মানব জাতির উৎস, বিকাশ ও নাশ

দ্বিতীয় অধ্যায়

হালালভোগী এক কৃষক থেকে একটি সোনালুগাছের খাম্বা নিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেছিলো । আমি ছোটকালে বাপ ও ভিটামাটিহারা হলেও পারিবারিক এতিহ্যের নিয়ামানুবর্তিতা ছাড়তে পারিনি । ছাত্র রাজনীতিকে আমি ছেলেধরার মতো মৃত্যুদন্তযোগ্য অপরাধ মনেকরি। কারণ, ছাত্র রাজনীতির পান্ডারা শিক্ষার্থী ছেলে- মেয়েদের পিতা-মাতা, অভিভাবক ও গুরু শিক্ষকের অবাধ্য বানিয়ে ফেলে। ফলে এরা পরিবারের কুলাঙ্গার হয়। আমার ইয়াতীম দশার অগ্নিপরীক্ষায় বহু কষ্টকরে ছোটো ভাইদের পড়া লেখা করাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে জামাতী ছাত্রসংঘ ওদের পড়া লেখার সাধনার সর্বনাশ করে দেয় । ফলে একাত্তর সালে আমার অবাধ্য হয়ে তারা পড়া-লেখা বাদ দিয়ে রাজাকার বাদরবাহিনীতে যোগ দেয় । ফলে বাংলাদেশ হলে বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয়টিকে নিয়ে আমি সমস্যায় পড়ি । ছোটোটি ছাত্র সংঘ করলেও ফীঁকিবাজ স্বভাবের ছিলো বলে ওটা বাঁদর বাহিনীতে যায়নি । দ্বিতীয়টিকে লন্ডনে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য অধ্যাপক গোলাম আযম থেকে কিছু পয়সা ধার করে লন্ডনে আব্দুল আযীয নামের এক ছেলেকে ওর ভর্তি ও টিকেটের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। আব্দুল আযীয রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত থাকাকালীন নিজের পরিবারের উপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচার হওয়া সত্তেও পাকিস্তান রক্ষায় আল বদর করেছিলো । একাত্তরের পর আমি ট্টগ্রাম থাকা কালীন উক্ত আব্দুল আযীয সহ আরো ওর মতো ক'জন আমার বাসায় ছোটো ভাইদের সাথে আসা যাওয়া করতো এবং খাওয়া দাওয়াও করতো । সে সুবাদে ওরা আমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আমিও ওদের প্রতি স্লেহশীল ছিলাম । আমি মক্কায় চলে আসলে আব্দুল আযীযও কোনো প্রকারে লন্ডনে পৌছে ওখানে পড়ালেখা আরম্ভ করে । ওকে জিয়াউদ্দিনের লন্ডনে ভর্তির দায়িত্ব দিয়ে অধ্যাপক আযম থেকে ধারকরা চাদার পয়সা দেয়া হয়েছিলো। কথা ছিলো যে আমি পরে সে পয়সা ফেরত দিবো। অধ্যাপক আযম যখন দেখলো যে তার থলেতে পড়ার লোক যেহেতু আমি নই, তাই আমার ভাইরাও তাদের থলের বিড়াল হবেনা, সে জন্য সে আগে ভাগেই বুঝতে পেরে আব্দুল আযীয থেকে তার ধার দেয়া পয়সাটা ফেরত নিয়েছিলো । যাতে জিয়াউদ্দীন আর লন্ডনে গিয়ে পড়ালেখা করতে না পারে। আল্লাহ্‌র রহমতে আমার পরিবার একটি কলঙ্ক থেকে রক্ষা পেলো । হতে পারতো যে জিয়াউদ্দীন বিলাত গিয়ে পড়া- লেখা করে অন্যান্য জামাতীদের মতো আন্তর্জাতিক ইসলামী পেশাদার প্রতারক হতো । ছাত্রসংঘ ও জামাত করা কোনো ছেলের লন্ডনে যাওয়ার পরও কোনো কেরিয়ার ডেভেলপ করেনি। ছাত্র রাজনীতির বিষফলে ওরা ওখানে গিয়েও পড়ালেখা করে মেধার বিকাশ ঘটিয়ে মানুষ না হয়ে তাদের নেতাদের মতো আরবদের দান-দক্ষিণায় ইসলাম বেচা-কেনার দোকানদার হয়েছে। অথচ এরা অধিকাংশই দেশে মেধাবীছাত্র ছিলো। এ দোষে আমার ছোটো ভাইদেরও দেশে সন্তোষজনক লেখা পড়া হয়নি । ছোটোটি বাহাউদ্দিন মুহাম্মাদ ইউসুফ ডাক্তার হলেও কোনো যোগ্য চিকিৎসক না হয়েই আমার সম্পূর্ণ নীতি ও আদর্শ বিরোধী পন্থায় অর্থোপার্জন করে দেশে ফিরে পোষাক শিল্পের মতো গর্হিত ব্যবসায় জড়িয়েছে। আমি মাত্র ১৪ বছরে পিতাহারা হয়ে বিধবা মা ও ভাইবোনদের জন্য জীবিকার সন্ধানে বের হলেও জ্ঞানার্জনের তপস্যা থেকে কখনো বিচ্যুত হইনি । নিজে নিয়মিত পড়া লেখার সুযোগ না পেলেও রাস্তায় পাওয়া লবনের ঠোঙ্গায় কি লেখা, তা পড়তেও কখনো ভুল করিনি। সৌদি আরব থাকাকালীন মক্কায় ডাষ্টবিনে ফেলা স্কুলের পাঠ্যবই কুড়িয়ে এনে বাসায় জড়ো করে তা পড়েছি। সৌদি আরবের ভূইফোড় ধনীদের ছেলে-মেয়েরা তাদের বিনা পয়সার পাঠ্যপুস্তক বর্ষশেষে পরীক্ষার পর গান্টি বেঁধে ডাষ্টবিনে নিক্ষেপ করে । আমি সেগুলো তুলে এনে সংগ্রহ করে তা পড়ে বাছনী করে দেশে এনে আমার সন্তানদের তা পড়িয়েছি ও পড়াচ্ছি। সৌদিদের পয়সা হওয়ায় মুসলিম বিশ্বের বিদগ্ধ ইসলামী স্কলাররা পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক পেয়ে সৌদীদের জন্য চমৎকার পাঠ্য বই রচনা করেছে। আমার বিচারে সৌদী পাঠ্যপুস্তক মুসলিম প্রজন্মের জন্য মানের দিক দিয়ে সর্বোত্তম পাঠ্যক্রম । তার মধ্যে যেখানে সংশোধন করে নিয়েছি। তাই আল্লাহ্‌ তা'আলার পাঠ্যবই আল কৌরআনের সাথে মিল রেখে প্রকৃতিতে ছড়ানো জ্ঞান আমার শিক্ষা-দীক্ষার মূলধন । সে শিক্ষা দিয়েই আমি সন্তানদের শিক্ষিত করে আল্লাহর দরবারে দায়মুক্ত হচ্ছি। মানুষ নিজের উপর অপরকে কল্পনা করে থাকে । আমি আমার মাপাজীবনে পোষ্য ছোটো ভাইদের সে মানদন্ডে কল্পনা করেছি। সর্বকনিষ্ঠ ইউসুফকে ডাক্তারী পড়ালেও তাকে ব্যতিক্রমধর্মী রুগ্নের-সেবক চিকিৎসক রূপেই আমি দেখতে চেয়েছিলাম । মক্কায় থাকাকালীন কষ্টার্জিত অর্থে লন্ডনের হেফার্স থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের লেটেস্ট সংস্করণের বই তার জন্য সরবরাহ করেছিলাম কিন্তু হতভাগা তা পড়ে ভালো ফলাফল করে যোগ্য ডাক্তার না হয়ে মধ্য দিয়ে ফেল

Table of Contents

364 ///-99090০901.০011/819911799

করে টেনেমেনে পাস করে ফীকিবাজ ডাক্তার হয়েছিলো । তাই গভীর জ্ঞানার্জনের স্বাদ পায়নি। আমার পাঠানো মূল্যবান বইগুলো দিয়ে কোনোপ্রকার পাশকরে সে বইগুলো অন্যদের বিলিয়ে দিয়েছে। অথচ এ সমস্ত বই সারাজীবনের সাথী হয়। এসবের কারণ, ছাত্রজীবনে ইবলিসী রাজনীতির বিষফল। তাই আমেরিকা গিয়েও সে সমাজের গুণ, পেশাদারী সম্পদ অর্জনকে পাশ কাটিয়ে শর্টকাট পথে অর্থ কামানোকেই লক্ষ্যস্থির করে চুরিকরে দেশে ফিরেছে। সে দৃষ্টিতে আমি মনে করি যে, জিয়াউদ্দিন ইংল্যান্ড গেলে এরূপ নষ্ট হয়ে দেশে ফিরতো বা আদৌ ফিরতো না। আমার ভেবে ক্ষোভ হয় যে অধ্যাপক গোলাম আযমদের চক্রেপড়া যুবকরা বিদেশে গিয়ে আদমপাচার থেকে আরম্ভ করে ধর্মের নামে যে ভোগভিত্তিক অর্থ লিন্সায় ধ্বংস হয়েছে, তারচেয়ে দেশে থেকে মৃত্যুবরণও ওদের জন্য পরকালে নাজাতের কারণ হতো । এখন ওরা ধনলিন্মু ধর্মবেসাতি নব্য ইয়াহুদী ৷ তাই জিয়াউদ্দিনের বিলাত যাওয়া বন্ধ করে গোলাম আযম আমার মহা উপকার করেছে। অধ্যাপক গোলাম আযম মক্কায় সালেহ কায্যাযের সে অপমানজনক ঘটনার পরও রমজান মাসের যাকাত ও দান খয়রাতে কুয়েতে চলে যায়। রমজান মাস ওখানে কাটিয়ে পুনঃ মক্কায় আসে । কাবা ঘরে অধ্যাপক আযম আমার কীধে হাত দিয়ে বলেছিলো, “ভাই ভিক্ষার ব্যাপারে আপনার কথাই ঠিক । আমি কুয়েতে এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গেলে তার মালিক দরজা খুলে দেখে আমাকে এক মুখভর্তি থুথু আমার মুখে ও কাপড়ে নিক্ষেপ করেছে ।” আমি তার কথা শুনে খুব ব্যথিত হয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়েছিলাম। আন্তরিক সমবেদনার সাথেই বলেছিলোম, ভাই এ পথ ছাড়ুন। এপথ ইসলামে নেই। নিষিদ্ধ। তারপর গোলাম আযম পুনঃ লন্ডনে চলে গেলো । আমি মনে মনে ভাবছিলাম যে, এরপর লোকটির বিবেক তাকে সঠিক পথে চালাবে । কিন্তু হায়! ভিক্ষারপেশা এইডস রোগের ন্যায়। এর পরের বছরে হজ্জপালনে গোলাম আযম মক্কায় আসলো । আব্বাস আলী খান, মাওলানা এ,কে,এম, ইউসুফ, মাওলানা আব্দুস সোবহান ও নুরুজ্জামান সহ দশ বারোজন সমবেত হয়েছে হজ্জ উপলক্ষে । বলতে গেলে গোটা জামাতী ইসলামীই এরা । আরাফা ও মুজদালিফায় হজ্জের অকুফ ও ইফাদা সেরে মিনায় এসে কৌরবানী করার পর মিনার একপ্রান্তে আগুন লাগলো । আমাদের তাবু থেকে তা অনেক দূরে হলেও বাতাসের গতি দেখে আমার আশঙ্কা হলো যে আগুন আমাদের দিকে এসে যেতে পারে । তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমার সঙ্গীদের নিয়ে যতোপারি তাবুর রশি কেটে তাবু বসিয়ে দেই মাটিতে । তাতে আল্লাহ চাহেন তো কিছু তাবু ও লোক রক্ষা পাবে । হজ্জ আমাদের এই সমস্ত পরিস্থিতিতেই ত্যাগের প্রশিক্ষণ দেয়। তাই কৌরবানীর ছুরি চাকু নিয়ে তাবু রক্ষার যুদ্ধে নামলাম । সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমার নিজেরটা সবার শেষে কাটবো। পূর্বে অন্যদেরগুলো রক্ষার প্রচেষ্টা নিবো। সে ভাবেই যুদ্ধাবস্থার মতো কাজে নেমে গেলাম। আগুনের শিখার সাথে তুফানের মতো বাতাসও বেড়ে গেলো । তাই প্রায় দেখতে দেখতেই বলা চলে আগুন আমাদের এলাকায় এসে গেলো । বহু তাবু বাঁচালাম। কিন্তু আমার নিজেরটা রক্ষা পেলোনা। তাতে আমার আব্বার চিহ্ন একটি কম্বলও পুড়ে ছাই হয়ে গেলো । এটি আমি সঙ্গে সঙ্গে রাখতাম। সে দুর্ঘটনায় আমার আশা ছিলো যে অধ্যাপক গোলাম আযম ও তার সঙ্গী নেতারা হজ্জের ময়দানে অন্যের সেবার স্বাক্ষর রাখার মতো কিছু করবে। কারণ হজ্জ এ পরীক্ষার বিশ্বসম্মেলন। কিন্তু আমার সকল ধারণা অমূলক প্রমাণ করে ইসলামী আন্দোলনের বিশ্বনেতারা সবাই নিজ নিজ বিছানাপত্র এমনকি প্লাষ্টিকের বদনাটি পর্যন্ত নিয়ে সবার আগে নিরাপদে পাহাড়ে চলে গেলো । কারো একটি সুতাও পুড়লোনা। পরে আগুন নিভানোর পর সন্ধ্যায় পুনঃ তাবু খাটানোর পর এরা সবাই পাহাড় থেকে নেমে তাবৃতে জায়গা দখল করতে কে কার আগে পারে প্রতিযোগিতায় লেগে গেলো । তাবু রক্ষার কাজেও তারা কেউ ছিলোনা । পুনঃ খাটানোর কাজেও কেউ ছিলোনা । আমি সেকেলে আল্লাহ্‌র অধমবান্দা, কল্পনায় আরো পিছনে চলে গেলাম । ভাবলাম যে এ হজ্জতো হযরত ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও আখেরী নবী সঃদের ত্যাগের শিক্ষার হত! তীদের সময় এ ঘটনা ঘটলে কি তারা নিজেদের স্বার্থ এভাবে দেখতেন? এখনকার নেতারা তো তাদেরই আদর্শ স্মরণ ও অনুসরণে এখানে আসে! এরা কারা এবং তীরাই কারা? এদের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য কতটুকু? কেনো এরা আসে? এদের আসল পরিচয় কি? এভাবে হজ্জ শেষ হলো । সৌদী সরকার ঘোষণা করলো যে ক্ষতিগ্রস্থদের আটশ'” রিয়াল করে সাহায্য দান করবে। সব ছাই হয়ে গিয়েছে। তাদের আমি বলেছিলাম যে, হজ্জ আল্লাহ্‌র পথে সর্বন্বত্যাগের পরীক্ষা । আমাদের সব কিছু

365 ///-99090০901.০011/819911799

আল্লাহর জন্য কোরবান করার প্রস্তুতির নিদর্শন এ পবিত্র হজ্জের শিক্ষা। তাই তোমরা যদি আল্লাহ্‌র জন্য হজ্জে এসে থাকো, তা হলে আল্হামদুলিল্লাহ বলে খুশী হও যে আল্লাহ্‌ তোমাদের কিছু অন্ততঃ তিনি কৃবুল করেছেন । আর যদি নফ্স্‌ ও সৌদী সরকারের জন্য হজ্জের প্রহসনে এসে থাকো, তা হলে তোমরা হজ্জ বিক্রি করে জনপ্রতি আটশ রিয়াল নিতে পারো। আমার হজ্জ সারা দুনিয়া দিলেও বিক্রির জন্য নয়। মুয়াল্লিম পান্ডা পেছনে লেগেছিলো এ“বলে যে আপনি ও আপনার সঙ্গীরা না নিলেও আপনাদের হজ্জের পরিচয়পত্র আমাকে দিন, আমি মিসকীন মানুষ, আমি উপকৃত হই । আমি তাকে স্পষ্ট বলে দিয়েছিলাম, এ হারাম কাজ আমার ও আমার সঙ্গীদের দ্বারা হবেনা । তুমি অন্য চিন্তা করো। এ মুয়াল্লিম প্রতারকরা অন্যান্য হাজীদের সাথে মিলে তাদের পক্ষ থেকে সরকার থেকে ক্ষতিপুরণের নামে পয়সা আদায় করে হাজী প্রতি দু'তিনশ রিয়াল আত্মসাৎ করেছে । আমি তা দেখেছি আর আল্লাহ্র কাছে এদের থেকে মক্কা মাদীনাকে পবিত্র করার ফরিয়াদ করেছি। শোক দুঃখের চরম আঘাত আসলো যখন জানলাম যে আন্তর্জাতিক ইসলামী আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক গোলাম আযম তার সকল সঙ্গীনেতাদের নামের তালিকা সহ ক্ষতিপূরণের পয়সা উসুল করেছে। তারপর আরো মজার কথা যে, নেতা তার সঙ্গীদের বলেছে যে যেহেতু আমাদের কারো কোনো ক্ষতি হয়নি, তাই এ অর্থটি আমাদের বাইতুল মালেই জমা হোক! ইন্নালিল্লাহ! এ হলো সূরা তওবার বর্ণিত হারামখোর, প্রতারক ও ঘৃন্যপেশাদার ইসলামী নব্য ইয়াহুদী আহ্বার ও রুহবানদের ক্রোনোলজি, বা সৃক্ষ্ম মান নিরূপক তথ্যপঞ্জি। এদের হাতে ইসলামের নামে রাষ্ট্রীয় কর্তৃতত আসলে বাইতুল মাল বা জাতীয় অর্থভান্ডার এদের হাতে পড়লে কী অবস্থা হবে, তা কি ভাবা যায়? এভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের ধারে কাছেও না পৌছে শুধু ধর্মের সাইনবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে অন্যায়ভাবে অর্থ সংগ্রহের নামে বাইতুলমাল দিয়ে সে পয়সায় সপরিবারে বিদেশে বাস করে, বাড়ি ক্রয় করে, ছেলেদের উচ্চ শিক্ষা দিয়ে বিদেশে শিল্প কারখানা করে এবং দেশে আটতলা দশতলা বাড়ি করে তাতে যদি লেখা হয় “এ বাড়িটি ব্যান্কে দায়বদ্ধ,” সে চক্রের হাতে কি ইসলামী খেলাফত ও ইমামত কল্পনা করা যায়? এগুলো প্রফেসরী ইসলামীদের ব্যাপারে আমার জানা যৎসামান্য সাক্ষ্য। এবার আসা যাক যুগশ্রেষ্ঠ কথিত বুজুর্গ, আলেমে দ্বীন, ও আল্লাহর অলী ও তাদের কিছু বর্ণনায়। আমি হাফেজ্জী হুজুরের সাথে ইরান সফরে আমন্ত্রিত হয়েছিলাম। তাতে আমি এ শর্তে যেতে রাজী হয়েছিলাম যে, আমি আমার টিকেটে যাতায়াত করবো । ইরানীদের পয়সায় যাবো না। সে ভাবে হাফেজ্জীর সফরসঙ্গী হলাম। এ সফর ছিলো ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় ইরানী নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনী ও তার উলামা পরিষদ এবং ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সাথে সাক্ষাত করা। অত্যন্ত স্পর্শকাতর গুরুত্বপূর্ণ সফর । হাফেজ্জী রক্তীয়তায় খালু হয়। তাই মূলতঃ তার ইচ্ছায় আমি সফর সঙ্গী হতে রাজী হই। আমি ইরান পর্যন্ত যাবো । ইরাক যাবো না। কারণ, আরবদের ব্যাপারে আল্লাহ আমাকে যা জানিয়েছেন, ওদের ব্যাপারে পার্থিব কিয়ামত ছাড়া অন্য কিছুতে ওদের চিকিৎসা হবে না বলে আমি নিশ্চিত। ইরানীদের জানা দরকার । তাই এ সফরে যাওয়া যেতে পারে । কিন্তু আমি সজাগ ছিলাম যে মধ্যস্থতা বা সালিসী করতে কোনো পক্ষের অর্থানুকুল্যে গেলে তা কখনো ফলপ্রদ হয়না । তাই অন্যরা যাই করুক, আমি কারো ভাড়াটে হয়ে যাবোনা । অন্যরা যারা নিরুপায়, তাদের খুব সতর্ক হতে হবে, যাতে তাদের গ্রহণযোগ্যতা খর্ব না হয়। হাফেজ্জী, মাওলানা আযীযুল হক, ফজ্লুল হক আমিনী, অধ্যাপক আখতার ফারুক ও হাফেজ্জীর ছেলে হামিদুল্লাহ এ মহা গুরুত্বপূর্ণ মিশনের সদস্য । ইরানীরা তাদের ঢাকা-তেহরান-জিদ্দা-ঢাকা টিকেট দিলো। আমরা তেহরান পৌছালাম। হাফেজ্জীকে বলাচলে রাষ্ট্রপতির ও রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মানে ইরানীরা ভূষিত করেছে। আমি দু'দেশের দু'শ্রেণীর মোল্লাদের মধ্যে পার্থক্য দেখেছি। আমাদের মোল্লারা সমাজের উচ্ছিষ্ট ভোগী মিসকীন। আর ইরানী শিয়া মোল্লারা মালের উৎকৃষ্ট অংশ খুমস্ভোগী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন । আমি পদে পদে উভয়কে মাপছি। প্রথম দিন সন্ধ্যায় আমাদের খানা দিলো ফরাস বিছানো মেঝের উপর । আমাদের উঠানো হয়েছে শাহের যমজবোন বিতাড়িত আশরাফ পাহলভীর প্রাসাদে। আমাদের এ্যাটেনডেন্ট আয়াতুল্লাহ আহমদ জান্নাতি। প্রাসাদের পাশেই একটি দোতলা বাড়িতে তার বাস। আমাদের শোয়ার ব্যবস্থাও ফ্লোরে ফোমের বিছানার উপর । সন্ধায় আমাদের খাবারের পর ফল স্বরূপ পিয়ারস দিয়েছিলো । ফলগুলো একটু বেশী পাকা ছিলো বলে আমাদের হুজুররা অর্ধেক অর্ধেক খেয়ে দস্তরখানে রেখে দিলো । আমাদের খাওয়া শেষ না হতেই ইরানের সর্বোচ্চ পরিষদের আলিমরা আমাদের সাথে সাক্ষাতের জন্য আসলো এবং আমাদের পাশেই বসে পড়লো । আমাদের পরিত্যক্ত ফলগুলো পকেট থেকে চাকু বের করে কেটে খেয়ে ফেললো । আমি তা“খুব গুরুতর

366 ///-99090০901.০011/819911799

পরে বেচারা অনন্যোপায় হয়ে তাদের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মকর্তাদের ঘুম থেকে উঠিয়ে এতোরাত্রে ভল্ট খুলে বিদেশী মুদ্রা বের করে এনে হাফেজ্জীকে দু'হাজার এবং অন্যান্যদের একহাজার ডলার করে দিয়ে আপদ পার করলো । বলে দিলো যে, মক্কায় তাদের “সাজেমানে আওকাফে ইরানকে” ইনফর্ম করে দিবে মন্কা, আরাফাহ, মিনা ও মাদীনায় এদের দেখাশুনা করতে। কিন্তু এরাতো গিয়েছে এদের সংকীর্ন মতলবে! তাই তারা মক্কা পৌছে ইরানীদের সাথে যোগাযোগ না করে তাদের বংশালের এক গরীব শাগরেদ কারী মিযানুর রহমানের উপর সওয়ার হয়েছে। এ বেচারা হজ্জ মৌসুমে হাজীদের কাছে বাড়ী ভাড়া দিয়ে কোনো প্রকার চলে । হাফেজ্জী ও আযীযুল হক তার ওন্তাদ বলে তাদের কারী মিযান জায়গা দিয়েছে তার ওখানে উঠতে । যখন হজ্জের দিন ঘনিয়ে আসছে, তখনো তার ওস্তাদরা ভাড়ার কথা কিছুই বলছেনা। পরে বাধ্য হয়ে বেচারা তাদের বলার পর হজ্জের একদিন কি দু'দিন পূর্বে তারা তাকে ভাড়া না দিয়ে পোলা পুটলি নিয়ে হারাম শরীফ গিয়ে উঠে। কারী মিযান দেশে এসে আমার সাথে সাক্ষাত করে তার ওস্তাদদের কান্ড শোনায়। হাফেজ্জীরা মক্কায় লাইন করে ইরাকীদের সাথে যোগাযোগ করে ইরাকীদের কাছে থেকে পুনঃ জিদ্দা, বাগদাদ, ঢাকার টিকেট সংগ্রহ করে । বাগদাদ পৌছে সাদ্দাম হোসেনের সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশে তার দু'পালতু আব্দুল মান্নান ও মহিউদ্দিন খার সাথে তাদের বচ্সা হলেও তারা ইরাকীদের আতিথেয়তায় “বাগদাদ মিশন” শেষ করে ঢাকা ফেরত আসে । ফেরত এসে তাদের কোনো নৈতিকতা থাকলে তাদের কর্তব্য ছিলো ইরানীদের জিদ্দা-ঢাকার প্যাসেজ টিকেটটুকু ইরানীদের ফেরত দেয়া । ইরানী রাষ্ট্রদূত সন্ত্রীক আমার বাসায় এসে জানালো যে, সে টিকেট তাদের ফেরত দেয়া দূরে থাক, তাদের কোনো অনুমতি না নিয়েই এ বুজূর্ণরা ট্রাভেল এজেন্টের কাছ থেকে টিকেটের পয়সা তুলে নিয়ে হালাল করে ফেলেছে। এরা ইরানীদের সাথে জুমায় সালাত পড়ে ঘরে এসে সালাত দোহরায়ে নিয়েছে। অর্থাৎ ইরানীরা মুসলিম নয়। ঠিক আছে। তাই যদি হয়, তা হলে এদের পয়সা গিলা এদের জন্য কী রূপে হালাল হয়? তারপরও হজ্জ কনফারেন্স, আমীরে শরীয়ত সম্মেলন ও প্রেস প্রকাশনীর নামে বহু কোটি টাকা এনে এরা হজম করেছে। এ জঘণ্য কাজ এরা কিভাবে করে? উত্তর, এরা সূরা তওবায় আল্লাহ্‌ কর্তৃক বর্ণিত ৩৪ ও ৩৫ নং আয়াতে হারামভোগী ইয়াহুদী-খৃষ্টান আহবার ও রুহবানদের মুসলিম সংস্করণ । কেয়ামতের দিন এ অর্থ দিয়ে এদের স্টাকানো হবে । এরা যদি ইসলামের নামে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের অর্থের ভান্ডারের নিয়ন্ত্রণ হাতে পায়, তার তলী থাকবে? এরপর থেকে ঘৃণায় আমি এদের বাদ দেই এ মনে করে যে এরা সংশোধনের অযোগ্য ৷ এদের আল্লাহ্‌ তার বিশেষ বিধানে ধরবেন । আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, সে সময় কাছে এসেছে । আমার দেখা এদের সর্বশেষ একটি ঘটনা না বললে মনে হয় আল্লাহ্‌র কাছে অপরাধী হবো, তাই ঘটনাটি অত্যন্ত ঘৃণার হওয়া সন্টেও তা উল্লেখ না করে পারছিনা। পূর্বে এক প্রসঙ্গে মরহুম হাফেজ আব্দুর রউফ সম্পর্কে উল্লেখ করেছি। বাইতুল মুকাররাম মসজিদের উত্তর গেইটের পূর্ব পার্থের নূরানী আতরের দোকানের মালিক ছিলো আব্দুর রউফ । লালবাগ মাদ্রাসার ছাত্র । সে সূত্রে মাওলানা আযীযুল হক তার ওন্তাদসম। লোকটি অনেক দিন ক্যানসারে ভুগে মারা গিয়েছে । আমার সাথে তার অন্তরের সম্পর্ক ছিলো বলে আমৃত্যু তাকে আমি দেখতে যেতাম। একবার কথায় কথায় বলছিলো যে তার মৃত্যু হলে আমি যেনো তার জানাযা পড়ি। আমি বলছিলাম যে তার বড়ো ছেলে যেহেতু যোগ্য এবং নেক, তাই তার দ্বারাই তার জানাযা হওয়া শ্রেয়। হাফেজ আব্দুর রউফের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আমার ছেলে মুহাম্মাদকে নিয়ে তার জানাযায় শরিক হতে গিয়েছিলাম । মুহাম্মাদকে সে এতোই ভালোবাসতো যে আমি তার জানাযা ও দাফনে পর্যন্ত মুহাম্মাদকে সঙ্গে নেয়া কর্তব্য মনে করেছি। জানাযার পূর্বক্ষণে মাওলানা শেখুল হাদীস আযীযুল হক এসে উপস্থিত। আব্দুর রউফের ছেলেরা তাদের বাবার উত্তাদ এসেছে দেখে স্বাভাবিক ভাবেই তাকে দিয়ে জানাযা পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পূর্বে কথা হয়েছে যে ছেলেই জানাযা পড়াবে। আযীযুল হক আসবে জানলে আমি শুধু আব্দুর রউফের লাশ দেখেই চলে আসতাম, জানাযার জন্য অপেক্ষা করতাম না। মাওলানা এলে তাকে দিয়েই জানাযা হলো । জানাযার পর পাঁচশটি টাকা দেয়া হলে আযীযুল হক সে টাকা নিয়ে চলে এলো । এ ঘটনাটি আমি নিজে না দেখলে কেউ বললে আমার পক্ষে তা বিশ্বাস করা কঠিন হতো । এতো মুর্দার জানাযা, তারপর ছাত্রের জানাযা! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন! এরা মানুষ? এরা আলেম! এরা শেখুল হাদীস?! ধিক এদের পিতা মাতার, যারা এদের ধরার পৃষ্ঠে এনেছে! ধিক এদের ধর্মের উপর! শত ধিক এদের ধর্মবেচার পেশার উপর ৷ ঘটনাটি স্মরণ হতেই আমি চোখ বন্ধ করলে দেখি যে আযীযুল হক

368 ///-99090০901.০011/819911799

একটি মূর্দাখোর শকুন অথবা কুকুর হিসাবে যেনো আব্দুর রউফের মৃত দেহের এক খাব্লা পচা মাংস মুখে করে নিয়ে যাচ্ছে! এরা মানুষ হলে ধরায় পশু কারা! ইসলামে শিক্ষা হলো, কেউ মারা গেলো জানাযা পড়ে তাকে দাফন করো । তিন দিন পর্যন্ত খানা পাকিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য পাঠাও । তা পালনে আমি এক দিন খানা পাকিয়ে পৌছিয়ে দিয়েছি। আর এ উত্তাদজী! মুর্দার গোস্ত খেলো?! হাফেজ্জীর ছেলে জামাইরা ইরানীদের পয়সা মাতৃস্তনের মতো নিঃসংকোচে খেয়েছে। তার ছোটো ছেলে আতাউল্লাহ তার বাপের নামে মাদ্রাসাকে দেয়া নবাবপুরের একটি বাড়ি বাপের সই জাল করে তা এক কোটি টাকার উর্ধ্বে বিক্রি করে সবটাকা আত্মসাত করে কামরাঙ্গীর চরে ফ্রাড লেভেলের উর্ধে আট-দশ ফিট উচু পিরামিড তৈরী করে বাড়ি করেছে। পরে মাদ্রাসার বাড়ি বিক্রির জন্য ধরা হলে সে কামরাঙ্গীর চর ছেড়ে বারিধারা না গুলশানে পালিয়েছে। আরেক বুজুর্গ পীরভ্ী হুজুর ৷ সব জী আর হুজুর। তার স্ত্রীও আমার মায়ের চাচাতো বোন, যেমন হাফেজ্জীর স্ত্রী আমার মায়ের ফুফাতো বোন । পীরজ্রীর মুখে ইনস্যুরেন্সের চাকুরী শুয়োরের মতো হারাম শুনে আমার এক বন্ধু জেনারেল মুযাম্মিল ও ব্রিগেডিয়ার ইউনুস দেওয়ানের সম্বন্ধি সালাহুদ্দিন বিরাট বীমা কোম্পানীর চাকুরী ছেড়ে ঘরে বসে গিয়েছিলো । কিন্তু সালাহুদ্দীন সাহেবের বীমা কোম্পানীর লোকেরা মিষ্টি নিয়ে পীরজ্ীর কাছে উপস্থিত হয়ে মুসাফাহা করে টাকা দিলে তা সে গ্রহণ করে। তাদের বিগ্‌ বস পীরজ্ীর কথায় শুয়রসম বীমার চাকুরী ছাড়লেও হুজুর বীমা কোম্পানীর লোকদের মিষ্টি ও টাকা কিরূপে গ্রহণ করে জিজ্ঞাসা করলে পীরভ্বী নাকি বলেছে যে, যাদের নসীব ভালো তারা তাদের কথা শুনে শুয়র খাওয়া থেকে যুক্ত হয়ে যাবে, এবং পীরক্জীরা শূয়র খেয়ে বাঁচবে । শুয়রভূকরা মরলে কোথা যাবে, এ কথাটি তাকে কেউ জিজ্ঞাসা করেছে কিনা, করলে কি উত্তর হতো তা জানা যায়নি। পীরজ্ীর মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার বরকতের নিয়াতে হুজুরের নামে হাউজিং এর একটি প্লটের দরখাস্ত করলে লটারীতে বেচারার ভাগ্যে প্লট উঠলে হুজুরের লোভ লেগে যায় প্লটের উপর । আর যায় কোথায়! হুজুর তা নিয়ে বিবির নামে হস্তান্তর করে দেয়। বিবি বড়োছেলেকে সে প্লটটি দান করলে তিন ছেলের মধ্যে ভাই-ভাই মামলা মুকাদ্দিমা ও কোর্ট কাচারী আরম্ভ করে দেয়। এক পর্যায়ে আমার কাছে এসে তারা সালিসী করে মিটমাটের কথা বলে । আমি সব শুনে বললাম যে তোমাদের সালিসী আমি করতে পারবোনা । কারণ, যাদের অবৈধ পয়সা খেয়ে তোমাদের জন্ম, তোমরা তাদের সন্তান। তারাই তোমাদের মিটমাট করতে পারবে । ইসলামে উপরে তাওহীদ এবং নীচে হালাল দিয়ে মু'মিনের অবস্থান তৈরি হয়। নবী রাসূলদের ব্যাপারেও সে এক কথা । তা না হলে, নামের সাথে যতো হুজুর, পীর, শেখ ও হযরতভ্রী লাগানো হোক, সব জাহান্নামের চর্বিদার মোটাশুকর । মুয়াবিয়া, ইয়াধীদদের দামেশক ও স্পেনে রাজপ্রাসাদ ও দুর্গ, আব্বাস ও ইব্‌ন আব্বাসদের বাগদাদের দজলা, ফোরাত পাড়ের প্রমোদ বিহার ও মুঘল পাঠানদের দিল্লী আগ্রার সিংহাসন ও লাল কিল্লার মহাপাপের ধ্বংসস্তবপ আমাদের কোনো শিক্ষা দেয়নি বলে জন্ম নিয়েছে লালবাগ ও কাটরার কিল্লার ধ্বংসস্তূপের হুতুম পেঁচা, হুজুর ও হযরতত্ত্রীদের ছেলে-মেয়ে ও নাতি-পোতারা। এ পেঁচাদের তাড়িয়ে তাওহীদ ও কালেমায়ে তাইয়্েবার আযান না দিলে পুরাদেশ হুতুম পেচায় ডাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে । হালালভোগী পিতা যেমন হালালজাদা জন্ম দেয়, তেমনি হারামভোগী হারামদাজা জন্ম দেয়। ঠিক তদ্রুপ হালালভোগী শাসক, হালালভোগী সরকার জন্ম দেয়। মিথ্যা ও হারামখোর ধার্মিকরা সমাজে হারামখোর লুটেরা শাসকের লুটপাটের পক্ষে ফতোয়া প্রদানকারী মানুষরূপী শয়তান । হারামভোগী ধর্মবেসাতীদের উৎখাত করতেই ইবাহীম খলীলুল্লাহ, মুসা কালিমুল্লাহ, ঈসা রূহুল্লাহ ও শেষ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ এসেছেন । তাদের দ্বারা সে যুগে নমরুদ ফিরআউনদের যে ভাবে উৎখাত করেছেন আল্লাহ্‌, এ যুগের নব্য ফিরআউনদের নবীদের সে আদর্শেই উৎখাত করে মানবজাতির মুক্তি আনতে হবে । সে যুগের নমরুদ ফিরআউনদের হারামখোর দরবারী আলেম ও খতীবরা যে স্বার্থে সত্যের সৈনিকদের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়েছে, এখনকার খতীব ও মোল্লারা ঠিক একই স্বার্থে ফতোয়া বেচাকিনি করবে। তাই বিশ্বের নব্বইভাগ জনসংখ্যা মুস্তাদআফদের মুক্ত করার জন্য মুস্তাকবিরদের দান ও ভিক্ষাখোর ও মোট জনসংখ্যার শতকরা এক দেড়ভাগ আহ্বার ও রোহবানদের চিহ্চিত করে নির্মল করে নবী রাসূলদের সাচ্চা অনুসারী আলেমদের ময়দানে নামতে হবে। তাই মুর্দাখোর ও আল্লাহ্‌র ভাষার হারামখোরদের চিহ্নিত করতেই হবে। এ চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ায় বর্তমানে না বুঝে অসতর্কতায় হারামখোরীতে লিপ্ত বহু সংখ্যক আলেম তওবা করে নায়েবে রাসূল ও নবীদের ওয়ারিশ বেরিয়ে পড়ার

369 ///-99090০901.০011/819911799

সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ঝাড়ুটা খুব শক্তভাবে দিতে হচ্ছে। যাতে ধুলাবালি, আবর্জনা ও মরা পাতা দূর হয়ে খাঁটি মাটি বের হয়ে আসে । এখন ১৪০০ বছর ধরে জড়ো হওয়া আবর্জনার জন্য খাটি মাটি দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য হয়ে পড়েছে। ট্রাকটর, বুলডোজার, কম্বার ও টিলার দিয়ে বিশ্বের আবর্জনায় ঢাকা সারফেসকে ক্লিন করে তার পর রাহমাতুল্লিল আলামীনের চাষাবাদ শুরু করতে হবে । তাকে রেখে নয়। ইনশা আল্লাহ্‌। আমার দীর্ঘ দিনের সুইপিং বা মহাঝাডু বক্তব্যে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, এক শ্রেণীর আলেম, যাদের মধ্যে যুবক ও মধ্য বয়সীর সংখ্যা বেশী, তারা মহাখুশী। তারাও পারিপার্থিকতায় পড়ে বেশীখেয়ে ভুড়ি মোটা করে ফেলেছে । এখন সে ভুড়ির যোগান দিতে তারা বুঝা স্তেও মূর্দাখোরী ছেড়ে আসতে পারছেনা । কোরআন ও নবীদের শিক্ষানুযায়ী তাদের কায়িক পরিশ্রম ও বেশী বেশী রোজা থাকতে হবে । তা না হলে তাদের পেটের টান ও লিঙ্গের উপদ্রব কমে আত্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অর্জিত হবে না। আমার ঠিকানায় আসা যাওয়ার পথে ফুরফুরাওয়ালাদের “দারুস্সালাম” নামের ভোগবাদী ফাদের তাজমহলী “মসজিদে দেরার” দেখা যেতো । ইদানিং আশে পাশে দালান কোঠা নির্মানের ফলে তা আর দেখা যায় না। পূর্বে দেখা যেতো । পূর্বে যখন দেখা যাচ্ছিলো, তখন আমি একাধিকবার তা দেখতে ও পরিবেশ সার্ভে করার জন্য গিয়েছি। কখনো ফীকা সময়ে, কখনো মেলা চলাকালীন । একবার গিয়ে দেখি রাতভর চাঁদা তোলার পালা চলছে। মঞ্চের পারে অদূরে আব্দুল কাহ্হার সিদ্দিকী (?) আল-কৌরেশী (£) এক চৌকিতে শুয়ে আছে, আর জন কয়েক ভক্ত জনসমক্ষে লেপের নিচে হাত দিয়ে তার হাত-পা টিপছে। ঠিক এরপ দৃশ্য দেখেছিলাম ভারত থেকে আসা আবরার আহমদ নামের এক মৌলবী সাহেবের দেহ নিয়ে । মৌলবী সাহেব নাকি মৌলবী আশ্রাফ আলী থানবীর দর্জি না খলিফা । মৌলবী হেদায়েতুল্লাহ ও মৌলবী উবায়দুল হকরা তাকে ঘিরে এ কান্ড করেছিলো । তা দেখে আমার এতো রাগ করেছিলো যে কিছু লোক নিয়ে গিয়ে বেতিয়ে ওদের ওখান থেকে তাড়াই। আমার দাদা মৌলবী রশীদ আহমদ গাংগুহীর সে শাগৃরেদ, যার কাছ থেকে হালাল রিযিক চেয়ে গাংগ্ুহী খেতো। আর বলতো, ভাই আব্দুল হামীদ, তোমার বাড়ী থেকে আসা খাদ্যের হিস্যা খেলে রাতে তাহাজ্জুদে আসমান-জমীন এক হয়ে যায়। মৃত্যুর পূর্বে গাংগুহী সাহেব তার এ শাগরেদের সাথে শেষকথা বলে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। আমার দাদার কাছে আশরাফ আলী থানবীর বহুপত্র দেখেছি । আমার দাদা-বাবাকে কখনো দেখিনি ভীনলোক দিয়ে বদন দাবাতে। বরং এ বদ অভ্যাসওয়ালা কোনো মৌলবী মোল্লারা হলে তাদের সংস্পর্শেও যেতে আমার বাপদাদা নিষেধ করতো । এরা কোথা থেকে এতো বেহায়া হলো যে জনসমক্ষে দেহমর্দন করায়? এ থেকে সমকামিতা ও যৌন বিকৃতি ছড়ায়। এক গীর এ বদ অভ্যাসের শিকার হয়ে শালা বা শালী সকলের সাথে এ কাজ করে এমন পর্যায়ে পৌছে যায় যে, তার দশ এগারো বছরের ছেলে তার খালার সাথে অশোভন অবস্থায় পিতাকে দেখে ফেলে । ফলে পিতার প্রতি তার মাসুম ছেলে এমন বিগড়ায় যে সে পাগল উপাধি পায় এবং পিতার গদি থেকে বঞ্চিত হয়। ছেলেটি আমাকে ঘটনাটি বললে আমি তার এক মামুকে জানালে সে অকপটে স্বীকার করে বলে যে আমরা ভাইবোন সবাই মিলে দুলাভাইর সাথে বিয়ে বসেছি। তাই এগুলোই স্বাভাবিক। তার কথা শুনে আমি তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। এজন্য নারী পুরুষ সবাইকে পরিশ্রম করতে হবে দেহকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে । বেশী করে রোজা থাকতে হবে রূহকে সতেজ করে নফস্কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে । এ কাজ দ্বীনী নেতৃত্বের জন্য ফরজের পর্যায়ে এবং সাধারণ মু'মিন মু'মিনাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নাফ্ল। এটাকেই আল্লাহ্‌র রাসূল (৮১ )“বিজা” বা সাময়িক বন্ধ্যাকরণ বলেছেন। শ্রমবিমুখ পরজীবী লোকেরা সর্বদা নতুন নতুন চারণক্ষেত্র খুঁজে বেড়ায় বা তৈরী করার ধান্দায় থাকে । বর্তমানে বাণিজ্য ক্ষেত্র ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী বীমাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী লগ্নিতে ধর্মের চাতুর্ষপূর্ণ ব্যবহারের প্রবণতা শুরু হয়েছে। এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানে “শরীয়াবোর্ড” নামে কিছু ভুড়িমোটা মোল্লাদের ভুড়ি আরো মোটা করার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে আমি জানতে পারলাম যে এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানে “বুজর্গহত্তী” গুলোকে প্রতি বৈঠকে দামানুপাতে এক থেকে দু'হাজার টাকা করে সম্মানী দেয়া হয়। তারা এ রোজগারকে আরো লাভজনক করার জন্য মাসে অন্ততঃ পাচটি করে বৈঠকের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে যাচ্ছে। এ প্রথা চলতে থাকলে অসম্ভব নয় যে শরীয়া বোর্ডের সদস্যরা তাদের দাবি মানার জন্য রাস্তায় নেমে শ্লোগান দিয়ে প্রেস কন্ফারেন্স পর্যন্ত করবে । ঈমান চলে গেলে যখন একটি সাতপর্দার কুলবধুও নারীবাদী হয়ে বেশ্যাহয়ে রাস্তায় পয়সার জন্য সব কিছু করে, সেখানে অসম্ভব নয় যে ধনলিন্সার

370 ///-99090০901.০011/819911799

রাজনীতিকদের ন্যায় ওদের জানাযা পড়ার মোল্লা শরীয়াবোর্ডের এরা সুদভিত্তিক ব্যাংক বীমার পয়সা হালাল করবে তার উপর “ইসলামী” সাইন বোর্ড লাগিয়ে! যেখানে রাষ্ট্রই কুফুর ও শির্কের, সেখানে ইসলামী ব্যাঙ্ক ও বীমা সে সরকারের অধীনে কী করে হয়? শুকরের পেটে কি কখনো খাসির খলিজা হয়?! তা যদি সম্ভব হয়, তবেই অনৈসলামী রাষ্ট্রের অধীনে ইসলামী ব্যাঙ্ক ও বীমা কোম্পানী হতে পারে। হারামখোর আলেম ও পীরেরা একটি মাদ্রাসা, মসজিদ বা খানকার ভিত দিয়ে তা অসম্পূর্ণ রেখে তা দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে শুধু চাদা তুলে খায়, যেমন কিছু ভিক্ষুক দেহের কোথাও ঘা ও ক্ষত সৃষ্টি করে তা দেখিয়ে ভিক্ষা করে ব্যবসা করে । কখনো ক্ষত শুকাতে দেয় না। শুকাতে গেলেই পুনঃ খুটে ক্ষত তাজা করে ভিক্ষা চালিয়ে যায়। আমি একবার কোনো উপলক্ষ্যে ইসলামী ফাউন্ডেশনে যাই । সেখানে তাদের অনুবাদের শাখায় গিয়ে দেখি মাওলানা ওবাইদুল হক, কাজী দীন মুহাম্মাদ ও আরো কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলবী মোল্লারা একত্র হয়েছে। তারা কোনো একটি কিতাব বা কথিত হাদীসের অনুবাদ করবে। দৃশ্যটি দেখা ও বুঝার জন্য আমি কৌতুহলী হয়ে বসলাম। দেখলাম যে তারা ঘড়ি দেখে বসে কোনো প্রকার ঘন্টাখানেক বসে অস্থিরতার সাথে পুনঃ ঘড়ি দেখে হাজিরা খাতায় দত্তখত করে দু'তিনশ টাকা করে পকেটস্থ করে যেতে তাড়াহুড়া করছে। এর মধ্যে তাদের জন্য কেক, কলা ও নাস্তা আনলে প্রায় সবাই-ই তা পলিখিনে পুরে চম্পট দিলো । কারণ, তাদের অধিকাংশই বনুমুত্র, উ্ধ্ব রত্তচাপ বা অতি ভোজে ভুড়ি মোটা । তাই নাস্তা গুলো না খেয়ে বাড়ী নিয়ে যাচ্ছে ছেলে-মেয়ে বা নাতি-পোতাদের আপ্যায়িত করতে । এহলো এদের ইসলামী খেদমতের সূরত্‌ হাল! সূরা তওবায় আল্লাহ্‌র বর্ণিত হারামখোর পীর দরবেশ ও মোল্লা অধ্যাপকদের বাদদিয়ে যে সত্যাশ্রয়ী খটি ঈমানদার হালালজীবী আলেম ওলামা রয়েছে, তাদের আর একদিনও কালক্ষেপ না করে এ লুটেরাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুস্তাদআফ্‌ জনগোষ্ঠির পক্ষে ময়দানে নামার সময় উপস্থিত। এক্ষুনি না নামলে ওদের পাপের শাস্তির মহামারীতে এরাও নিঃশেষ হয়ে বাবে । ৮০] 425 এ 6929 8০৩ ৫৫০ 9 ও ৮০৮ 3 2 ১5 তোমরা সে বিপর্যয় থেকে আত্মরক্ষার ব্যবস্থা নাও, যা তোমাদের মধ্যস্থ অত্যাচারীদের উপরেই আসবে না। তোমরা তাদের সাথে সহ-অবস্থান করছো বলে সে বিপর্যয় তোমাদেরও ধরবে এবং ভালো করে জেনে রাখো, আল্লাহ্‌ অতীব

কঠোর শান্তি দাতা। (সুরা আনফাল-২৫)

এখানে একটি বিশেষ বিষয়ের উপর আমি কি আলোকপাত করবো । তা হলো যে, তেলের পয়সায় হঠাৎ ধনী আরবরা এক চরম যৌন উশৃঙ্খল জাত। পয়সার জোরে তারা দরিদ্র দেশের মেয়েদের গৃহপরিচরিকা রূপে নিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিতা-পুত্র পালাক্রমে তাদের ধর্ষণ করে। এতে তারা পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করে । আমাদের দেশের হাসিনা খালেদারাও তাদের কস্মেটিক রাজনৈতিক বিলাসিতার বৈদেশিক মুদ্রার যোগানের জন্য এদের রপ্তানীপন্য রূপে লুচ্চা লম্পটদের হিংস্র থাবায় দিতে বাধেনা। কারণ, তাদের জীবনেও আল্লাহর দেয়া নারী সতীতৃ রক্ষার ঈমান ও দীক্ষা নেই। তা না হলে কি এহেন কাজ তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসে হতে দিতে পারে? তা হলে এদের আর বেশ্যার সরদারনীদের সাথে পার্থক্য কি রইলো?! বরং নিঃসক্কোচে বলা যায় যে এরা সরদারনীদের সরদারনী । এ দেশে নারী নির্যাতনের আইন কেনো? না দেশের লোকদের পয়সা কম বলে তাদের ধর্ষণ অপরাধ, আর বিদেশীরা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে করে বলে তা"সেক্স শিল্প! বেশি ধনী ধর্মীয় লেবাসহীন আরব লম্পটরা তাদের পাশবতা চরিতার্থ করতে ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা ও অন্যান্য অমুসলিম দেশে যায়। সেখানে ওরা এ সমস্ত কাজে হোটেল ও পানশালাও চালায়। ধর্মীয় লেবাসধারী মধ্য ও নিম্ন শ্রেণীর আরবরা নামের সাথে “শেখ” লাগিয়ে আমাদের মতো অভাব ও স্বভাবের দরিদ্র তথাকথিত মুসলিম দেশগুলোতে পাড়ি জমায় । মাদ্রাসা, মসজিদ ও অনাথআশ্রমে সাহায্যের হাতবাড়িয়ে এরা এদেশের যুবতী মেয়েদের সর্বনাশ করে। পয়সার লোভে যেমন হাসিনা, খালেদারা এদের বিদেশে পাচার করে, এ সমস্ত মসজিদ মাদ্রাসার হুজুররা তেমনি তাদের প্রতিষ্ঠানের আনুকুল্যে ভিক্ষার স্বার্থের বিনিময়ে বিয়ের নামে ওদের মেয়ে সরবরাহ করে। এ কুকুরগুলো কিছু দিন পর পর নিত্য নতুন স্বাদের লিপৃসায় একের পর এক বিয়ে করে ও তালাক দেয়। ইসলামে এক জাতি অপর জাতির নারীদের এভাবে হেয় করা নিষেধ । উভয় জাতির মধ্যে মানবসাম্যতার ভিত্তিতে বিবাহ দেয়ানেয়ার মাধ্যমে হলেই তা অনুমোদনীয় । অন্যথায় তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। (সুরা হুজুরাত-১১) আবু বকরের “আল আইম্মাতু মিন কৌরেশ” দিয়ে পুনঃ জাতিভেদ সৃষ্টি করে আবু সুফইয়ান ও আব্বাসের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হলে আরব খবীসরা বিজিত

371 ///-99090০901.০011/819911799

দেশ সমূহে তরবারীর বলে এ কাজটি করেছিলো । যা এখনকার আরবরা পয়সার জোরে করছে। তার ফলে এ সময়ে বাগদাদ ও স্পেনে ওদের পুরুষদের হত্যা করে ওদের মা-বোনদের যে ভাবে লাখে লাখে তাতার ও ইউরোপিয়ানরা নিয়ে ধর্ষণ করে ওদের প্রজন্ম উৎপাদন করেছে, এখনো আমি দিব্যদৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছি যে ওদের উপর পুনঃ সে শাস্তি অত্যাসন্ন, 0৩ 194০. ইয়াহুদীরা যে ভাবে আল্লাহ্‌র দ্বীনকে বিকৃত করে সংস্কারের পর ফাসাদ সৃষ্টি করেছে, বিশ্ব নবী রাসূল সঃ এর পর আরবরা তার লাশ দাফনকাফন বাদ দিয়ে যা শুরু করেছে, আজো তাই করছে। তাই আল্লাহ আজ তাদের ইয়াহুদীদের সাথে বিচারের এক কাঠগড়ায় দীড় করিয়েছেন। আমরা রিসালাতের কৌরআনী ইসলাম ত্যাগ করে ১৪১২ বছর ধরে আল্লাহ্‌র মারা আরবী দ্বীনকে পুর্নজীবিত করার জেহাদে লিপ্ত ছিলাম । তাই যতো চেষ্টা করেছি, ততোই ডুবেছি। হাসানুল বান্না, শেখুল হিন্দ মাহ্মুদুল হাসান, আবুল কালাম আযাদ ও মওদৃদীরা মূলতঃ আল্লাহ্‌র দাফন করা কৌরেশী সাত্রাজ্যবাদকেই পুনজীবিত করার আল্লাহ্‌ বিরোধী তৎপরতা চালিয়ে নিরাশ ও নিস্ফল হয়ে বিদায় নিয়েছে। তাই আর আরবী ইসলাম নয় । রাব্বুল আলামীন ও রাহ্মাতুল্লিল আলামীনের ইসলাম চাই। বর্তমানে আমাদের দেশে যে কিছু সংখ্যক আরবদের এনজিও রয়েছে, এখন এদের ধরা অবশ্য কর্তব্য হয়ে পড়েছে। রা ইলা াসারো” হসসারেরাারাপরাযারারারদ়দ মার ভার রিপার জারা পর করে বিপথগামী ও বিভ্রান্ত করছে। হাই-আতুল্‌ ইগাসাহ্‌ বা আন্তর্জাতিক ইসলামী ত্রাণ সংস্থা, আল হারামাইন সংস্থা রানা লট মালার দিরেলে এয থরে লারা হরে ৭ তালের জার মাদাযা শিদিলদের বিপথগামী করছে। এদের সামান্য বেতন ও ভাতা দিয়ে ওরা নিজেরা মুয়াবিয়া ইয়াধীদের মতো রাজকীয় জীবন যাপন করছে। যারা যতো ইচ্ছে বিয়ে ও তালাক দিয়ে ওদের ইবলিসী খায়েশ মিটাচ্ছে। এ দেশের কর্মচারীদের সর্বোচ্চ দু'চার হাজার টাকা বেতন দিয়ে নিজেরা দেড় দু'লাখ টাকা করে বেতন নিচ্ছে। ওরা এদেশের শিক্ষার্থীদের পেটে- ভাতে খাটিয়ে মাসে চার পাঁচশ টাকা পকেটে খরচ দিয়ে এদের স্বভাব নষ্ট করে। এদের ওদের মতো লোভী এক শ্রেণীর নব্যমোল্লাতে রূপান্তরিত করছে। এদেরই পয়সার লোভ দেখিয়ে ওরা ওদেরই বোন, ভাতিজী, ভাগ্মী ও চাচাতো মামাতো বোনদের বিয়ে করে সমাজে আরেক শ্রেণীর ব্যাধি ছড়াচ্ছে। সৌদী আরবের দারুল ইফতার মুবাল্লেগ বা প্রচারকসহ এদেশে যতো আরব এনজিও রয়েছে, এদের কথা হলো যে তারা ছাড়া অন্যরা সবাই শির্ক করছে। বিশেষ করে উপমহাদেশের লোকদের এরা শির্কে ডোবা আধা মুসলিম ও আধা কাফের বা মুশরিক মনে করে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের সমাজ শির্কসহ অসংখ্য বিদআতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত। এদের কৌরআন ও রাসূল সঃ এর খাটি তাওহীদে উন্নীত না করলে কস্মিনকালেও এদেশে ইসলামের পুনর্জাগরণ আসবে না। তাই খাঁটি তাওহীদী দ্বীনপ্রচার মৃতপ্রায় রোগীকে স্যালাইন ও রক্ত দেয়ার মতো অবশ্য কর্তব্য । কিন্তু এ অবস্থায় রোগীকে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ পঁচা স্যালাইন এবং এইচ আই ভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্ত দেয়া হয়, তা হলে কেমন হয়!? অবস্থাটি সম্পূর্ণ তাই। আরবরা ইয়ামেন থেকে সিরিয়া, এবং ইরাক থেকে মিশর পর্যন্ত সবাই ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের তাদের মিত্র, বন্ধু, অভিভাবক রূপে তাদের তৈল সমৃদ্ধ সকল অর্থনৈতিক কাঠামো হস্তান্তর করে কাফের, মুশরিক ও মুর্তাদ হয়ে আছে। কোরআনে দ্যর্থহীন ভাষায় আল্লাহ ঈমানদারদের ইয়াহুদী, খৃষ্টানদের বন্ধু, মিত্র ও অভিভাবক রূপে গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন। তারপরও যখন আরব বিশ্বের সকল সরকারগুলো মককা, মদীনা ও বায়তুল মাকৃদিস সহ সব কিছু ওদের হাতে সমর্পণ করেছে, ফলে তারা নিঃসন্দেহে নব্য ইয়াহুদী ও খুষ্টান। এদের কাছে আমাদের ইসলাম শিক্ষার কী আছে?! সূরা মাঈদার ৫১ নং আয়াতে সুস্পষ্ট করে আল্লাহ বলে দিয়েছেন যে, যারাই, বু এবং বলাই ইয়ান রর সি ও যো লা তখনই তারাও ইয়াহুদী ও খৃষ্টান হয়ে যাবে। £ ১ 2 2 2৩ ৩ 0 ০০৪ এ (০2 2 9৫7 150506 55৫3 54৫ 3197 ও রী ও

3506 05 এ সু ৫

“হে ঈমানদাররা, তোমরা ইয়াহুদী ও খৃষ্টানদের তোমাদের বন্ধু ও মিত্র রূপে গ্রহণ করবেনা । কারণ ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা পরস্পরের মিত্র। তোমাদের যেই তাদের মিত্র রূপে গ্রহন করবে, অবশ্যই সে তাদের একজন । আল্লাহ্‌ এ ধরনের যালেম জাতিকে কখনো পথ দেখান না।” (সূরা মাঈদা-৫১) এরপরও যদি কেউ বলতে চায় যে, আরব রাষ্ট্রগুলো তা করে ইয়াহুদী ও খৃষ্টান হয়েছে, কিন্তু এখানে যারা এনজিওর

372 ///-99090০901.০011/819911799

কাজ করছে, তারা বেসরকারী জনগণ! উত্তর মিথ্যা, কারণ এরা সবাই সে সরকার সমূহের প্রজা রূপে তাদের অনুমতি নিয়ে তাদের হয়েই এ*কাজ করছে। এ দেশ সমূহের মধ্যযুগীয় স্বৈরাচারী সরকারের কোনো নাগরিক তাদের সরকারের আনুকুল্য ও আশীর্বাদ ব্যতীত এধরনের কাজ করতে পারেনা । কল্পনাও করা যায়না । কাজেই মুশরিক, মূর্তাদ ও নব্য ইয়াহুদী খৃষ্টানদের কাছে শির্ক ও বিদআতের সবক নেয়ার দিন বিগত হয়ে গিয়েছে। এখন আমরা ওদের সবক দিয়ে তাওহীদ শিক্ষা দিয়ে শির্ক ও বিদআত থেকে পবিত্র করবো । তারা যদি স্বদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে আমাদের এখানে মুহাজির হয়, তা হলে তাদের অবশ্যই রাসূল সঃ তার মুস্তাদআফ অনুসারী যায়দ, বিলাল, আম্মার, ইবন্‌ মাসউদ, খাব্বাব, সুহাইব, সাওবান, সালমান ও উসামাহদের মতো হতে হবে। আবু বকর, উমর, ওসমান, মুয়াবিয়া, মারওয়ান ও ইয়াধীদদের মতো মুহাজির গোত্রীয় সাম্রাজ্যবাদী ইসলামের এক মুহুর্তও প্রয়োজন নেই। যাদের আল্লাহ্‌ ধ্বংস করে সমাহিত করেছেন, ওদের পূজার আমাদের প্রয়োজন নেই। ওদের একশ্রেণী যেমন আফগানিস্তানে এসে যুদ্ধ করে আফগানিস্তানে আশ্রিত আছে, এখানে এরা আমাদের মতো মুস্তাদআফ হয়ে আমাদের মতো হয়ে আমাদের দ্বীনী ভাই রূপে আমাদের মাঝে থাকবে । তারা তাদের স্ত্রী পরিজনদের নিয়ে এসে সমান মর্যাদায় তাকৃওয়ার ভিত্তিতে লেন-দেনের বিয়ে শাদী হবে। একই প্রকারের জীবন মান হতে হবে। তা না হলে এদের এদেশে এক দিনের জন্যও প্রয়োজন নেই। এরা আমার নিকট অবাঞ্থিত। ভাষা আন্দোলন ও আন্দোলনকারীদের উপর, জীবিত কি মৃত, আল্লাহর গযব ও লানত হোক । অবশ্য এর মধ্যে গোলাম আযমও একজন । শয়তানদের প্ররোচনায় জাতিকে মূর্খ ও বর্বর রাখার জন্য ভাষা আন্দোলন করে আমাদের হাযার বছর পিছিয়ে রেখেছে । জাতিকে আরবী শিখে কৌরআন বুঝে, কৌরআনী সাম্যবাদের সংগ্রাম করে মানুষ হওয়া থেকে এরা বঞ্চিত করে বাঙ্গালীদের আরবদের ড্রাইভার, ঝাড়ুদার, মেথর ও গৃহপরিচারিকা রূপে বেশ্যা হওয়ার পথ করে দিয়েছে । কৌরআনী শিক্ষার পর ইংরেজী শিখে আত্মপরিচয়ে সমৃদ্ধি অর্জন করে ঘরভাঙ্গা, নেশাগ্রস্থ ও যৌন ছেলেমেয়েদের ইউরোপ আমেরিকায় পাড়ি জমিয়ে ওদের রেস্টোরার বয়, ওদের থালা বাসন মাজক, বেশ্যালয় ক্লাবে ওদের বেশ্যা নরনারীর কোটগাউন ধারণ করে বখুশিশ উপার্জন এবং সর্বোপরি ওদের এইডস্‌ ও এইচ, আই, ভির বাহক হওয়ার যোগ্য করেছে এ জাতিকে । জাতির যে সর্বনাশ করেছে, সে পাপে এ পাপের নায়করা নিঃসন্দেহে গোটা জাতির পাপ নিয়ে জাহান্নামে জ্বলছে এবং জুলবে। গোলাম আযম মিথ্যা কথা বলেছে যে সে তার শিক্ষকরা আরবীতে ক্লাসে লেকচার দিতে পারেনি বলে সে আরবী ত্যাগ করে পুনঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়ালেখা করে সময় নষ্টের ফলে অনার্স পড়তে পারেনি । আসলে সে বিয়েপাগল গ্রাজুয়েট হতে হয়েছে। তার ছোটো ভাই মাহদী ১৯৬৩-৬৪ সালে বিয়েপাগল হলে পর তার চাচা শফীকুল ইসলাম আমাকে অধ্যাপক আযমদের চার ভাইয়ের মধ্যে ডাঃ গোলাম মোয়ায্যম ব্যতীত তিন ভাইয়ের পাগল হওয়ার ঘটনা সবিস্তারে বলেছে। এ সময়ে একদিন আমি সম্মিলিত বিরোধী দলের অফিসে বসা । এক অল্প বয়সী ব্যক্তি আমাকে শফীক সাহেব বের হয়ে এসে তার এক ভাতিজাকে বাসায় টেলিফোন করে আরেক ভাতিজা গোলাম মুকাররামকে ডেকে এনে মাহদীকে বাসায় পৌছিয়ে দেয়। তারপর শফীক সাহেব তার ভাতিজাদের পাগল হওয়ার ইতিহাস বর্ণনা করে। মালয়েশিয়া মুসলিমবিশ্বে কোথায় এবং বাংলাদেশ কোথায়? সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশী দু'মূর্ধের ওআইসির সেক্রেটারী জেনারেল হওয়ার প্রস্তাব শুনে আমি আল্লাহ্‌র দরবারে ফরিয়াদ করেছি, “আল্লাহ্‌! এমনিতেই তোমার বাংলাদেশী বান্দারা বহু দুর্নামে ডোবা । তুমি আমীনুর রহমান শামসুদ্দোহা ও হুমায়ুন রশীদদের মতো বাংলাদেশীকে ওআইসির সেক্রেটারী জেনারেল বানিয়ে জাতিকে অতিরিক্ত অপমানিত করোনা । কারণ, আরব বদমাশগুলো তাদের বদমাশী পূর্ণ করে মরুক। তারা অন্ততঃ লাত মানাতের ভাষারূপে হলেও আরবী জানে । আমাদের সোনার বাংলার

373 ///-99090০901.০011/819911799

পিতলা কলসপগ্তলো তো তাও জানেনা । তুমি আমাদের মান রক্ষা করো।” আমি ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এমন কি ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মুসলিম রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রী ও ইসলামী নেতাদের দেখেছি যে তারা আরবীতে ফ্ুয়েন্ট। কিন্তু আমাদের “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” ওয়ালা মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতের নাম মুহিবুল হাসান, জুলমত আলী ও হায়েজুর রহমান । এদের নামের অর্থ জানলে এরা ঘর থেকে বের হতে লজ্জাবোধ করতো । আমাকে একবার মোহাম্মাদ কোত্ব আমাদের দেশের নামের অর্থ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলো যে তোমাদের দেশে যে আরবী নাম রাখে, তার অর্থ বোঝার মতো লোকও কি তোমাদের দেশে নেই? গোলাম আযম, সাজ্জীদ হোসেইন, গোলাম হোসেইন ও মুহিবুল হাসান এ সমস্ত নাম কি করে ডাকা যায়? চিন্তা করে আমি খুবই লজ্জিত হই। সে সময় জিয়াউর রহমানের এক মন্ত্রী সৌদী আরব সফররত ছিলো । হতভাগার নাম ছিলো মুহিবুল হাসান । অর্থাৎ যে হাসানকে ভয় দেখায় । গোলাম আযম অর্থৎ মহা দাস, সাজ্জাদ হোসাইন অর্থাৎ সর্বদা যে হোসাইনকে সিজদা করে । সে সময় পাকিস্তানবাদী আওয়ামীলীগ নেতা জুলমত আলী লন্ডন থেকে মক্কা এসে আমার কাছে উঠে। তাকে মানুষের কাছে পরিচিত করতে গিয়েই বিপদে পড়ি । আলীকে আরবরা জ্ঞানের নগরী বলে জানে । আর আমাদের বাঙ্গালী জুলমত আলী, আলীর মুর্খতার অন্ধকার! অধ্যাপক গোলাম আযমও মন্কায় একবার দুঃখ করে আমাকে বলেছে যে আরবদের নিকট তার নাম বলতে তার লজ্জা বোধ হয়। আমার সামনেই তাকে তার গাড়ীর আরবী ড্রাইভার “ইয়া গোলাম” বলে ডেকেছে। মন্কীয় তার ও টেলিফোন বিভাগে কার্যরত এক বাঙ্গালী ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে তার অফিসে তুলকালাম কান্ড বাধে । উত্তরবঙ্গের এ লোকটির নাম ছিলো হায়েজুর রহমান। সাধারণ অর্থে “আল্লাহ্র মাসিক” । লোকটি আমার কাছে আসলে আমি আরবীতে তার নামটি “হাজত” অর্থাৎ “প্রয়োজন” ধাতু থেকে তৈরী বলে তাকে কোনো প্রকার মুখরক্ষার পথকরে দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এককালীন ভাইস চ্যান্সেলর ডঃ সাজ্জাদ হোসাইন তখন মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীরত। বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের নেতা গোলাম আযম তখন মক্কার ইখওয়ানী ও ইসলামী সার্কেলে একজন পরিচিত ব্যক্তি! ভাষা আন্দোলনের মূর্খ চন্ডালেরা বাংলাভাষা ও বাঙ্গালী জাতিকে এমন বিকলাঙ্গ করেছে যে বাংলাদেশের রাষ্ত্রীয় বাংলা ভাষা প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গের ভাষা ও সংস্কৃতির হাতে মার খেয়ে এদেশের সাহিত্যিকদের সাহিত্যকর্ম নিজঘরে ক্রেতা পায়না। ওপারে ভাষা ও কাব্য ধার করে লিখলেই এদের বইপুস্তক কিছুটা চলে । তা না হলে তা আজ লবনের পোলা বানানোর জন্যও বিক্রি হচ্ছে না। কারণ পলিথিন এসে তার বাজার নিয়ে নিয়েছে । অথচ হিন্দি রাষ্ট্র ভাষার ভারতে কোলকাতার বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়ে সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যিকদেরও বুদ্ধিবৃত্তি ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এতটুকু প্রতিষ্ঠা করেছে যে এখানকার সাহিত্যিকরা তাদের দুয়ারে সর্বস্তরে ভিক্ষুকই রয়ে গিয়েছে। ওদের সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কাব্যে আরবী, ফার্সি, উর্দু, হিন্দি ও ইংরেজী ভাষার শব্দমুক্তা দিন দিন বেড়ে ওদের বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতা এতদূর এগিয়ে নিয়েছে যে এপারের বাংলা একটি সীমাবদ্ধ গন্ডিতে দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে । এদেশের প্রচার মাধ্যমের বাংলাভাষা ও সাহিত্যকর্ম লক্ষ্য করলে দেখা যায় সে দুর্বোধ্য সংস্কৃত শব্দ ছাড়া তাতে আর কোনো নতুন সংযোজন হচ্ছেনা। আর ওদের সংবাদ ও সাহিত্যে মার্কিং কলম নিয়ে দাগ দিয়ে চিহিতি করলে দেখা যায় যে প্রতি পৃষ্ঠায় কোথাও অর্ধশত শব্দ বিশ্বভাষায় সমৃদ্ধ। ফলে এদেশের সাংস্কৃতি দেশবাসীর কাছেই পরিত্যাক্ত হয়ে মিলেনিয়াম, নববর্ষ ও বিভিন্ন পর্বে রাস্তাঘাটে, পার্কে উদ্যানে ও তথাকথিত কুশিক্ষার শিক্ষাঙ্গনে উলঙ্গ নরনারীর উম্মন্ত পাশবতার রূপ নিচ্ছে। দেশের সামর্থবান যুবকরা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। মধ্যবিত্তরা অফিসে আদালতে ঘুষ খেয়ে প্রান্তিক দেশবাসীর রক্তের শেষ বিন্দু শোষণ করছে। নিন্নবিত্তরা ছিনতাই, চাদাবাজি, নেশাপাচার ও প্রসার এবং দুরারোগ্য এইডস রোগের ও ডেঙ্গুজরের এডিস্‌ মশার ভূমিকায় পাখা মেলছে। আজ যদি সুস্থ চিন্তার সাথে পূর্ব বাংলায় বাংলার সাথে আরবী পাশাপাশি হাত ধরে সমান ভাবে গড়ে উঠতো, তা হলে বাঙ্গালী মুসলিম সমাজ ও তার সাহিত্য দেশ ও দেশবাসীকে সমৃদ্ধ করে পশ্চিম বাংলা তথা ভারতের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বর্তমান হীনমন্যতার স্থলে এদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতির অঙ্জনকে অন্যের উপর প্রভাব বিস্তারকারী শক্তিরূপে নিজেদের সমৃদ্ধ ও সুপ্রতিষ্ঠিত করতো। ভারতে যেখানে শত শত আরবী সাহিত্যের পন্ডিত পাওয়া যায়, যাদের পাভডিত্ের স্বীকৃতি আরব বিশ্বেও দিন দিন প্রভাব বিস্তার করছে, সেখানে আমাদের ষোল কোটি বাঙ্গালী মুসলমানদের মাঝে নাম নেয়া যায়, এমন একজন আরবী জানা পন্ডিতও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। ওআইসির

374 ///-99090০901.০011/819911799

ভূরিভুরি বিদ্যমান, সেখানে বাংলাদেশে একজনও পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো আরবদেশে রাষ্ট্রদূত রূপে সমমর্যাদায় দেশের প্রতিনিধিতি করতে সক্ষম, এমন কোনো ব্যক্তি পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ে কল্পনাও করা যায় না। এ দৈন্যতা ও দেউলিয়াপনার জন্য দায়ী তথাকথিত ভাষা আন্দোলন । কোনো অর্বাচিন দিন ও রাতকানা বুদ্ধিজীবী বা তাদের পেঁচার দল হয়তো বলবে যে, ভাষা আন্দোলন না হলে স্বাধীন বাংলাদেশই হতো না। তার একশ'ভাগ সত্য উত্তর হলো বাংলাদেশ ভাষা আন্দোলনের কোনো ফল নয়। বাংলাদেশ পাকিস্তানী শাসনের ভুলের সন্তান। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকারী বাঙ্গালী মুসলিমরা উর্দুর বিরুদ্ধে চিন্লাচিল্লি না করে দৃরদৃষ্টি দিয়ে বাংলার সাথে দ্বিতীয়বাহু রূপে কোরআনের ভাষাকে গ্রহণ করলে বাংলাদেশ নীরবে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার তিরিশ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠির নেতা হতো । ভারতের মুসলিম জনসংখ্যা এদের সাথে যোগ দিতো । ভারতের বর্ণবাদী জাত প্রথায় পিষ্ট আশি কোটি মুস্তাদআফ তাদের মুক্তিরদিশা পেতো এদের যায়দ বেলালের আদর্শে। বাবর, শের শাহ, সুলতান মাহ্মুদ ও মুঘলদের লুট তরাজের মুয়াবিয়া ইয়াধীদী ইসলামের দুঃস্বপ্ন ভারতের একশ" কোটি মানুষকে আজো তাড়া করে বেড়াতো না। বর্তমানে আণবিক শক্তি সম্পন্ন পাকিস্তানী অসভ্যশাসক ও শোষকচক্র ও ভারতীয় রামরাজচক্র পরস্পরের বিরুদ্ধে যে সামরিক ধ্বংসের ক্ষেত্র তৈরী করছে, এ অবস্থার আদৌ সৃষ্টি হতো না। বর্তমান বাংলাদেশ ভারতীয় পন্য ও সংস্কৃতির বাজার ও দুটি স্বামীহারা ও পিতামাতা স্বজনহারা নারীর আলে বাধা । আল্লাহ্‌র বিধান হলো, তিনি শাসকদের ভাগ্যে শাসিতদের ইহকাল ও পরকাল নির্ধারণ করেন । বাংলাদেশের ব্যাপারে যদি তাই হয়, তা হলে কী হবে? কারো ঘরে স্বামী স্ত্রী ও সোহাগের সংসার থাকবে না। সব খালেদা- হাসিনার সংসার হবে। এটাই বোধ হয় পার্থিব দোজখের ভয়ঙ্করতম নমুনা । এ পরিণাম এড়াতে হলে একটিমাত্র পথ রয়েছে। তা হলো অ্রষ্টার বিধানে মানুষের পারিবারিক সংসারের সমাজ ও রাষ্ট্রগড়ার ব্যাপক সংগ্রামে নেমে পড়া । সারাবিশ্ব আজ এ নেয়ামত ও আশীর্বাদ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত। এ কাজটি এ বাংলাদেশ থেকে শুরু হতে পারে। কারণ এদেশটি দু'টি ঘরভাঙ্গা নারীর ভাগ্যে অভিশপ্ত। এদের পেছনে যে পুরুষ নামের ক্লিব গুলো আছে, এগুলো এ জাতির উপর আল্লাহ্র রহমত বঞ্চিত বন্ধাতের আযাবের আসমানী সনদ। গোলাম আযম ও আযীযুল হকদের এদের সাথে যোগদান এদের গোর খোদাই ও শেষকৃত্যের বাড়তি আলামত । এ অবস্থায় বিবেকবান জাত, জাতক ও মহাজাতক মানব সন্তানদের জারজ ও তাদের জারজ জীবন ও জারজ সভ্যতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে । সাধারণ মানুষ, জাতমানুষ । মানবতার প্রতিজ্ঞায় জীবন যাপনকারী মানুষ জাতক শ্রেণী । এদের নেতৃত্ব যারা দেয় তারা মহাজাতক। মানব জাতির আদর্শ ভোলা, আদর্শ ত্যাগী ও আদর্শ বিরোধীরা জারজ। অর্থাৎ মানুষ হয়েও এরা মানব জাতির জন্ম, জীবিকা, জীবন ও মৃত্যুতে লক্ষ্য্যুতি ও বিকৃতি ঘটায়। এ অর্থে এরা জাতধ্বংসী জারজ শ্রেণী । যেমন জারক সবখাদ্য হজম করে ফেলে, এরা সেরূপ মানবতার গুণাবলী শেষ করে দেয়। মানব শ্রেণীর এ অর্জিত শ্রেণীবিভাগকে বুঝে, মেনে ও বিশ্বকে মানিয়ে স্বাধীন প্রতিযোগিতায় নিজেকে উন্নত ও উন্নীত করে মানব জন্মুকে স্বার্থক করার বিরল সুযোগ এখন মানব জাতের সামনে উপস্থিত । যে বা যারা এ পথে অগ্রণী হবে, তারা হবে জাতক ও মহাজাতক। যারা তাদের অনুসরণ করবে, তারা হবে জাত । আর যারা এর বিরোধীতা করবে তারা হবে জারজ, যাকে কোরআনের ভাষায় বলা হয়েছে “যানীম্‌” এবং ইংরেজীতে বলা হয় 11309859161 যাকে সরল বাংলায় অবৈধ সত্তাপ্রাপ্ত বলা যেতে পারে।

মানব জাতের উৎস, তার বিকাশ ও নাশ

মানবজাত আল্লাহ্‌র শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, আশরাফুল মাখলুকাত। সে স্বনাম ও স্বকর্মে সার্থক হলে অরষ্টার পরই সে শ্রেষ্ঠ । ফেরেশতারা তাদের শ্রেষ্ঠত স্বীকার করে আল্লাহ্‌কে সিজ্দা করে তার স্বীকৃতি দিতে হয় । এদের নিম্নশ্রেণী মানবজাত। মধ্যম শ্রেণী জাতকজাত। শ্রেষ্ঠ শ্রেণী মহাজাতক। এদের সবার শক্র জারজরা । এরা আকারে মানুষ । মূলে শয়তান বা ইবলিসের মানস পুত্র। মানুষ জাতির জাতশক্র ইব্লিস এদের মাতা-পিতার মিলনে অংশিদার হয়ে এদের গর্ভসঞ্তার থেকে, ভূমিষ্ঠ, খাদ্য, শিক্ষা-দীক্ষা ও জীবনমরণে সঙ্গী । কিন্তু কৃবর ও হাশরের দিন একজন আরেক জনের শক্র। স্বামী স্ত্রীর, স্ত্রী স্বামীর, মাতা পিতার, পিতা মাতার, সন্তান পিতামাতার, পিতামাতা সন্তানের ও শাসক শাসিতের এবং শাসিত শাসকের বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়ে দীড়াবে। পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ করে দ্বিগুন শাস্তির জন্য আবেদন জানাবে । আল্লাহ্‌ বলবেন, “তোমাদের উভয়কেই দ্বিগুন শাস্তি দেয়া হলো” ।

)৫। 55 ৩০৮ 0 (৫ ৫৯ 9 এ সুরা আরাফ-৩৮)

375 ///-99090০901.০011/819911799

অপর দিকে জাত, জাতক ও মহাজাতক মানবরা পৃথিবীতে জাত জাতককে অনুসরণ করতে চাইবে, এবং এরা উভয়শ্রেণী মিলে উত্তম মহাজাতক শ্রেণীকে জানমাল সমর্পণকরে তাদের ইমামতে পার্থিব জীবন যাপন করবে। মৃত্যুর পর একে অপরের জানাযা পড়ে দাফন করে তাদের জন্য দোয়া করবে প্রত্যেক সালাত শেষে । রোজ কেয়ামতে এরা পরস্পরকে সালাম করবে £১ ৬৪ 64: এবং একজন অপর জনের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়ে মর্যাদা বৃদ্ধির দোয়া করবে। (সূরা ইবাহীম-২৩)। স্বয়ং আল্লাহ্‌ কেয়ামতের দিন সালাম জানাবেন তার এ জাত, জাতক ও মহাজাতক বান্দাদের পয ৩ ৩ ১১৪ ১০ সরা ইয়াসীন-৫৮) এর বিপরীত মানব জাতের কুলাজার, জারজদের, আল্লাহ হাশরের মাঠেই জাত, জাতক ও মহাজাতক বান্দাদের থেকে পৃথক হতে হুকুম জারী করে বলবেন (৫ 6 19345 ৩১:/৯৭। "তোরা জারজরা পৃথক হয়ে যা” (ইয়াসিন-৫৯) তারপর মানব জাতের এ জারজ শ্রেণীর অপকর্মের চার্জশীট দিবেন আল্লাহ্‌। (সুরা ইয়াসীন ৬০-৬৭)। তারপর এ জারজ শ্রেণী করজোড় করে কৈফিয়ত পেশ করে আল্লাহ্‌র সাথে একটু কথা বলে দয়া ভিক্ষা করতে চাইবে । ৮231৫ -৫.০ 53৪14 4585 ৩০ ৬ ৮৫19৬

৩৯:0৮ 6$ 6৭৬ ৩ 2 (সূরা মুমিনুন ১০৬-১০৭)

তদুত্তরে আল্লাহ তাদের বলবেন, “তোরা অভিশপ্ত হয়ে এ জাহান্নামেই থাক । আমার সাথে কোনো কথাই বলবিনা ।” (সূরা মু'মিনুন-১০৮) তারপর পুনঃ তার জাতক ও মহাজাতক বান্দাদের গুণাবলী তুলে ধরবেন জারজদের সামনে । সে দিন আল্লাহ তাদের বিজয় ঘোষণা করে তাদের পুরষ্কার দিবেন (সুরা মু*মিনূন ১০৯-১১১)।

মানব জাতের কুলাঙ্গার জারজদের পরিচয়

আমাদের মানব সমাজে তিনটি বিশেষ নিন্দাসূচক গালি রয়েছে। আসলে কিন্তু এগুলো গালি নয়। মানবজাতের পতন

ও চারিত্রিক অবক্ষয়ের সূচক নাম মাত্র । তা হলো ঃ

(১) হারামযাদা, (২) হারামখোর,

(৩) নিমকহারাম

এ সুচকনাম থেকে যাদের জাত মুক্ত ও পবিত্র, সে মানুষেরা মানব সমাজের বৈধ ও কাতিখিত জনশক্তি । হারামযাদা, হারামখোর ও নিমকহারাম ব্যক্তিবর্গ মানব জাতের কুলাঙ্গার । যে জাতি এ তিন শ্রেণী থেকে তাদের জাতকে মুক্ত করতে পারে, শ্রষ্টার কাছে একমাত্র সে জাতিই মুসলিম ও মুসলিম উম্মাহভুক্ত। যে সমাজে এ তিন শ্রেণীর লোকেরা সমাজের স্বীকৃতজন, সে সমাজ আল্লাহ্‌র গযবে ধ্বংসের তালিকায় নিপতিত । পরকালে এ জাতির স্থান জাহান্নাম । এদের পার্থিব ধ্বংস শুধু সময়ের ব্যাপার । যে সমাজে এ তিন শ্রেণীর হাতে নেতৃত্ব, সে সমাজে পৃথিবী ধ্বংস ও কেয়ামত আসন্নের আলামত। ভূ-পৃষ্ঠে সে দেশ ও জাতি জাহান্নাম । সে দেশের ধ্বংসের জন্য সে দেশস্থিত জাতকমানুষ, পশুশ্রেণী, গাছ-পালা ও কীটপতঙ্গ আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করে। যে কোনো সময় আকাশ ভাঙ্গার মতো তাদের উপর ধ্বংস নেমে আসে । নমরুদ, আদ, সামুদ, ফিরআউন, মহেঞ্জোদারো, হরপ্পা ও ময়নামতির ধ্বংসাবশেষ তার নমুনা । পূর্বে পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে হারামযাদা, হারামখোর ও নিমকহারামদের প্রাদুর্ভাব হতো, এবং সে বিশেষ দেশ ও জাতি গযবে নিশ্চিহন হয়ে অন্যান্যদের জন্য শিক্ষনীয় হতো । তাতে তা দেখে তওবা করে জাত ও জাতক জনগোষ্ঠি মানুষ হয়ে শান্তির জীবন যাপন করতো । এখন গোটাবিশ্ব হারামযাদা, হারামখোর ও নিমকহারাম রোগের মহামারীতে জর্জরিত। এমন কোনো ঘর, পরিবার ও সমাজ নেই যেখানে এর বিষ ছড়ায়নি। দিন দিন অরণ্যে লাগা দাবানলের মতো মানবতার শেষ আশ্রয় স্থল ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঈমানকে জারজতায় আক্রান্ত হারামযাদা, হারামখোর ও নিমকহারামরা পুড়ে ছাই করে দিচ্ছে। হযরত নৃহের ঘরে এ জাতের একটি নারী ও একপুত্র মহাপ্লাবন ডেকে এনেছে। হযরত লৃত আঃ এর ঘরে একটি নারী এ শ্রেণীর হয়ে আল্লাহ্‌র গযব ডেকে এনে সে জাতিকে মাটির নিচে পুতে সে জনবসতিকে ধ্বংসের সমৃদ্বে রূপান্তরিত

376 ///-99090০901.০011/819911799

করেছে। এ তিনটি পাপের মধ্যে হারামযাদা, বা জন্মে জারজ হওয়া সবচাইতে লঘু দোষণীয়। কারণ, এতে জাত দায়ী নয়। জন্মদাতা ও দাত্রী দায়ী। এ জারজই বড়ো হয়ে জাতক অর্থাৎ সাধু হয়ে গেলে সে নিষ্পাপ সাধু । হ্যা, যদি জন্ম দোষের মতো তার স্বভাবচরিত্র হয়, তাহলে সে চিহ্নিত ঘৃণ্য হবে। এদের কোরআনে “যানীম” বলা হয়েছে। কোরেশী যোদ্ধা খালেদের পিতা ওয়ালিদকে আল্লাহ্‌ এ শব্দে উল্লেখ করেছেন । (সূরা কালাম-১৩)। হযরত মূসা আঃ এর সম্প্রদায়ভূক্ত এক ব্যক্তি ধনসম্পদ কুক্ষিগত করে লোভলিন্গায় পড়ে মূসা আঃ এর আদর্শ ত্যাগ করে ফিরআউনী পথ ধরলে, আল্লাহ্‌ তাকে তার সকল ধন, জন ও সম্পদ সহ মাটিতে ধ্বসিয়ে নিশ্হ করে দেন। সে জারজ লোকটির নাম কারুন। তার নামের কোনো ব্যক্তি কোথাও খুঁজে পাওয়া না গেলেও তার চরিত্রের লোকে বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশও ভরা । পুঁজিবাদী সভ্যতার ভোগবাদী ধনিক শ্রেণী সে কারুনের প্রজন্ম । বর্তমান উন্নত দেশসমূহ ও তাদের বিশ্বব্যাংক, আই এম এফ ও কন্সোর্টিয়াম কারুনদের চক্র। আল্লাহ্‌ তার শেষ নবীর উপর পূর্ণ কোরআন নাযিল করে আমাদের সে মানব জাতের জারজদের বর্ণনা দিয়ে প্রতিদিন পাঁচবার সালাতে দীড়িয়ে তা স্মরণ করে তা থেকে মুক্ত থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। সে কৌরআন ভিত্তিক রাসূল তার সমাজের জারজদের ত্যাগ করে হিজরত করলে মাত্র দশ বছরেই আল্লাহ্‌ সে সমাজের জারজদের পতন ঘটিয়ে, জাত, জাতক ও মহাজাতকের সমাজবিপ্লবের আদর্শ স্থাপন করে দেন। তার তোলা ঢেউয়ে তখনকার উভয় পরাশক্তির পতন হয়। তারপর তীর শিক্ষাপ্রাপ্তরা তীর শিক্ষা ত্যাগ করে জারজদের অনুসরণে জাতত্যাগী হলে আল্লাহ্‌ তাদের ওদের মতোই নির্মল করে দেন। মুয়াবিয়া, মারওয়ান ও ইয়ামীদরা তার দৃষ্টান্ত । মুয়াবিয়া, মারওয়ান, মুগীরা ও আমর ইবনুল আসদের জন্মে সে দোষ থাকলেও আল্লাহ্‌ রাসূল সাঃকে পাঠিয়ে তাদের তা থেকে বিধৌত হওয়ার মহা সুযোগ দিয়েছিলেন । তা পেয়েও তারা তা ত্যাগ করে তাদের অপবিত্র মূলে প্রত্যাবর্তন করে নিন্দনীয় হয়েছে। যায়দ, বিলাল, আম্মার, ইবন্‌ মাসউদ, সুহাইব ও সালমানরা নবী সঃ এর পরশে জাতের সন্ধান পেয়ে জাতক হয়ে জাতকের আদর্শ হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে অমরতৃ অর্জন করেছে। যুস্তাদআফ হয়েই মানুষকে জাত হয়ে জাতকতা অর্জন করতে হয়। মুস্তাদআফ প্রকৃতি ত্যাগ করা মাত্রই মানুষ যুস্তাকবির হয়। অর্থাৎ জাত থেকে জারজ হয়। যেমন নমরুদ, ফেরআউন, কারুন ও ওয়ালিদ হয়েছিলো । তাদের পরিণাম থেকে একজনও রেহাই পায়নি । মুস্তাকবির চরিত্র ত্যাগ করে মুস্তাদআফ হয়ে নূহ, ইব্রাহীম, মুসা ও মুহাম্মাদ সঃ রা যে মহাজাতক হয়েছিলেন, তার কি মৃত্যু আছে? ক্ষয় আছে? আমরা কাদের অনুসারী হবো? নৃহ ও ইব্বাহীম আঃ দের লোকেরা তাদের জাত ত্যাগ করে আকার ও প্রকৃতিতে কুকুর, বানর ও শুকর হয়েছিলো । আখেরী নবী সঃ আসার পর এ হারামজন্মু, হারাম খাওয়া ও নিমকহারামী করলে আমাদের শুধু এঁ শুকর, কুকুর ও বানর বানিয়ে লঘ্ৃশাস্তি দিয়ে ছেড়ে দিবেন না। আমাদের ইহকাল পরকাল উভয়ই জাহান্নাম বানিয়ে ছাড়বেন। হারামযাদা হওয়ার প্রমাণিত পাপ থেকে আমাদের সমাজ সম্পূর্ণ মুক্ত না হলেও অনেকটা মুক্ত বলা চলে। সে জন্য এখনো আল্লাহ্‌র শুকুর । কিন্তু হারামখোরী ও নিমকহারামী থেকে ক'টি লোক মুক্ত? বা বাংলাদেশের জনসংখ্যার কতোজন মুক্ত? ব্যাপারটি আরেকটু খুলে বলি। সরকার ও সমাজ শাসনের সাথে যারা জড়িত, তাদের মধ্যে তো হারাম খাওয়া ও জাতির সাথে নিমকহারামী থেকে একটি মানুষও সম্পূর্ণ মুক্ত নেই! আংশিক ভাবে বারো কোটি মানুষের মধ্যে হয়তো বারোজন পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু মাদ্রাসা, মসজিদ, মাযার, পীরের দরগা, পীরের খানকাহ ও কাষীর অফিসে একটি লোকও হারামখোরী ও নিমকহারামী থেকে মুক্ত নেই। এটি এমন সত্য, যেমন পূর্ব থেকে সূর্যোদয় ও পশ্চিমে সূর্যাস্ত হওয়া সত্য । কোনো মাদ্রাসার বেতনের বিল হয়না ঘুষ না দিলে । এরা সবাই সুরা তওবার ৩৪ ও ৩৫ নং আয়াতে বর্ণিত হারামখোর জাহান্নামী । হারামখোর ব্যক্তিরা হারামযাদা বা জারজ হওয়ার চেয়েও পাপী । কারণ, হারামযাদা তো জন্মদাতা ও দাত্রীর দোষে অনাকাঙ্খিত। নিজের দোষে নয়। হারামখোর সে বুঝের হয়ে হারাম খায়, হারাম সন্তান জন্ম দেয় এবং হারাম জমা করে পরবর্তী বংশধরদের জন্য তা রেখে যায়। ফলে কেয়ামত পর্যন্ত হারামযাদা জন্মাতে থাকবে । যে পর্যন্ত না তার কোনো অধস্তন সন্তান তার বাপ দাদার হারাম বাড়ি-ঘর ও সম্পদ ত্যাগ করে হিজরত না করবে, তারা ওর উপরই

377 ///-99090০901.০011/819911799

থাকবে৷ এ অবস্থায় জাত ও জাতক হতে হলে মহামানব, মহাজাতক নবীদের অনুসরণে হিজরত ব্যতীত কোনো পথ নেই। না করলে নামাজ, রোজা, যাকাত, দান ও হত করা সত্তেও তারা জাহান্নামী । কারণ, তারা হারাম খায় বলে তারা খবীস, এবং খবীসরা কালেমায়ে তাইয়েবার অযোগ্য । আল্লাহ্‌ স্বয়ং তাইয়েব। তিনি তাইয়েব ব্যতীত কোনো খবীস গ্রহণ করেন না। তাই খবীসদের লোক দেখানো সকল ধর্মকর্ম বরবাদ, বিফল ও পল্ডশ্রম। একটি লোক হালাল খেয়ে তাওহীদের উপর থাকলে কোনো আনুষ্ঠানিক ধর্মাচার না করে শেষে জান্নাতে যেতে পারবে । কিন্তু হারামখোর ব্যক্তিরা হাযার ইবাদত করেও মুক্তি পাবে না। কারণ তার মধ্যে ঈমানের ভিত “তাইয়্যেব” বা হালাল রিযিক নেই। তাই তার সব মিথ্যা । এবার আমরা নিমকহারামদের সংজ্ঞায় যাচ্ছি। এ শ্রেণীর মানব সন্তানরা হারামযাদা ও হারামখোরের চেয়েও নিকৃষ্ট ঘৃণ্যজীব। আরবী ও কৌরআনের ভাষায় এদের “কাফের” বলা হয়। কাফের হলো “কাফেরুন্‌ নিয়াম” অর্থাৎ নেয়ামত ও দানের অস্বীকারকারী । সৃষ্টির সবটাই শ্রষ্টার দান। সৃষ্টির সেরা মানব জাত। তার উপর আল্লাহ্‌র দান সবচেয়ে বেশী, অগণিত। তাই এ মানুষ যখন আল্লাহ্‌র দান অস্বীকার করে অকৃতজ্ঞ হয়, তখনই সে কাফের । গরু, ছাগল, শৃগাল, কুকুর ও শুকর প্রভৃতি কখনো কাফের হতে পারে না। কারণ, তাদের প্রতি আল্লাহ্‌র দান সীমিত । তারা কেউ মানুষের মতো স্বাধীন সন্তা প্রদত্ত নয়। গবাদি ও গৃহ পালিত পশু তাদের মানুষ মনিবের আনুগত্য ও কৃতজ্ঞতা করেই মাটিতে মিশে যায়। তাদের মানুষের মতো হিসাব নিকাশ ও বেহেশত দোযখ নেই । মানুষের প্রত্যেক শ্বাস প্রশ্বাস ও খুটি নাটি কর্মের জন্য তাকে পূর্ণ হিসেব দিতে হবে । ঈমানদার প্রত্যেক মানুষকে তার ঈমানদার পিতা-মাতা ও পালনকারী অভিভাবকের আনুগত্যের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র আনুগত্যের পরীক্ষা পাশকরে আল্লাহ্‌র কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে । পিতা-মাতা ও অভিভাবক যদি কাফের ও বেঈমান হয়, তা হলে ঈমানদার পোষ্যের তাদের প্রতি আনুগত্য নেই। এ সমস্ত কাফের পিতামাতা ও পালক অভিভাবক আল্লাহ্‌র আনুগত্যে বাধা দানকারী হলে তাদের ত্যাগ, ও যুদ্ধে মুখোমুখী হলে হত্যা করা কর্তব্য । আর যদি তারা ঈমানে বাধা না দেয়, তাহলে তারা বৃদ্ধ ও সেবার মুখাপেক্ষী হলে, তাদের সেবা যত্ব করা উত্তম কাজ। কিন্তু ঈমানী দায়িতে বাধা দেয়া মাত্রই তাদের সাথে কোনো সম্পর্ক থাকবেনা । যেমন হযরত ইব্বাহীম ও আখেরী নবী রাখেন নি। প্রত্যেক নারীকে, অর্থাৎ ঈমানদার নারীকে তার পিতা-মাতার পর বিয়ের পর তার মু'মিন স্বামীর অনুগত ও কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। কারণ, আল্লাহ্‌ পুরুষদের নারীদের উপর এক স্তর প্রাধান্য দিয়ে তাদের ভালো মন্দের দায়িত্ব দিয়েছেন। নারীদের সর্বদা পুরুষের আল্লাহ প্রদত্ত কর্তৃতের অধীনে থাকতে হবে। বিবাহের পূর্বে পিতা, পিতা না থাকলে ভাই, ভাই না থাকলে চাচা-মামা বা দাদা-নানা, এবং বিবাহ হলে স্বামীর এবং স্বামীর মৃত্যু হলে যোগ্য ছেলের কর্ৃতাধীন ঈমানী আনুগত্যে থাকতে হবে। ইসলামে কর্তৃত ও সর্বশেষ জবাবদিহিতা পুরুষের। এডি 3১46$ 41 ১৪০ 8 21:54 টনিরানি তারা (সুরা নিসা-৩৪, সুরা বাকারা-২২৮) তবে মনে রাখতে হবে এটা সম্পূর্ণ ইসলামী বিধান ও আদব-কায়দার মধ্যে হবে। বর্তমান তথাকথিত মুসলিম সমাজ ছেড়ে আরেকটি পুরুষের ঘরে আসে । পুরুষ তার দৈহিক চাহিদা পুরণের জন্য একটি নারী সংগ্রহ করে তার সাথে কাটায় । তারপর সন্তান হয়। হালাল হারাম নেই। আল্লাহ্‌র দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার নেই । তাই নির্ভিক সত্য বললে এ সমাজ জারজ জন্ম, হারাম ভোগ বিলাস ও নিমকহারাম প্রজন্মের লালন পালনের মানবেতর খামার । তাই বিশ্বে মানুষ আজ সকল ইতর প্রাণীর চেয়ে বিপন্ন এবং মানব জীবন সকল পশুর জীবনের চেয়ে সমস্যাবহুল। এ মানুষকে তাদের স্রষ্টার আজ্ঞাবাহী জাত, জাতক ও মহাজাতকের পর্যায়ে উন্নীত করতে হলে ইসলাম ও ঈমানে প্রত্যাবর্তন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। মানব জাতিকে তাদের স্বভাবধর্মে ফেরত আনার পথে সর্বপ্রথম বাধা প্রথমে হারামভোগী রাব্বাঈ, পাদ্রী, ঠাকুর, মোল্লা, পীর ও পেশাদার ইসলামী রাজনৈতিক বাটপারশ্রেণী, তারপর বেঈমান নিমকহারাম সরকার ও তার আমলা ও সশস্ত্রবাহিনী । বেতনভুক্ত কোনো শাসক, কোনো কর্মচারী ও সেনাবাহিনী সে জাতির আপনজন নয় । তারা তাদের পুরুষদের ওরসে ও নারীদের জঠরে উৎপাদিত ও তাদের অর্থে পালিত চিরশক্র, শোষক ও বিদেশী উপনিবেশবাদের দেশীয় জারজ। তাদের জাত, জাতক ও মহজাতক নয়। কারণ নির্দিষ্ট বেতন ও পারিশ্রমিকভুক হলে যেমন নবী রাসূল হওয়া যায় না,

378 ///-99090০901.০011/819911799

ধর্মীয় ইমাম ও গুরু হওয়া যায়না এবং স্বামী স্ত্রী হওয়া যায় না, শুধু ধর্মীয় বেশ্যা ও বেশ্যা পিতা-মাতা হওয়া যায়, তদ্রুপ বেতন ভুক শাসক তার আমলা ও সেনাবাহিনী জাতির জাত ও জাতক না হয়ে জারজ নিমক হারাম হয়। এরা ্র্টা ও তার সৃষ্টির শক্র ৷ কোরআনে সূরা মুমতাহানা শুরু ও শেষ করা হয়েছে এ বলে যে, “হে ঈমানদার মানুষেরা! তোমরা কখনো এদের তোমাদের স্বজন বানাবেনা। এরা ইহকাল পরকালে তোমাদের জন্য মৃত কবরবাসী ও কাফেরদের সদৃশ” । (দেখো সুরা মুম্তাহানা)। আল্লাহ্‌ ও তার বান্দাদের এ নিমকহারাম শ্রেণী জাতির সম্পদের সিংহভাগ শোষণ করে জাতির শত্রু জারজ ও হারামখোর জন্ম দিয়ে তাদের উচ্ছিষ্ট জাতির জন্য রেখে দেয়। যাতে ওদের উচ্ছিষ্ট খেয়ে, ক্ষেতে খামারে গামছা পরে ফসল উৎপাদন করে ওদের রসনার যোগান দেয়। বন্দরে-নগরে এদের কারখানায় কীচা মাল সরবরাহ করে । শ্রমিক হিসেবে উৎপাদন করে ওদের রফতানী আয় বাড়ায়। ওদের আমদানীকৃত পণ্যের উপর আরোপিত পরোক্ষ ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রদান এবং সর্বশেষ এদের রাজস্ব আয়ের ক্রীতদাস বৃত্তি করে। তারপর এ অর্ধাহারী অপুষ্ট ও রোগাক্রিষ্ট জনগণ ধর্মকর্মে বসে আত্মজিজ্ঞাসার সুযোগ পেয়ে অধিকার ও কর্তব্য সচেতন হয়ে যাতে এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে না তুলতে পারে, সেজন্য ওদের শ্রেণীর উলঙ্গ নারীদের নগ্নমাতস প্রদর্শনী ও বিকৃত রুচির গান বাজনা ও নাটক সিনেমা, টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার দিয়ে দেশ গ্রাম ও পল্লীতে চরিত্র হরণের মহামারী ছড়ায় । (সুরা

সাবা ৩১ আয়াত থেকে ৩৫ পর্যন্ত দেখো)

এ জারজদের একটি স্থুল প্রমাণ এখানে তুলে ধরা যায়। বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান রূপে পাকিস্তানের অংশ থাকাকালীন আদমজী, ইস্পাহানী, বাওয়ানী, দাউদ, সায়গল ও গান্ধারা প্রভৃতির মালিক বাইশ পারিবারকে শোষক রূপে চিত্রিত করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়া হয়েছিলো । আল্লাহ্‌র রাসুলের আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সৃষ্ট পাকিস্তানী জাতির মাঝে এরা জারজব্যাধি ছিলো নিঃসন্দেহে । বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশে ওদের আদলে জন্মানো শত শত ধনীরাও নিঃসন্দেহে বাঙ্গালী জাতের মাঝে সে সম্প্রদায়। সে পাকিস্তানের মতো শোষক সরকার, আম্লা ও সেনাবাহিনীর খুটার জোরে এদের নগর জীবনের বেবীলোনিয়া। বেবীলোনিয়া শব্দের অর্থ পাপ ও ব্যাভিচারের নগরী । পাকিস্তানী ও ইন্ডিয়ান মাড়ওয়ারীদের চেয়ে এরা জঘণ্য। কারণ ওরা পর ছিলো। ওদের বিরুদ্ধে ভীনদেশী বলে প্রতিবাদ ও প্রচারণার ভয় ছিলো । কিন্তু দেশীয় জারজদের সে ভয় নেই। একটি সমীক্ষা চালিয়ে পরিসংখ্যান দীড় করালে ব্যাপারটি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হবে। রাজধানী ঢাকার গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা ও ধানমন্ডিতে প্রাসাদীয় বাড়ীর মালিক ও তার বাসিন্দাদের মধ্যে শতকরা ক'জন এ দেশের জাত ও জাতক বাঙ্গালী এবং কজন জারজ বাঙ্গালী? এদের ছেলে মেয়েরা ক'জন বাংলাদেশে ও ক'জন ইউরোপ আমেরিকায়? এদেশের মোট গাড়ীর শতকরা ক'ভাগ জাতির বেতন ভুক আমলা, রাজনীতিবিদ, সেনাকর্তা, জাতির রাজস্বের ভর্তুকীতে শিক্ষিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ঘুষখোর পুলিশ ও আয়কর চোররা মালিক? ও কতো ভাগের মালিক দেশের তৃণ মুলে বসবাসকারী মাটির সন্তান জাত ও জাতক দেশবাসী? তা দেখলেই বুঝা যাবে যে, জাতির জাতদেহের নিমকহারাম মেলিগন্যান্ট কোষগুলো জাতীয় আয়, উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধির কতো ভাগ শোষণ করে, তাদের আনুপাতিক সংখ্যা কতো এবং প্রকৃত দেশবাসী কতো ভাগ ভোগ করে? এবং তাদের শতকরা হার কতো? তা হলে দেখা যাবে যে বৃটিশ উপনিবেশবাদের সাত সমুদ্র তেরো নদী ওপারের বর্গিরা জাতিকে কতোটা শোষণ করেছে, পাকিস্তানী পার্জাবীরা কতোটুকু শোষণ করেছে এবং বাংলাদেশীয় জারজরা কতোটুকু শোষণ করছে। ভালো হোক আর মন্দ হোক, প্রচলিত সমাজ ও আচারের বিরুদ্ধে কোনো কথা বললে তা খুব স্পষ্ট করে না বললে তা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠে। তাই বক্তাকে আগাম আটঘাট বেঁধে মাঠে নামতে হয়। তা না হলে হিতের চেয়ে বিপরীত বেশী হয়। লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশী হয়। আমার প্রতিবেদনে যে “জারজ” শব্দটি ব্যবহার করেছি, এতে তা সমাজের যাদের গায়ে লাগবে, আমি তাদেরকে, তাদের চেয়েও বেশী বুঝি ও চিনি। আল্লাহ্‌ আমাকে তা তার বিশেষ অনুগ্রহে চিনিয়েছেন এবং প্রতি মুহুর্তে চিনাচ্ছেন। তাই ব্যাপারটি আরো খোলাসা করছি। প্রবাদ আছে যে, 176 [০1 1 10012170161 0181 (016 5ড/010 , কলম তরবারীর চেয়েও শক্তিশালী । আমি বলবো যে, সাধারণ কলম তরবারীর চেয়েও শক্তিশালী । কিন্তু আল্লাহ্‌র প্রদত্ত জ্ঞানের কলম আনবিক বিক্ফোরকের চেয়েও কার্যকর শক্তিশালী । এ কলমের

379 ///-99090০901.০011/819911799

কথাই আল্লাহ্‌ তার শেষ নবীর উপর নাধিল কৃত অহীতে উল্লেখ করেছেন । ৩৮০3 9 -31 ৬১ এ ৮১

পৃ পি ভন চন এ$ 9 ৩৬

“পড়ো, তোমার প্রতিপালক শ্রষ্টার নামে । সৃষ্টি করেছেন মানবকে ঘনীভূত বীর্যের পিন্ড থেকে । পড়ো যে তোমার পতিপালক পরম দয়ালু। যিনি কলম দিয়ে শিক্ষা দিয়েছেন। (সূরা আলাকু) খোদায়ী কলমের শিক্ষার পাঠ্যবই কৌরআন। সে কৌরআনের কথা লিখছি যে হাত ও কলম দিয়ে, তা তরবারি কেনো, বিশ্বের সকল শক্তির চেয়ে শক্তিধর । সে বিশ্বাস ও প্রত্যয় নিয়ে এই বই লিখছি। তাই এতে কোনো বিতর্কের ছিদ্র না রাখার কথা প্রতিক্ষণ স্মরণ রেখে কলম চালাচ্ছি। অসি ও সমরাস্ত্র দিয়ে বর্তমান শক্রুকে ঘায়েল করা যায়। অতীত ও ভবিষ্যত শক্রকে পরাভূত করা যায় না। কিন্তু সত্যের কলম দিয়ে অতীত ও অনুপস্থিত শত্রু নিধন করা যায়। বর্তমান শত্রুর মূলোৎপাটন করা যায়, এবং অনাগত শক্রর জন্ম নিরোধ করে নিশ্চিত নিরোপদ্রব ভবিষ্যত গড়া যায়। এ লেখনীর কলম সে দিক ও কাল বিজয়ী । সৃষ্টির স্বভাব ও জাত হলো তাওহীদ । শ্রষ্টার সত্য এক অবিভাজ্য সত্য । এ বিশ্বাসই ঈমান । এর প্রতি আত্মসমর্পণের নাম ইসলাম । আত্মসমর্পণকারী-মুসলিম । সে তার একমাত্র মুস্তাকবির সরষ্টা, “আল্লাহু আকবারের সামনে” লুটিয়ে পড়া মুস্তাদআফ । তীর সামনে ব্যতীত কারো সামনে মুসলিম মাথা নত করে না। এ বিশ্বাস ও ঈমানের সে জাত, জাতক ও মহাজাতক | এ বিশ্বাসে তার কোনো শির্ক ও বিদআত যোগ হলেই সে আর যে জাতে রইলো না। সে জাতচ্যত জারজ হয়ে গেলো । তাই যানীম, জাহান্নামী । নরকী । মানব দেহে অসংখ্য জীব কোষ রয়েছে । এ জীব কোষের অনুগত সমবায়ে জীবের জীবন। এ সমবায়ে বিঘ্ন ও বিশৃংখলা দেখা দিলেই জীবের জীবন নাশ হয়। অসংখ্য জীবকোষের একটি কণিকা যদি কখনো জাতস্বভাব ত্যাগ করে অবাধ্য হয়ে যায়, তখন সে তার পার্খস্থ কোষদেরও স্বভাব নষ্ট করে মূল জাতের বিদ্বেষী শত্র হয়ে যায়। জাত বিদ্বেষী জারজ হয়ে যায়। এটাকেই ইংরেজীতে 1১1৪110, 11211217917 1১191157115 বলা হয়। চিকিৎসা শান্ত এটাকেই ক্যান্সার বলা হয়। যার অপর নাম মৃত্যু । আরবীতে এ চরিব্রটিকে “খবীস্” বলা হয়। তা থেকেই কৌরআনে খবীস্‌ নারী-পুরুষদের নিন্দা ও নিন্দনীয় করা হয়েছে। এরা জাত নষ্টকারী জারজ-জারজী । এদের নিল করলে সমাজ, জাত ও জাতক রক্ষা পায়। এদের চলতে দিলে গোটা জাতকে এরা জারজ করে ফেলে । গোটা মানব জাতি আজ এ জারজ মহামারীতে আক্রান্ত । পল্লী ও সমাজগ্যত, পিতা-মাতা ও জাত ত্যাগকারী এবং মানব জাত ও সভ্যতার তৃণমূলে অকৃতজ্ঞ নিমকহারাম মানুষদের দ্বারাই প্রথমে নগর ও শহর নামের ক্যান্সারের উৎপত্তি হয়। তারপর ক্যান্সারে আক্রান্ত কোষ যেমন গোটা দেহের জীবনী শক্তিকে চারদিক থেকে টেনে এনে কেন্দ্রীভূত করে ধ্বংসচক্র সৃষ্টিকরে, এবং তার ফলে দেহের প্রতিরোধ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে, তদ্রুপ গ্রামগঞ্জ ছেড়ে মানুষ শহরমুখী হয়ে বস্তির পর বস্তি গড়ে তুলে রাজধানীরোগে জাতির জাতসত্তার কবর রচনা করে। টোকিও থেকে টরেন্টো এবং পিকিং থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত এর মধ্যস্থ নগর ও নগরবাসীদের চরিত্রে কি কোনো পার্থক্য আছে? সাধ ও সাধ্য এবং প্রাচ্র্য ও দরিদ্রতার পার্থক্য অবশ্য আছে! কিন্তু পাশব ইতরামিতে কি তেমন কোনো পার্থক্য আছে? ক্যানাডা, আমেরিকা তো বিরাট জনপল্লী ছিলো! যখন (00101100065, 0:00171005 অর্থাৎ মহাদেশগুলো প্রতিবেশীসুলভ সংলগ্ন ছিলো, তখন বর্তমান দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকার সংলগ্ন ছিলো এবং উত্তর আমেরিকা বা ক্যানাডা বর্তমান সেন্ট্রাল এশিয়া ও ইউরোপের গা-ঘেষা ছিলো । অস্ট্রেলিয়াও দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার সাথে সংলগ্ন ছিলো । বাবা আদম সম্পর্কে আখেরী নবী সঃ ও তার পূর্বের অহীর কিতাব তাওরাত ও ইঞ্জিলে যা জানা যায়, তাতে বর্ণবাদী ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা সীমাহীন বিকৃতি ঘটালেও যে কথা প্রায় নিশ্চত বলা যায়, তা হলো বাবা আদম ভারত বর্ষেই অবতীর্ণ হয়ে এখানেই প্রথম মানব নিবাস গড়ে তোলেন। তার সন্তানেরা উত্তরে আফগানিস্তান, ইরাক, ও সেন্ট্রাল এশিয়া হয়ে উত্তর মেরু প্রদক্ষিণ করে বর্তমান উত্তর আমেরিকায় বসতি স্থাপন করে চাষাবাদে লেগে যায়। দক্ষিণ দিক দিয়ে একশাখা পশ্চিমমুখী হয়ে আরব বদ্বীপে গিয়ে ইয়ামেন ও হেজাযে বসতি স্থাপন করে। তারা কাবায় প্রথম তাওহীদের ইবাদত আরম্ভ করে। তাই আমরা আজো দেখতে পাই যে, মাক্কা নগরী ও কাবাকে ঘেরা পর্বত মালাকে “জাবালে হিন্দ” বলা হয়। এখনো ইয়ামেনে ছেলে- মেয়েদের প্রিয় নাম হিন্দ ও হিন্দী। তাদের উত্তম অসি ও খঞ্জরের নাম কাব্য কবিতায় “মুহান্নাদ” বা “ভারতীয়” বলে

380 ///-99090০901.০011/819911799

আল্লাহ্‌। আবু বকর তার “সাহেব” । দ্বিতীয় নয়। অস্থির, চিন্তিত তৃতীয় ব্যক্তি!? তাবুকের অভিযান। ফিরে এসে মসজিদ ভাঙ্গা। তারপর বিদায়ের প্রস্তুতি। তারপর আর তিনি ফিরে আসবেন না পৃথিবীতে । তাই উসামাহর নিয়োগ কোনো সাময়িক বিচ্ছিন নিয়োগ নয়। চূড়ান্ত নিয়োগ । নিশ্চয়ই তা আল্লাহ্‌র সরাসরি আদেশে । তা না হলে তিনি কী করে বলেন যে, যারা উসামাহর আনুগত্য করবেনা, তারা অভিশপ্ত হবে? উসামাহর নেতৃত্ প্রত্যাখান করার পর থেকে আজ পর্যন্ত যা ঘটে আসছে, সব সে অভিশাপের প্রমাণ । সে লানতে মৃত ও সমাহিত মুর্দাকে পুনর্জিবীত করার চেষ্টা করা হয়েছে দীর্ঘ এক হাযার বছর ধরে। তাই এবারের চেষ্টা উসামাহ ইমামতের পুনজীবিতকরণের ৷ আল্লাহ্‌ এক ডামী উসামাহ্‌ বিন লাদেন দিয়ে যেনো আসল উসামাহর প্রতি ইঙ্গিত করে দিলেন। যেমন ইরানীদের মিথ্যা মুস্তাদআফ ও মুস্তাকবির প্রোপাগান্ডা দিয়ে ভুলেযাওয়া কোরআনী মুস্তাদআফ মুস্তাকবিরকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন । ইরানী শিয়াদের ডামী ইসলামী বিপ্লব ও আফগানী সুন্নী ডামী বিন লাদেনকে দিয়ে বিশ্বের দানব মুস্তাকবির আমেরিকান জুডো-খৃষ্টান দাজ্জালের মাথা ব্যথা বানিয়ে আল্লাহ্‌ ওদের ব্যস্ত করে রাখছেন। এ সুযোগে খাটি মুস্তাদআফদের খাটি উসামাহ বেছে ময়দানে নামলে সফলতা নিশ্চিত। প্রমাণ সূরা কাসাসের ৫ ও ৬ নং আয়াত। খাটি নবী-আদর্শে ইসলামী রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা ছাড়া ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা বা অর্থনীতি হয়না । এ কিতাবী বিশ্বাস আমার ছিলো । এর বাস্তবতা প্রমাণের জন্যই হয়তো আল্লাহ্‌ মাওলানা আব্দুর রহীমের প্রতারক ছেলে মুস্তাফা ওয়াহিদুজ্জামানকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন বলে আমার মনে হচ্ছে । আমি নিজে কখনো যখন এ ধরনের কাজের চতুর্সীমানায়ও যাইনা, সেখানে আমি এ মানুষ শয়তানটির ফীদে কেনো পড়লাম! এক ঢিলে আল্লাহ্‌ আমাকে দুটো বাস্তব শিক্ষা দিলেন। প্রথমটি হলো ধর্মব্যবসায় যাদের জন্ম, তারা কখনো খাটি ধর্মের যোগ্য অনুসারী হবেনা । যেমন ইয়াহুদী ইসলামী ও তাবলীগী লোককে টাকা ধার দিয়েছি, কারো কাছ থেকে সম্পর্ক নষ্ট ব্যতীত টাকা ফেরত পাইনি। তার মধ্যে জামাতের সাথে জড়িত লোকেরা সবচেয়ে নিকৃষ্ট । মাওলানা আব্দুর রহীমের পুত্র সম্পর্কে তা উল্লেখ করা হয়েছে। এ কুলাঙ্গার তার ছেলে মেয়েদের আমেরিকান বানানোর জন্য এপথ বেছে নিয়েছে । এপথেই সে নিজের বাড়ি করে নিয়েছে । সে নিজে কাগজ-কলমে কোনো দেনা নেই। তাকে যারা সাহায্য করেছে, সব দেনা তাদের ঘাড়ে। সে আমাকে ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যাংকের খাতায় খণী করে পলাতক। জামায়াতে ইসলামের এককালীন সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল খালেকের শালা অধ্যাপক, অধ্যক্ষ ফারুকুল ইসলাম আজ থেকে বিশবছর পূর্বে এসে পঞ্গাশ হাযার টাকা ধার নিয়েছে। কয়েক শতবার মিথ্যা ওয়াদা করেছে। আজ পর্যন্ত টাকা ফেরত দেয়নি। আশরাফ হোসেন নামে এক আলবদরকে ধার দিয়ে ওর বকা শুনেছি। এরা নিকৃষ্ট মানব প্রজাতি । অপর দিকে আওয়ামী লীগসহ কম্যুনিষ্ঠ পাটির লোকদের টাকা ধার দিয়ে শুধু টাকাই ফেরত পাইনি । সম্পর্ক উন্নয়ন হয়েছে। মধুর কৃতজ্ঞতাবোধ পেয়েছি। দেশের মাদ্রাসা, মসজিদ, মাযার, পীরের দরগা ও হুজুরদের সাথে লেনদেন করে যে ফলাফল পেয়েছি তার আলোকে আল্লাহ্‌র দরবারে দোয়া, “ইয়া আল্লাহ্‌! আপনি ইসলামীদের (?) হাত থেকে আপনার দ্বীন ইসলামকে তুলে নিয়ে কোনো লেনদেনে স্বচ্ছ কাফেরদের ঈমান দিয়ে তাদের হাতে সফ্র্দ করুন।” এ সত্যটি সুস্পষ্ট করার জন্যই সূরা তওবায় আল্লাহ্‌ কর্তৃক বর্ণিত ধর্মবেসাতীদের চিত্র তুলে ধরেছি। বিশেষ করে অধ্যাপক গোলাম আযমের ব্যাপারটাকে বেশী করে হাইলাইট করার কারণ, লোকটি এ দেশে ইসলামের নামে মায়ের সাথে ব্যভিচারের সুদী ব্যাংক করে এ দেশের সম্ভাবনাময় শিক্ষিত যুবকদের বিপথগামী করে এদের ভবিষ্যতকে অন্ধকারচ্ছন্ন করছে। তার সঙ্গী হয়ে মৌলবী আযীযুল হকও জাতিকে এক সংঘাতময় বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আমার এ লেখা পড়ে আল্লাহ্‌ যদি এদের কপালে তওবা রাখেন, তা হলে এরা যেনো তওবা করে নাজাতের পথ পায়। আর কপালে তা না থাকলে তাদের পেছনে জড়ো হওয়া সরল বিশ্বাসী লোকেরা যেনো ওদের ত্যাগ করে নিজেদের ঈমান রক্ষা করতে সক্ষম হয়। আল্লাহ্‌র খলিফা, আশরাফুল মাখলুকাত মানবজাতি তাদের জাতসত্তা ও জাতক গুণাবলী তাদের রক্ত ও অর্থে লালিত জারজদের হাতে বিশ্বময় হারাতে বসেছে। প্রায় ধ্বংসের শেষ কিনারায় এসে দীড়িয়ে আছে । আর এক পা আগালেই সব শেষ। তাই আমি পাগলপারা হয়ে মানব ভাইদের ডাকছি। আর এক পাও আগে বাড়বেনা। ফিরে দীড়াও। সম্পূর্ণ ফিরত যাত্রা করো। আল্লাহ্‌ তোমাদের রক্ষা করবেন। তিনি তীর সৃষ্টির প্রতি সবার চেয়ে দয়ালু। রাহ্মানুর রাহীম। না ফিরলে কিন্তু তিনি সংহারীদের সংহারী। কীহ্হার, জাব্বার ও আধীযুন্‌ যুন্‌ তিকাম! সাবধান! সারা বিশ্ব ও তার মধ্যস্থিত সবকিছু তার কাছে এতোই তুচ্ছ যে, আমাদের কাছে একটি ধুলী কণার যা মূল্য, তাঁর নিকট এ ব্রন্মান্ডের সে মূল্যও নেই।

382 ///-99090০901.০011/819911799

1১৯ 1২৯৭ ১১0৮5 ২৪১] এ] 3981 ৬৪ এ

মক্কা থেকে ঢাকা

ঢাকা থেকে মক্কা

গোত্র ও ভাষার নামে দু'টি দেশ। সৌদী আরব ও বাংলাদেশ। এমন দেশ পৃথিবীতে কোথাও নেই। দুটি দেশই আল্লাহর গযবের দ্বারপ্রান্তে। সৌদী আরব পূর্ণ ইসলামের অবতীর্ণস্থল। কোরআনের ভাষা সহ দ্বীন তাদের মধ্যে বিদ্যমান, কা'বা ও মাদীনা সেখানে । ধর্মীয় ও আর্থিক সম্পদ ষোলআনা আল্লাহ দিয়েছেন। যাতে তারা ষোলআনা দ্বীন কায়েম করতে পারে । কিন্তু করেছে তার উল্টোটা । ষোল আনা মুর্তাদ সৌদী শাসকরা । বাংলাদেশ বিশ্বে এক নম্বর দুর্গীতি পরায়ণ দরিদ্রদেশ! ছোট্ট একটি দেশে ষোল কোটি মানুষ! না মানব সম্পদের খনি? শতকরা নব্বইজন মুসলমান! প্রতি ইঞ্চি মাটিতে সোনা ফলে । তাইনা সোনার বাংলা? ধর্মসম্পদ ও মানবসম্পদে সমৃদ্ধ হওয়া সত্তেও দুর্নীতি ও দারিদ্ে পয়লা নম্বর কেনো? আল্লাহ আল্‌ কোরআনে বলে দিয়েছেন (৫৪৮২) বিশ্বের ঈমানদারদের সর্বকালে, দু'নিকৃষ্ট শত্রু, ইয়াহুদী ও মুশরিক। সৌদীদের মনিব ইয়াহুদীরা ও বাংলাদেশীদের বিধাতা মুশরিক ভারত । সৌদী শাসকরা মুস্তাকবির, বাঙ্গালী শাসকরা মুস্তাকবির ৷ নবী আদর্শের যায়দ, বেলাল ও উসামাহ হয়ে মুসতাদআফ্দের “গায্‌ওয়াতুল হিন্দ” ঢাকা-মক্কা, সমান্তরাল সিরাতুল মুস্তাকীম। সে মুক্তিপথের মহাযুদ্ধের আযান, ইকামত, সালাত, সিয়াম ও হজ্জ এ বই। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু তার ধ্বনী ও পতাকা । তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বেলাভূমির বাংলা, গোত্রহীন ও বর্ণ বৈষম্যহীন মানব সাম্যবাদের উর্বর ক্ষেত্র । এদেশের মাটিকে হিন্দুকুশের উৎস থেকে সৃষ্ট স্রোতধারা বন্যার রূপ ধারণ করে ধুয়ে তার আবর্জনা বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করে । আবার সমুদ্বের জলোচ্ছাস এসে মাটি ও মানুষকে পবিত্র করে যায়। হিন্দুকুশের উৎসের জনবসতির নাম খোরাসান বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। আখেরী নবী সঃ খোরাসানের পশ্চাদভূমি থেকে বিশ্বমানবতার বিশ্বজয়ী আন্দোলনের ইঙ্গিত করেছেন বলে দেখা যায়। সালমান ফারসীর আবাস ভূমিও খোরাসানের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তার কীধে হাত রেখেই রাসূল সঃ বলেছেন “স্বরা থেকে ধরায় সালমানের আদর্শের সৈনিকরা আল্লাহর দ্বীনকে নামিয়ে এনে প্রতিষ্ঠিত করবে ।” (মুস্লিম) এখানে মনে রাখতে হবে যে, সালমান শিয়া বা সুন্নী ছিলোনা । পাঁচ নবীর পাঞ্জেতনী শিল্লাতে ইব্রাহীমের অনুসারী নৃহ সদৃশ দীর্ঘায়ু ব্যক্তি ছিলো সালমান । খোরাসানের উৎসে আজ ইব্রাহীম হানীফকে ইয়াহুদী খৃষ্টানে বিভক্তকারী দাজ্জাল আমেরিকা ও তার দোসরদের বিশ্ব ধ্বংসযজ্ঞের পায়তারা! অপর পক্ষ খাতামুন নাবিয়্টানকে শিয়া সুনীতে বিভক্তকারী ইরানী আফগানিরা তার প্রেক্ষাপট তৈরী করে পরস্পরের নিধন প্রয়াসী। এক আল্লাহর এক দ্বীনের এঁক্য মূলের স্রোতে অনৈক্যের বিষ ছড়াতে কি ধনকুবের সৌদী উসামা বিন লাদেনের সংযোগ? সি, আই, এর কোনো পোষ্য, তাও আবার আরবী প্রতিহিংসা পরায়ণকে দিয়ে কি বিশ্ব শান্তির ইসলামী উত্থান নস্যাতের ইং-মার্কিন নীলনক্সা নয় ?! ইসলামের মূল নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী সন্ত্রাসী “আল্‌ কায়দা” কি গোটা ইসলামী বিশ্বকেই চরম বেকায়দায় ফালায় নি! ইসলামী ইতিহাস সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তি মাত্রেরই জানা যে, মুস্লিম জাতির মধ্যে গোত্র বিবাদী আরব ও উপজাতীয় বিবাদী আফগানীরা দু'টি নিকৃষ্ট এঁক্যভঙ্গকারী জাতি । বিশ্বনবী সঃ এর পূর্ণ রিসালাতকে তীর মৃত্যুর সঙ্গে ইসলামী জাগরণের বিজয়কে আফ্গানী উপজাতীয়রা পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে বালাকোটে নিভিয়ে দেয়। এখন সারা বিশ্বে আল্লাহর দ্বীনের চূড়ান্ত উত্থানের সন্ধিক্ষণে আরবী উসামা বিন্‌ লাদেন ও আফগানী অর্ধ-শিক্ষিত মোল্লা উমরের শ্বশুর জামাতার খেল কি চরম বিপদের অশনি সংকেত নয়?! এ সন্ধিক্ষণে মনে রাখতে হবে যে বিন লাদেনরা ইয়ামেনের সে অর্থ পূজারী বেনিয়া সম্প্রদায়ের, যারা গর্বের সাথে বলে যে তারা আরব দ্বীপের ইয়াহুদী । মোল্লা উমররাও সুদ, আফীম, গাজা, চরস, হিরোইন ও অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ী কাবুলীওয়ালা বংশোডুত। সুন্নী আরবী সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসমুক্ত হলেই এরা গ্রহণযোগ্য হতে পারে । তা না হলে এরা ইরানী শিয়াদের সাথে মিলে ইসলামী বিশ্বের বুকে ব্রিশূল রূপেই রক্ত ঝরাবে। আমি কিন্তু দৃঢ়ভাবে তা বিশ্বাস করে বিশ্বের ইসলামী উত্থানের পিয়াসীদের দশবার সতর্ক করে দিচ্ছি। নিউইয়র্কে যারা

383 ///-99090০901.০011/819911799

সন্ত্রাসী আক্রমণ করে ইং-মার্কিন দস্যুদের আফগানিস্তান, তথা পাকিস্তান, ভারতীয় মুসলমান ও বাংলাদেশ গ্রাস করার পথ করে দিয়েছে, তারা কোনোমতেই ইসলাম ও মুসলিম উম্মার পক্ষের কেউ নয়। শত্রুদের চর। তালেবান ও বিন লাদেনরা যদি বিশ্ববানিজ্য কেন্দ্র আক্রমনের সাথে জড়িত না থাকে, তা হলে এখন তাদের শেষ সুযোগ, হয় তারা স্পষ্ট ভাষায় তার নিন্দা করে বিশ্বের মুসলিম ও নিরপেক্ষ অমুসলিম বিচারকদের ট্রাইবুনাল করে, বিন লাদেন ও তার আল কায়দাকে নির্দোষ প্রমাণ করবে, নয় এ ঘৃণ্য পাপের দায়দায়িতৃ ঘাড়ে নিয়ে মজলুম নিরাপরাধ মুসলিম জাতিকে দায় মুক্ত করবে । এক মুখে তারা বলবে যে, “আমরা এ আক্রমন করিনি, যারা করেছে, তাদের সাধুবাদ জানাই, এ ধরনের আরো আক্রমন হবে” এবং তারপরও তারা বিশ্ব মুসলিমের প্রতিনিধিতের দাবিদার হবে, তা হবেনা । ইস্লামে চোরাগ্তপ্তা হত্যার কোনো ক্ষমা নেই। ঘোষিত সম্মুখ যুদ্ধ ইসলামী জিহাদ । আমরা তা না হলে সন্দেহাতীত ভাবে বিশ্বাস করবো যে, তালেবান, বিন লাদেন ও ইরানী শিয়ারা তাদের জন্মদাতা আমেরিকা, রাশিয়া, ও ইয়াহুদী চক্রের ত্রিশূল বৈ কিছু নয়। মূলতঃ তারা এঁ দাজ্জালী ত্রয়েরই ত্রিশূল হয়ে মুসলিম জাতির বুকে বিধেছে। এ পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ ও তার ষোল কোটি মুস্তাদআফ্‌ জনগোষ্ঠি ব্যতীত বিশ্বে ইসলামী পুনর্জাগরণের সূচনা করার যোগ্য আর কেউ রইলোনা। বাংলার সমতল মাঠ-ঘাটের মতো গোত্রবাদের হানা-হানী মুক্ত জনগণকেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস “বিস্মিল্লাহ” বলে নবী আদর্শের উসামাহ্‌ বিন যায়দের পতাকা উত্তোলন করে মুল ইব্বাহীমী আযান, ইসমাঈলী ইকামত ও মুহাম্মাদী ইমামত ঘোষণা করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে, এ মুহুর্তে চরম সতকর্তা অবলম্বন করতে হবে যে, এ কাফেলার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় কাতারে যেনো কোনো অবস্থাতেই ১৯৭১ সালের বাছনী পরীক্ষা কালে যারা উভয় পক্ষে লুট, ধর্ষণ ও নির্বিচার হত্যাযজ্ঞে জড়িত ছিল তাদের একটি লোকও যেনো ঢুকে না পড়ে। এরা ঘোষিত অনুশোচনা করে এখন থেকে সদাচরণের শপথ করে অনুসারী হতে পারবে । ১৯৭১ সালে যারা এঁ বদকাজে নেতৃতৃ দিয়েছে, তারা রেজাকার আলবদরের হোক, বা মূর্তিবাহিনীর হোক, তাদের নেতৃতে কোনো স্থান হবেনা এ যাত্রায় । তারা বাকীজীবন তওবা-তিল্লা ও অনুশোচনা অনুতাপ করেই কাটাতে হবে । যদি আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন! তাই তাদের বড়ো পাওয়া! ১৯৭১ সাল প্রকৃত মুক্তিকামী মুক্তিবাহিনী, যারা পাকিস্তানী মুনাফেকী ও ভারতীয় কুফরের ছন্দে ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়েছে, তাদের হিরার মতো খুঁজে বের করে সামনে সাজাতে হবে। দৃষ্টান্ত স্বরূপ, এটিএনের বক্তা মাওলানা আবুল কালাম আযাদ সম্পর্কে পত্রিকায় যেসমস্ত অভিযোগ ছাপা হয়েছে, সে গুলো যদি মিথ্যা হয়, তা মিথ্যা প্রমাণ করে এ কাফেলায় তাকে যোগ দিতে হবে । আর যদি এর কিছুও সত্য হয়, তা হলে তার নেতৃতৃ দূরে থাক, তার মুখে ইসলামের কোনো নীতিবাক্যও শোনা যাবেনা। অন্যায় স্বীকার করে তার অনুশোচনা বর্ণনা করে অপরাপর মানুষের শিক্ষার জন্য তার জবানবন্দি শোনা যেতে পারে । নীতিবাক্য নয়। তার জন্য জাহিলিয়্যাত ও ইসলামে সত্যের ধারক বাহক পবিত্র মুখ ও কণ্ঠ চাই। শিল্পীর বাক চাতুর্য নয়। রাসূল সঃ বলেছেন, “তোমাদের মাঝে জাহিলিয়্যাতে উত্তমরা ইসলামেও উত্তম । জাহিলিয়্যাতের অধমরা ইসলামেও অধম ।” ০১০০)। ভই 6৪1১3 বশী ও 75০8১ 4১১81 ৬৪5১৯ ২3৪০৯ ৬৪ ৩০০৯ দরিদ্র মুস্তাদআফ্‌ বাংলাদেশ তার শাসক শ্রেণীর পাপে পৃথিবীর পয়লা নম্বর দুর্নীতিপরায়ণ। দুঃশাসনের ফলে প্রথম শ্রেণীর দরিদ্রও। সৌদী আরব কাবাঘর ও মসজিদে নববী দখল করে মাটির নিচে পৃথিবীর জানা সর্ববৃহৎ তেলের ভান্ডার ও খনিজ সম্পদ সহ ইয়াহুদী খৃষ্টানদের হাতে আত্মসমর্পণ করে আছে। বিশ্ব মুস্লিমের মিশনকেন্দ্র মসজিদুল হারাম ও মসজিদুল আকসা ঘুর্তাদ আরবদের আতীতে আজ ইয়াহুদী-খুষ্টানদের করতল গত। ইয়া আল্লাহ! এ অবস্থায় তোমার যুস্তাদআফ্দের বিশ্বে আর কোনো ঠিকানা রইলোনা । হে মুস্তাদআফ্দের অভিভাবক! আপনি আরব-অনারব ও পূর্ব-পশ্চিম কিছুরই মুখাপেক্ষী নন। আপনি রাব্বুল মাশরিকাইন ও রাব্বুল মাগ্রিবাইন। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ ও আসমান-যমীন সব কিছুর একমাত্র মালিক আপনি । আপনার তুচ্ছ দাস আমি পৃথিবীর সকল সীমাবদ্ধ শক্তি থেকে আমাকে বিচ্ছিন করে আপনার সীমাহীন শক্তিতে আত্মসমর্পণ করলাম । আপনার খাতামুন্‌ নাবিয়্টান রাসূলের অনুসরণে পৃথিবীর যুস্তদআফ্দের হয়ে আমি আপনার দরবারে রাসূল সঃ এর তায়েফের দোয়া হুবহু পূনরাবৃত্তি করে মাদীনার মতো মুস্তাদআফীনের একটি দেশ, দারুল হিজরত ও মাসাবা চাই। হে মুস্তাদআফ্দের প্রতিপালক! আপনি আমার প্রভূ । আমি আমার সীমাবদ্ধতা, আমার যোগ্যতার অভাব ও মানুষের

384 ///-99090০901.০011/819911799

উপর আমার প্রভাবহীনতা স্বীকার করে আপনার কাছে আপনার পছন্দ যোগ্যতা যাচনা করছি। আমার অভাব আপনি দূর করে দিন। আমার ভুল ত্রুটি ও অপরাধের জন্য আপনি আমাকে আপনার ও আমার শত্রুর হাতে হস্তান্তর করবেন না। যা শাস্তি হয়, আপনিই দিবেন। পরকে দিয়ে তা দেয়াবেন না। আপনি রাজী থেকে যতোই শাস্তি দিবেন, তাতে আমার কোনোই দুঃখ থাকবেনা । কিন্তু পরকে দিয়ে আমাকে অপমান করবেন না। তার পূর্বে আমার মৃত্যুও শ্রেয় ও কাম্য । আমার শুরু যেমন আপনার হাতে, আমার শেষও যেনো আপনারই হাতে হয় । হে সৃষ্টি জগতের মালিক! সারা বিশ্ব মুস্তাকবির দানবদের স্বেচ্ছাচারের নরকপুরী। আপনার পৃথিবীতে কোথাও আপনার ঈমানদার মুস্তাদআফ্দের অভয়ারণ্য নেই । আপনার “বালাদুল আমীন” ও “বাইতুল মাকদিস+ তথা মাস্জিদুল হারাম ও মাস্জিদুল আকসাসহ গোটা আরব্য উপদ্ীপ বনী আদমের শক্র ইবলিস ও তার মানব সন্তান আপনার নবী মুসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সঃ দের এঁক্যবদ্ধ দ্বীনকে ত্রিধা বিভক্তকারী ইয়াহুদী, খৃষ্টান ও মোহামেডান আরব সন্ত্রাসীদের পূর্ণ কব্জায়! আপনার কোরআনে ঘোষিত 'নিরুপদ্রব কেন্দ্র' কোথায়? কোথায় আপনার বানানো “মাসাবা”? বিশ্বে নির্ধাতিতের চূড়ান্ত বিজয় সংগঠনের মিলন কেন্দ্র “মাদীনা” কোথায়? কোথায় আমরা হিজরত করবো? আমাদের কি কোনো ঠিকানা দিবেন না হিজরত করে সংগঠিত হতে? গত শতাব্দীতে রাসূল সঃ এর “গায্ওয়াতুল হিন্দের' সূচকের দাবীতে পাকিস্তান নামের একটি ভূ-খন্ড মাদীনার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার শপথে অর্জিত হয়েছিলো । কিন্তু ইয়াহুদী-খৃষ্টান চক্রের দেশী বিদেশী জারজরা এক দিনের জন্যও তা হতে দেয়নি । ১৯৭১ সালে তারা পাকিস্তানকে দু'টুকরা করেছে । আজ ২০০১ সালে তার পশ্চিমাংশকে ইয়াহুদী- খৃষ্টান দাজ্জালের আফগানিস্তান আক্রমনের ঘাটি রূপে পারভেজ চৌকিদার তার প্রভুদের হাতে হস্তান্তর করেছে। অপর টুকরাটি বাংলাদেশ নামে “ঝুলত্ত' রয়েছে। এর কোনো স্বামী নেই। পারিবারিক বিবাদে বিভক্ত দু'নারী ও তাদের কৃষিজীবীর গলায় ফাস। আপনার শেষ নবী সঃ বলেছেন, কৃষিজীবীর জাত “হারিসুল হাররাস' দের মধ্যে থেকেই নাকি বিশ্বের মুক্তিদাতা বিশ্ব নেতার অভ্যুদয় হবে। বাংলাদেশের মতো ষোল কোটি মুস্তাদআফ্‌ কৃষি নির্ভর কৃষক জাতি কি বিশ্বে দ্বিতীয়টি আছে? ইয়া রাব্বাল আলামীন! বাংলাদেশের মাটিতেই ১৯০৫ সালে গ্যঙ্গলো-এরাবিক গঠনে মুসলিম উম্মাহ অর্থে মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিলো । এরই আন্দোলনের ঢেউয়ে এদেশের ৯৭% লোকের ভোটে মাদীনা আদর্শের প্রতিষ্ঠার নামে পাকিস্তান হয়েছিলো । কিন্তু ইয়াহুদী-শৃষ্টান চক্রের দেশী দালালদের চক্রান্তে দেশটি জনগণের ঈমানী ভিতে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি । ফলে গণ অসন্তোষে পূর্ববৎ ৯৭% ভোটের জোরেই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশটি পৃথক হয়ে সৎ নেতৃতের “লা-ওয়ারিশী” অবস্থায় দীড়িয়ে। ধর্মের মিথ্যা দাবিদাররা ধর্মহীন ও ধর্মদ্বোহীদের পদমূলে আত্মহুতি দিয়ে এ দেশটি থেকে খাঁটি ঈমানী তৃতীয় শক্তির উত্থানের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে। হে রাহমানুর রাহীম! অনূর্বর মরুকাঠিন্যের সৌদী আরবে আপনার দানের প্রাচ্য পেয়ে আরবরা ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের মিত্র হয়ে ইসলাম ত্যাগকারী মুর্তাদ। বিরাট ভূ-খন্ডে তারা প্রায় জনমানুষ শূন্য । আপনার খলীল বাবা ইবাহীমকে দিয়ে যেখানে বিশ্বের সকল দিক থেকে সমান অধিকারে বিশ্ব এক্যের কেন্দ্রে মানুষকে আসার আযান দিয়ে ছিলেন, সেখানে যেতে আজ ঈমানদারদের সবচেয়ে দুরূহ বাধা । হে মুস্তাদআফ্দের চূড়ান্ত অভিভাবক, কাবার প্রভু! বাংলাদেশ থেকে আপনার বিশেষ সাহায্য প্রাপ্ত “মনসুর” নেতৃতেের অধীনে “হারিসুল হাররাস্‌* কৃষিজীবীদের কোটি সৈন্যের কাফেলা তৈরী করে দিন। যারা গায্ওয়াতুল হিন্দের অপ্রতিরোধ্য অগ্রসেনা হয়ে ভারতীয় পৌস্তুলিকতা, পাকিস্তানী মুনাফিকী, আফগানী সুনী লাদেনী ও ইরানী শিয়া ফিতনাকে নির্মূল করে খাইবার থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত মুসলিম এঁক্যের মহাসড়ক সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। যা দেখতে দেখতেই নূহের তুফানের মহাপ্লাবন সৃষ্টি করে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ধাবিত হয়ে বর্তমান আফগানিস্তানে প্রজ্জলিত ইং-মার্কিন যুদ্ধের দাবানলকে নিভিয়ে ওদের সলিল সমাধি রচনা করে দিবে । আপনার খাতামুন নাবিয়টান তারই ইঙ্গিত করেছেন বলে জানা যায়। পূর্বের মুস্তাকবির নমরুদ, আদৃ, সামুদ ও ফিরআউনী শক্তিদের আপনি কোরআনে “আহ্যাব' অর্থাৎ সম্মিলিত শত্রু বলে আখ্যায়িত করেছেন। শেষনবী সঃ এর মাদীনা অবরোধকারী আবু সুফ্য়ান ও তার মিত্র বাহিনীকেও আপনি

385 ///-99090০901.০011/819911799

আহ্যাব নামকরণ করে কৌরআনে একটি দীর্ঘ সূরা নাধিল করেছেন। এদের সবাইকে আপনার পূর্ব থেকে উঠা ঝড় তুফান দিয়েই নির্মূল ও নিশ্চিহ করেছেন। আফগান, ইরান, ইরাক ও সৌদী আরবে সমবেত আপনার ও আপনার মুস্তাদআফ্দের শক্র মুস্তাকবিরদের বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে উঠা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এরাতাতহীনের রন দিয়ে হী নদেসেনা ফরমান মতো নিশ্চিহ করে দিন। যেমনটি সূরা আল হাক্কায় উল্লেখ করেছেন। হে জুনুদুল্লাহের সাহায্যকারী প্রভু! মধ্য এশিয়ার প্রবেশদ্বারে শিয়া-সুন্নী ও ওহাবী আরবী শয়তানী বিবাদ সৃষ্টিকারীরা ইসলামকে বিকৃত না করলে মধ্য এশিয়ার যুস্তাদআফ্‌ মুসলিমরা এ ধাক্কায় যায়দ, বারাকাহ, উসামাহ, আম্মার, সুহাইব ও সালমানদের আদর্শে বিশ্বশান্তি ও সৌভাতৃতের ইব্রাহীম, মুসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সঃদের নমুনা ও দৃষ্টান্ত হয়ে যেতো। ফলে তাদের আর্দশ দেখে চতুর্পার্থের কোটি কোটি রাশিয়ান, চাইনিজ নাস্তিকরা মুসলিম হয়ে যেতো। সেখানে বর্তমানে খোমেনী, মোল্লা উমর ও বিন লাদেনদের সন্ত্রাস, সম্প্রদায়িকতা ও কুপ মান্ডুকতা ইসলামকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার দুর্নাম ও কৌতসিত প্রদান করেছে। ইয়া আল্লাহ! আপনি ইরানী, আফ্গানী ও বিন লাদেনদের হেদায়েত দান করে সঠিক পথে আনুন তারা তার অযোগ্য হলে ওদের উৎখাত করে বুশ ব্রেয়ারদের সাথে একত্রে ওদেরও কবর করে দিন । যাতে চীন রাশিয়ার আদম সন্তানেরা তাদের আদি ধর্ম ইসলামে ফেরৎ এসে বিশ্বে ইসলামী শান্তি ও সহাবস্থানের মহা বিজয় ঘটায় । শয়তানের সৃষ্ট সকল জাতীয়তা মিটে সূর্যোদয়ের দেশ থেকে যেনো সূর্যাস্তের দেশ পর্যন্ত মানুষ এক আল্লাহতে বিশ্বাসী এক জাত হয়। হে ঈমানদারদের অভিভাবক! মুস্তাদআফ্দের প্রভূ! আপনার গযবে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত ইয়াহুদী খৃষ্টানদের প্রজন্ম বর্তমান বুশ, ব্রেয়ার, এরিয়েল শ্যারন, ইয়াসির আরাফাত ও বিন লাদেনরা যে ধ্বংসযজ্ঞের আগুন মধ্যপ্রাচ্য ও আফগানিস্তানে জালিয়েছে, আপনি আপনার কোরআনে বর্ণিত পন্থায় ইয়াহুদী নাসারা ও তাদের আরব দোসরদের সে আগুন দিয়েই ভম্মিভূত করে সে যুদ্ধের আগুনকে নিভাতে আমাদের তৌফিক দিন।

মোঈদা-৬৪) &। ৬৫৮ ০196 এ এরি

হে পূর্ব-পশ্চিমের প্রতিপালক! স্বভাব ও প্রাচুর্যের পাপী সৌদীদের নির্মূল করে মক্কা মাদীনা ও বাইতুল মাক্দিসকে ইয়াহুদী খৃষ্টান ও আরবীদের দখল যুক্ত করে তাকে ইবাহীম ও ইসমাঈল আঃদের সাথে কৃত অঙ্গীকারে পবিত্র করতে

আমাদের ইব্বাহীমী ইমাম দান করুন|

বর্তমানে বিশ্বে ইয়াহুদীরা যে মেসাইয়া, খৃষ্টানরা যে পুনরুহ্থীত যীশু ও মোহামেডানরা যে এক চোখ কানা এক চোখা ইমাম মাহদীদের অপেক্ষায় প্রহর গুণছে, সে দাজ্জালদের হাত থেকে আমাদের বাচার জন্য উভয় চক্ষুর দৃরদৃষ্টি দান করুন। আপনার এ দীন দাস তার সকল দীনতা সত্তেও গত এক যুগ ধরে প্রায় আধা ডজন মাহদীর দাবিদার, এক ঈসা মসীহ্‌, এক বিবি মারইয়াম, ও দেয়ালের অপরপার্খে এক যীশু খৃষ্টানকে প্রতিহত করে আসছে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে বিশ্বময় এদের চক্রকে প্রতিহত করে একক ইব্বাহীমী ইমামতের কাফেলা তৈরীর যোগ্যতা দান করুন। যাতে আমরা বিশ্বে হযরত মুসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সঃ দের একক অনুসারীরা এক আল্লাহ, এক বিশ্ব ও এক মানবতার বিশ্বায়ন ঘটাতে সফল হই। সব শেষে, হে প্রভু! আপনি সূরা নিসার ১০০ নং আয়াতে বর্ণিত দারুল হিজরত রূপে বাংলাদেশকে কৃবুল করে তার এক নম্বর দুর্নীতিপরায়ণ শাসকদের নিমল করে দিন। সে দায়িত পালনে আমাকে প্রয়োজনীয় ঈমানী ও আর্থিক সহ সকল যোগ্যতা দান করুন। এ পথে আমি সব ত্যাগ করে নিজে হিজরত করে সবাইকে হিজরতের আযান দিলাম । বিশ্বের আনাচে কানাচে, ইয়া আল্লাহ, আমার ক্ষীণ আওয়াজ পৌছে দিন। আমীন।” আমি সুরা তওবা পড়ে তার আদ্যোপান্ত মেনে তওবাকারীদের যোগাযোগের আহ্বান জানাচ্ছি। তার বাইরে কারো সাক্ষ্য, আলোচনা, যোগাযোগ ও পত্রালাপ অনাকাত্খিত। তাদের জন্য পত্রাকারে লেখা আমার বইই চূড়ান্ত । তা বুঝে যারা একাকার হতে আসবে, তাদের উদ্দেশ্যে “আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ও বারাকাতৃহ্‌।” অন্যদের জন্য +৫০ ৮ ৯৫০ অর্থাৎ আপনাদের যা প্রাপ্য, তা" আল্লাহ আপনাদের দান করুন। আমার দীন, হীন ও জীর্ণ কুটিরে মুস্তাকবির “আপনাদের” পাবার কিছু নেই। মুস্তাদআফ্‌ “তোমাদের” জন্য আমার অস্তিতের সবটুকু দান।

386 ///-99090০901.০011/819911799

যারা এ ৩৫ “শুনলাম ও মানলাম” বলে, তারা মুস্তাদআফৃ। আমি তাদের । তারাও আমার। যারা ৬৫ ৮:০৪ “শুনলাম কিন্তু মানলাম না” বলে, তারা মুস্তাকবির। তাদের আমি কেউ নই। তারাও আমার কেউ নয়। আমি সর্বাবস্থায় তাদের থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ্‌ চাই। তাদের থেকে পালাতেই আমি মক্কা মাদীনা থেকে হিজরত করেছি। এখন পাপের রাজধানী ঢাকা থেকেও আদি মক্কার ইবাহীম ও মুহাম্মদ সঃদের পদচিহ্ে অজানার পথে পা বাড়াতে চাচ্ছি। পাথেয় সূরা নিসার ১০০ নং আয়াত। তাতেই আমার ১০০% পরিচয় পরিচিতি । 4৮০ ১৮7৬৫ ৩%

£5০5 05655 ১৭ ও এ

ইয়া আল্লাহ! মক্কা থেকে তায়েফ সোজা পূর্বে। বাংলাদেশও সে সমান্তরাল রেখায় পূর্বে অবস্থিত। বাংলাদেশ মুস্তাদআফের খনি । একে দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত মাদীনা রূপে কৃবুল করুন। যেমন খাতামুন নাবিয়্টানের তায়েফের দোয়ায় মাদীনাকে কৃবুল করেছিলেন। শেষে আপনার দরবারে আরেকটি ছোট্ট দোয়া, আপনার হাবীবের তায়েফ হিজরতে যায়দ তার একমাত্র সঙ্গি ছিলো । আমাকে যায়দের মতো কৃবুল করুন। আর আপনার কাছে গ্রহণীয় হলে আপনার দেয়া আমার ছেলে মুহাম্মাদকে উসামার স্থলে কবুল করুন। তবে অবশ্য উসামাহ বিন যায়দ রূপে, কখনো উসামা বিন লাদেন রূপে নয়।

এ টাল ০০৮55027512 নাহার £1,5 নো ডে

ক ৩5%। ওল ৩৬ রত ৩৫ 5 $ ৩০ 885 ভ্ী উ১ ৩০6 ৩৮১২৪ ৮০6

387 ///-99090০901.০011/819911799