মে আইমান ও উম্মে উসামাহ বুকফাটা আর্তচিৎকার করে বলেন, “আহ্, লাকাদ্ ইনকাতা আল্ ওয়াহ্উ মিনাস্ সামা” । *৮০এ। ০০ ৬৯1 53] ২ ০ হায়! আকাশ থেকে অহী আসার সংযোগ কেটে গেলো! এ মূল্যায়ন কি অন্য কারো মুখ থেকে বের হয়েছে? এর চেয়ে কি খাতামুন্ নাবিয়্টান সঃ এর রিসালাতের যথার্থ মূল্যায়ন সম্ভব!! পাঁচ শব্দে সাত আসমান ও এক বিশ্বকে ঝিনুকে ঢুকিয়ে মুক্তামালা বানিয়েছেন বারাকাহ্। এ বইর বারাকাহ অধ্যায় পড়ে ৩৫% ৬৫% ইসলাম ও জাহিলিয়্যাতের মিক্চার কিছু যুবক ডাক্তার ও তাদের স্বগোত্রীয়রা অনুপ্রাণীত হয়ে বারাকাহর নামে ফাউন্ডেশন দীড় করে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মাফিক হাসপাতাল ও চিকিৎসা সেবার পরিকল্পনা নিয়েছে। এদের বৈশিষ্ট্য হলো, এরা ধর্মের নামে আখের গুছানো কুশিক্ষিত ও বিকৃত জামাতে ইসলামীর এক শ্রেণীর নব্য সবজান্তা। কোনো জিনিস তারা পূর্ণ গ্রহণ করেনা বা করতে পারেনা । তদ্রপ কোনো জিনিস পূর্ণ ত্যাগও করতে অপারগ । কারণ, পূর্ণ গ্রহণ ও বর্জনের জন্য পূর্ণ জানতে ও বুঝতে হয়। সে যোগ্যতা তাদের নেই। তাই তারা বিভিন্ন তথ্য পল্জী ঘেটে তার গ্যাসর্টমেন্ট দিয়ে “সোনার পিতলা কলস” তৈরীর পথ বেছে নিয়েছে বলে মনে হয়। সততা ও সত্য গ্রহণে তারা অযোগ্য । কারণ, তাতে যেখান থেকে সত্যের সন্ধান পায়, তার স্বীকৃতি দিয়ে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করতে হয়। সত্যের পথিক হতে হলে আনুগত্য ও কৃতজ্ঞতার গুণ মৌলিক পাথেয় । আল্লাহর রাসূল এ ব্যাপারটিকে সুস্পষ্ট করে বলেছেন এ ১১১ শে | ১ এ ০ যে আল্লাহর বান্দার শুকুর করেনা, সে আল্লাহরও শুকুর করেনা । শুকুর শব্দের বাংলা প্রতিশব্দই কৃতজ্ঞতা । বোধ হয় অকৃতজ্ঞতা কুফরীর পরিণামে নিয়ে পৌছায় বলেই আল্লাহ কৌরআনে কাফেরদের অকৃতজ্ঞ এবং অকৃতজ্ঞদের কাফের বলেছেন। বারাকাহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরে শিক্ষিত আলেমরা তা বুঝে চুপ মেরে গিয়েছে। যদিও তা তাদের বাজারজাত করা ধর্মব্যবসার মূলে কুঠারাঘাত করেছে। অনেকের মধ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত নিঃস্বার্থ তৃণ মূলের কর্মীরা বিপুল সংখ্যায় বিষুদ্ধহয়ে বলতে গেলে আমাকে বাধ্য করেছে বারাকাহর চেপে রাখা তথ্যের মর্মে এ পূর্ণাঙ্গ বই লিখতে । তাদের প্রথম সারির প্রতারক নেতা ও তাদের দ্বিতীয় সারির চামচাদের ধুর্তামী তারা হাড়ে হাড়ে বুঝে ফেলেছে। তারা সন্দেহাতীত বিশ্বাস করে যে তাদের নেতা ও তার খলিফারা প্রতারক । ইসলাম ওদের ব্যবসা । ব্যাঙ্ক বীমাসহ চাদার পয়সায় গড়া ওদের সাম্রাজ্য রক্ষা করার জন্যই নেতা ও চার পার্শচর মীর জাফর ও মীর কাশেম আলীরা ধর্মের ভন্ডামী ধরে আছে। মূলতঃ এদের যেমন মূল ঈমান নেই, তাই মূল ইসলামী শিক্ষাও নেই । মাওলানা মওদুদীর চর্বিত চর্বন কিছু চটি বই পড়ে তার তালগোল পাকানো ভ্রান্ত ধারণার সাথে গণতন্ত্র, উমাইয়া, আব্বাসী ও মুঘলাই সাম্প্রদায়িকতার জগা খিচুড়ী এ জামাতে ইসলামীর প্রজাতির ধ্যান, ধর্ম ও উপজীব্য । এরা, বিশেষ করে এদের উপরের নেতা ও দ্বিতীয় কাতারের মজা ভোগীরা নব্য ইয়াজুজ মাজুজ, দাজ্জাল । সন্ত্রাসী ক্যাডার লালন পালন করে এরা নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে এবং নিমের কর্মী শ্রেণীকে ভয় দেখায় । কেউ এদের অপকর্ম বুঝে এদের সংশোধনের কোনো পদক্ষেপ নিতে গেলেই নেতা তার মারওয়ান বাহিনীকে দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে এবং দল ত্যাগ করলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চরিত্র হনন ও সন্ত্রাসী প্রতিশোধের হুমৃকি ছোড়ে। সত্য দিয়ে এদের নিরূল করা এখন ইসলাম, ঈমান ও ইহ্সানে বিশ্বাসীদের কর্তব্য । আখেরী রাসূল সঃ এর রিসালাতকে তার মৃত্যুর পরক্ষণে বিকৃত করে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত চালু সকল বিদআত ও মিথ্যাকে নির্মূল করার লক্ষ্যে এ বই। বিশ্ব সত্য ও বিশ্ব শান্তি প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য প্রেরিত বিশ্বনবী সঃ কে লালন ও প্রশিক্ষণের জন্য আল্লাহর নিয়োজিত বরকত, বারাকাহকে ঘিরে রচিত এ বই যেখানে গোত্রবাদী, বর্ণবাদী ও
392 ///-99090০901.০011/819911799
মিথ্যাবাদীদের গোপন ও আড়াল করা যায়দ, বিলাল, আম্মার, সুহাইব, ইব্ন মাসউদ, সাওবান, সালমান ও উসামাহদের পরিস্কার দিগন্তে সূর্য উঠার মতো স্বচ্ছ করে, সেখানে মৃত সাম্রাজ্যবাদের ধ্বংস স্তুূপের পেঁচা শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষার্থে বারাকাহ্কে কাজের বুয়া, আয়া ও দাসী রূপে বিকৃত রূপে চিত্রিত করে “হযরত বারাকাহ (রাঃ)” নামে প্রায় পঞ্চাশ পৃষ্ঠার বই রচনা করেছে। এ বিকৃত পুস্তিকা লিখে তা প্রকাশ করে তা আবার তারা তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে, “দি বারাকাহ্ ফাউন্ডেশন” নামে বাজারজাত করেছে। ওদের সিনিষ্টার ডিজাইন ও কুৎসিত চেহারাকে ঢাকার জন্য ওরা যে পুস্তিকার শেষে গ্রন্থপঞ্জির উল্লেখ করেছে, তার চেহারাও ওরা বা ওদের সুড়ু নেতারাও দেখেনি। দু' একখানা দেখলেও তা পড়ে তার পাঠোদ্ধার করার যোগ্যতাও ওদের নেই। গ্রন্থপঞ্জি ও বইর তালিকা দেখে মূল বারাকাহ্ ও তার জীবনের আবেদনকে খাটো ও বিকৃত করার জন্য তথ্যচোর চক্ররা এ ঘৃণ্য কাজটি করেছে। এদের নির্লজ্জ স্পর্ধা দেখে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম যে তারপরও তারা তাদের ব্যবসায়িক প্যাটেন্ট হিসেবে “বারাকাহ ফাউন্ডেশন” ও “বারাকাহ্ কিডনী হাস্পাতাল” নামে দু'টি দোকান খুলে হালে একটি স্কুলও চালু করেছে। ওদের তো মানায় বারাকাহ নামে এজেন্সী খুলে মধ্যপ্রাচ্যে বুয়া রপ্তানী করে নৃতনকরে দাসীর ব্যবসা আরম্ত করা! কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাবোধ ওদের গুরুদের কুষ্টিনামায় যেহেতু নাই, তাই তাদের বদ্তমীয শাগরেদদের কিরপে থাকবে! এদের জন্য আল্লাহর দরবারে আমার বিশেষ দোয়া, হয় এরা ভুল বুঝে তা স্বীকার করে তওবা করে মানুষ হোক, না হয় আল্লাহ এদের এমন শাস্তি দিন যে তা দেখে অন্যরা শিক্ষা গ্রহণ করুক। পূর্ববর্তী ইয়াহুদীদের এ চরিত্র ছিলো । এরা ওদেরই সুন্নাতের শেষ অনুসারী । আল্লাহ এদের নিরল করে আল্লাহর রহমত ও বরকতের প্রতীক খাতামুন্ নাবিয়ীন সঃ ও তার সত্যিকারের “আহলে বাইত” বারাকাহ, যায়দ, আম্মার, বিলাল, সুহাইব, সালমান ও উসামাহদের জামাত রূপে বিশ্বে সত্যান্বেষীদের বিশ্বায়নের ইমাম ও সৈনিক হওয়ার তাওফীক দান করুন । আমীন। বারাকাহ দাসী, যায়দ গোলাম, আম্মার বিলাল ও ইবন্ মাসউদরা তুচ্ছ নিম্নশ্রেণীর, আর কৌরেশী, হাশেমী, উমাইয়া ও আব্বাসীরা সাহাবী, আশারায়ে মুবাশ্থিরা, খোলাফায়ে রাশেদ, ইমাম ও খলিফা! এতো পুরাতন পরাজিত জাহিলিয়্যাতের বর্ণচোরা প্রত্যাবর্তন! এটাকেই আল্লাহর আখেরী নবী তার বিদায় ও বিজয় হজ্জে পায়ের তলায় পিষ্ট করে গিয়ে ছিলেন! আমরা শুধু আল্লাহ ও তার রাসূলদের অনুসারী । তাই আল্লাহ ও তার রাসূল সঃ এর প্রিয় হিব্ব ও হাবীবরাই আমাদের কাছে প্রিয়দের তালিকায় শীর্ষে। তারপর গোত্রবাদীরা তাদের ব্যক্তিগত তওবা ও আমলের পরিমাপে আমাদের অন্তরে, কাছে ও দূরে । কোরআন ব্যতীত, কৌরআন বিরোধী কোনো তথাকথিত হাদীস আমাদের এ বিশ্বাসের ভীতে নাড়া দিতে পারবেনা । কোরআনের সাথে মিললে সনদের দিক দিয়ে দুর্বল হাদীসও (?) আমাদের নিকট সবল । তাই-ই সহীহ্। না মিললে তা কথিত সহীহ হলেও মিথ্যা। তা সিহাহ্ সিত্তায় হলেও ।
রাসূল সঃ যাকে বলেছেন £
(১) “আমার মায়ের পর ইনিই আমার মা, আমার স্বজনদের অবশিষ্ট ।” (২) ধরার পৃষ্ঠে চলমান জান্নাত । (৩) রাসূল সঃ যাকে সালাম করে বলেছেন, “আম্মা তুমি কেমন আছো?” উত্তরে বলেছেন, “হে আল্লাহর রাসূল! হ্যা, আমি ভালো, যতক্ষণ ইসলাম ঠিক থাকে ।” (৪) বারাকাহ এসে তার রাসূল ছেলেকে বলেন, “মুহাম্মাদ পানি পান করাও” । উত্তরে নির্বোধ মা আয়শা বলে, “তোমার এতো স্পর্ধা যে রাসূলকে পানি দিতে বলছো!” উত্তরে ধীর কণ্ঠে বারাকাহ নির্বোধ পুত্রবধুকে তীক্ষ মেধায় তিরস্কার করে বলেন, “বউ, মুহাম্মাদকে জিজ্ঞাসা করো?” রাসূল মা আয়শা কে বলেন, “তুমি কাকে কি বলছো? এ যে আমার মা। এ যে জন্ম দাত্রীর পর আমার আসল মা!” রাসূল নিজ হাতে পানি এনে মাকে পান করান। (৫) আল্লাহ ও রাসূলের প্রশংসিত যায়দের সাথে বিয়ে হলে যাদের মিলনে আল্লাহ মুস্লিম উম্মার ইমাম ও প্রধান সেনাপতি উসামাহ্ ইবন যায়দের জন্ম হয়। (৬) আবু বকর ও উমর গোত্রবাদী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ শিষ্ঠাচারে রাসুল সঃ এর কপালে চুমো খাওয়া ও মুখে ডাকা আম্মার সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে কান্নায় ভেলে বলেন। ৮৮০»এ| ০১০ ৬৯91 ৮৮৪] এ ০| “হায়, আসমান থেকে অহী আসার সংযোগ কেটে গিয়েছে ।” এ সমস্ত হীরা ঝরা অমর গীথার মহিয়সী মহিলা, বুয়া, কাজের ঝি, আয়া!? আর যারা রাসূল সঃ এর জীবদ্দশায় ঘরে
393 ///-99090০901.০011/819911799
বাইরে ফিতনা সৃষ্টি করে বেড়িয়েছে, যাদের ব্যাপারে বহু খন্ডিত অহী নাধিল ছাড়াও পূর্ণ দৈর্ঘ সূরা নাযিল হয়েছে, যারা মুহাজির আনসার, কোরেশী অ-কোরেশীর ধুয়া তুলে ইসলামী এক্যকে খান খান করেছে, রাসূল সঃ এর বিদায়ের পর নারী পুরুষ নির্বিশেষে গৃহযুদ্ধ বাঁধিয়ে হাযার হাযার নয়, লক্ষ লক্ষ ঈমানদারদের লাশকে শকুন ও শিয়াল কুকুরের খাদ্যে রূপান্তরিত করে আজো শতধা বিভক্তির কারণ হয়ে আছে, তারা “রাদিআল্লাহ আন্হুঃ!” রাসূল সঃ এর শ্বশুর, জামাতা ও শালা সম্বন্ধি হলেই তারা সবাই পূজনীয়? এমন আম্মাজান, নানাজান, মামুজান ও দুলা ভাই জানদের ১৪১২ বছর পর সম্দ্ধ সালাম দিয়ে বিদায় নিয়ে আমি সম্পূর্ণ দায় মুক্ত হয়ে, আল্লাহ, রাসূল সঃ ও কোরআনকে বুকে ধারণ করে ১৪০১ থেকে ১৪১২ বছরের পূর্বের অবস্থা ও অবস্থানে আমি নূহ, ইবাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সঃদের ইসলাম, ঈমান ও ইহ্সানের তাক্ওয়ার পতাকাবাহীদের “লা ইলাহা ইলাল্লাহ” এর কালেমায়ে তাইয়েবার দিকে ডাকার আযান দিচিছি। দি বারাকাহ ফাউন্ডেশনের তথ্যচোর অকৃতজ্ঞ চক্রের উদ্যোক্তাদের আমি মনে করেছিলাম যে এরা জামাত চক্রের কিছু তওবাকারী লোক হবে । তাই এরা যখন আমার লেখা বারাকাহর প্রতিবেদন পড়ে আমার কাছে এসে যোগাযোগ করে, তখন আমার সন্দেহ হয়েছিলো যে, এদের হয়তো সৎ উদ্দেশ্য আছে। কিন্তু পরে এরা পাল্টা বিকৃত বারাকাহ প্রকাশ করে প্রমাণ করলো যে এরা গোলাম আযম চক্রেরই বি টিম ও সি টিমের হুতুম পেঁচা । এরাই পার্থিব তুচ্ছ স্বার্থে মা বোন বিক্রি করতে পারে, বা করে। তারই প্রমাণ সরবরাহ করেছে মা বারাকাহর জান্নাতী জীবনী বিকৃত করে। চৌদ্দশ" বছর পূর্বে এদের জন্ম হলে এরা অবশ্যই আবু জেহল, আবু লাহাব, আবূ সুফ্য়ান, মুয়াবিয়া, ইয়ামীদ ও মারওয়ানদের দলের রোকন ও মুত্তাফিক এবং মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত হতো। আল্লাহ এদের ষড়যন্ত্র থেকে সরলমনা মুমিনদের এবং কোমল মতি সত্যানেষী যুবকদের রক্ষা করুন। এদের কথা বার্তা ও লেখায় সাধারণ মানুষেরা বিভ্রান্ত হয়ে এদের ইসলামী বলে ভাবতে আরম্ভ করে। তাই এদের সম্পর্কে সতর্ক করার জন্যই বারাকাহকে নিয়ে ওদের কুকীর্তি প্রকাশ করে সাবধান হওয়া ও করার দৃষ্টান্ত ওরা নিজেরাই সরবরাহ করলো । সাধারণ ঈমানদাররা হয় দাড়ি কামায়, অথবা মাপমতো দাড়ি রেখে মাথায় টুপী পরে। এরা কামার, চামার ও ধোপা সুইপাররা যেমন সময়াভাবে দাড়িগৌপ কামাতে না পেরে, পরে সপ্তাহ দশ দিন অন্তর শেভ হয়, তেমন দাড়িগৌপ রাখে । শার্ট প্যান্টের সাথে এদের এ গৌপদাড়ি দেখলেই এদের চেনা যায়। দাড়িগৌপে যেমন এরা খাটো, ঈমান আমলেও এরা খাটো। এদের হুলিয়া দেখেই এদের থেকে সাবধান হওয়ার জন্য এদের হুলিয়া তুলে ধরা হলো । সারা বিশ্বে এদের চেহারার নমুনা প্রায় এক। এ ইয়াহুদী খৃষ্টান স্টাইলের ক্রস্ ব্রীডরা “দ্বীনুল কাইয়েমা” ইসলামের পথে মারাত্মক বিভ্রান্তির কারণ । এরা সেমিনার, পাঠচক্র ও মুখরোচক খন্ডসভা করে তার উপর পুস্তিকা ও সামায়িকী প্রকাশ করে দিশাহারা যুবকদের আকৃষ্ট করে বিভ্রান্ত করে। তাওহীদ, রিসালাত ও কৌরআন ভিত্তিক ইসলামের সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এরা কখনো উমাইয়া আব্বাসী বর্ণবাদী খেলাফত, কখনো মুঘল পাঠান সাম্রাজ্যবাদ ও কখনো পশ্চিমা কুফরী গণতন্ত্রের প্রবক্তা । এরা দাজ্জালী ফিত্নার এ্যডভান্স পার্টি। এদের থেকে সতর্ক হতে হবে । যাদের কাছে বারাকাহ উম্মুর রাসূল, যাকে দিয়ে আল্লাহ তাঁর খাতামুন্ নাবিয়টান সঃ-কে লালন পালনের বিশেষ ব্যবস্থা করেছিলেন, যার পেটে আল্লাহ আইমান ও উসামাহকে জম্মিয়েছেন এবং যায়দের মতো প্রশর্ধসতের সাথে জোড়া বেঁধে ছিলেন, এ বই তাদের ঈমান ও বিশ্বাসের । তাদের কাছে বারাকাহ উম্মুর রাসূল, যেমন বিবি আসিয়া উম্মু মুসা ও মারয়াম্ উম্মু ঈসা । এদের সবার উপর সালাম । যাদের কাছে বারাকাহ গুরুতৃহীনা দাসী, কাজের বুয়া ও আয়া, তাদের জন্য এ বই ও তার আদর্শ নয়। তারা মা আমিনা ও বিবি হালিমার নামে মিলাদ পড়ুয়া ধর্ম বেসাতী মোল্লাদের মতো আরেক নব্য বিকৃত ব্যবসায়ী। এ উভয়ের ফিত্না থেকে আল্লাহ ঈমানদারদের রক্ষা করুন৷ আমীন!