মুহাম্মাদ সঃ দের আদর্শে বিশ্বকে মানব সাম্যের কাঁবা রূপে গড়ে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর পতাকা উত্তোলনের বাস্তব ইশৃতিহার। গড়া প্রাসাদে রংতুলী দিয়ে নামাঙ্কিত করে সিংহাসনে বসা যেমন সহজ কাজ, তেমনি প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের রাক্ষস খোক্কসপুরী নিরল করে কা'বা নির্মাণ দুরুহ কাজ। সেজন্য হযরত নূহ আঃকে কিস্তি বানিয়ে মানব দানবদের ডুবিয়ে মারতে হয়েছে, কুড়াল দিয়ে হযরত ইবাহীম আঃকে ধর্মীয় দানব মূর্তি খান খান করতে হয়েছে, হযরত মুসা আগঃকে ফেরআউনী দানবদের নীলনদে ডুবিয়ে মারতে হয়েছে এবং হযরত মুহাম্মাদ সঃ কে তার রক্তীয় কৌরেশী দানবদের উৎখাত করে কা“বাকে পবিত্র করতে হয়েছে। ১৪১২ বছরের পুরাতন মিথ্যার বন্দিখানা ভেঙ্গে, মিথ্যার ভিত পর্যন্ত উপড়ে ফেলে খাতামুন্ নাবিয়টান সঃ এর পহেলা হিজরী তারীখ থেকে ১০ম হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়ালের সোমবারে ইত্তিকালের পূর্বে তার নিয়োগ করা উসামাহ্ ইবন যায়দের ইমামতের আদর্শ পুনজীবিত করার ঘোষণা এ বই । ১৪১২ বছরের মিথ্যার জীর্ণ প্রাসাদের ধ্বংসম্ভূপের উপর উড়বে রাসূল সঃ এর হাতে বীধা উসামাহর পতাকা । ইনশা আল্লাহ । কৌরেশী, উমাইয়া, আব্বাসী, মুঘল, পাঠান ও তুকী সুলতানাতের ১৪১২ বছরের মিথ্যার ভিত উপড়ানো কী চাট্টিখানি কথা?! গোলাবারুদের বিস্ফোরকের স্থলে ভাষার বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে এ বইতে আগা গোড়ায়! তার কোনো বিকল্প ছিলো না, নাই বলে। মিথ্যার প্রাসাদ নিমূলের পর সত্যের কাবা নির্মানের জন্য আমাদের জন্য রয়েছে তিরিশ পারা মধুর ভাষা “আল্ কৌরআন।” কৌোরআনী ঈমান ও ইস্লামের অমৃত সুধাপানে পিয়াসীদের এ বইর তিক্তসত্য প্রথমে আকণ্ঠ পান করতে হবে । “আল্ হান্কু মুররুন”। সত্য তিক্ত। সত্যের তিক্ত ওষধ সেবন করে রোগমুক্ত হয়ে যারা ইহকাল ও পরকালের চরম সফলতা চায়, তাদের জন্য এ বই । এ বইর ভাষা । যারা ১৪১২ বছরের পুরাতন জীর্ণ প্রেতপুরীতে বাস করে তার ধ্বংসন্তপে আত্মহুতি দিয়ে হাশরের দিনে আল্লাহর মুখোমুখি হতে চায়, তাদের জন্য এ বই নয়, এ বইর ভাষাও নয় । যারা এ সাবধানবাণী ও পুর্ব সতকীকরণ মেনে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালে নবী-রাসূলদের সাথে হাশর চায়, একমাত্র তাদের জন্য এ বই ও তার ভাষা! সত্য ন্যায়ের ইস্পাত কঠিন মানদন্ড ১৪১২ বছর ধরে অযত্র ও অবহেলায় পরিত্যাক্ত পড়ে থাকার ফলে জং-মরিচা তাকে খেয়ে প্রায় বিকল করে ফেলেছে । (:010:0951৮8 7২05 বা ক্ষয়কারী জং-মরিচাকে পাল্টা 001:051%9 দিয়ে বিদুরণের জন্য আমাকে নিরুপায় হয়ে 000:0951৬9 ভাষা ব্যবহার করতে হয়েছে। কে না চায় মিষ্টি ভাষা বলে মানুষের কাছে মিষ্ট হতে?! কিন্তু মিষ্টি যেখানে সংহারী এবং তিক্ত রক্ষাকারী, সেখানে তিক্ত প্রয়োগই সত্যের সাক্ষ্য, “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ” । নবী রাসূলদের এ কাজ ছিলো । আমি তাদের উত্তরাধিকারী | তাদের রিসালাতের আযান পুনরুচ্চারণকারী ।
99819 2 এ এত উ্ত ৩১০৯ ৩
“আমি সত্যের ক্ষেপনাস্ত্র মিথ্যার প্রতি নিক্ষেপ করি। তাতে বাতিলের মগজ চূর্ণ বিচুর্ণ হয়ে মিটে যায়।” (সূরা
আমিয়া-১৮)
9 ///-99090০901.০011/819911799
মুখবন্ধ 8 শাহাদাত
এ বইখানা একজন বিশ্বাসীর ঈমানের সাক্ষ্য, শাহাদাত ।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছিঃ
* আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ্ নেই। তার কোনো শরীক নেই। * “লা ইলাহা ইন্লাল্লাহ্্”র সাথে অন্য কোনো কালেমা যোগ করা যাবে না। * “আদম রাসূলুল্লাহ”, “নূহ রাসূলুল্লাহ্”, “ইবাহীম রাসূলুল্লাহ্”, “মূসা রাসূলুল্লাহ্”, “ঈসা রাসূলুল্লাহ্”, ও * কালেমায়ে রিসালাতকে কখনো কালেমায়ে তাওহীদের সাথে একত্র করা চলবে না। * কালেমায়ে রিসালাতকে সর্বাবস্থায় পৃথকভাবে বলতে ও লিখতে হবে। * কৌরআনে বর্ণিত গুণাবলীর ঈমানদারগণ কেয়ামত পর্যন্ত “রাদিয়াল্লাহু আনহুম” । * “রাদিয়াল্লাহু আনহুম”-কে, যারা কোনো বিশেষ শ্রেণী ও যুগের মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছে, করছে বা করবে, তারা আল্লাহ, কোরআন ও রাসূল সঃ-এর অমান্যকারী। * ইসলাম গোটা মানব জাতির জন্য আল্লাহর একমাত্র দ্বীন, অন্য কোনো ছ্বীন নেই। * আখেরী নবী মৃহাম্মাদ সঃ সকল মানুষের জন্য চূড়ান্ত আল্লাহ্র রাসূল । * তাকে যারা কৌরেশী, হাশেমী ও আরবী বলে “গন্ডিবদ্ধ” করেছে বা করে, তারা মুস্লিম নয়। * তাকে যারা বর্ণ, গোত্র ও যুগের উর্ধ্বে আল্লাহ্র শেষ নবী মানে, শুধু তারাই মুস্লিম। যারা আল্লাহর রাসূলদের
অনুসরণে আল্লাহকে মানে, তারা মুস্লিম ৷
* যারা নবীদের নিচে রাব্বাই, হাওয়ারী ও সাহাবাদেরও নবীর মতো মানে বা মানতে হবে বলে, তারা আল্লাহ, কৌরআন ও নবীদের অমান্যকারী, অমুস্লিম । * পৃথিবীতে একটিও ইসলামী রাষ্ট্র না থাকায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয় যে, বিশ্বে কোনো “মুস্লিম উম্মাহ্” নেই। যারা আছে, তারা মিথ্যা দাবিদার । তাদের উপর আল্লাহর গযব । * পৃথিবীতে ব্যক্তি পর্যায়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু লোক মুস্লিম আছে। সংগঠিত মুস্লিম নেই । আখেরী নবী সঃ কর্তৃক আল্লাহর দ্বীন ইসলাম পূর্ণতা লাভ করে।
10 ///-99090০901.০011/819911799
* তীর মৃত্যুর পর পরীক্ষামূলকভাবে আবু বকর ও উমর তাদের সীমাবদ্ধ যোগ্যতা অনুযায়ী ইসলামের অনুশীলনী আরম্ত করে। * আবু বকর ও উমরের আমলে আংশিকভাবে তা সফল হয়। * ওসমানের আমলে নবী সঃ এর আদর্শের ইস্লাম হারিয়ে যায় । * আলী এসে তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলে, তাকে স্ববংশে নির্মূল করে মূল ইস্লামকেই নির্বাসিত করা হয়। * তারপর থেকে যে রাজতন্ত্র আরম্ভ হয়, তা ইস্লামের নামে রোমান সিজার ও পারস্য খসরুদের রাজ। ইসলাম নয়। * উমর বিন্ আব্দুল আযীষের যুগ কুফর থেকে ইসলামে ফেরার একটি দৃষ্টান্ত । আল্লাহ্ তা'আলার যেমন কোনো শরীক নেই, তেমনি তীর রাসূলদের সমকক্ষ কোনো মানুষ নেই। তাই আল্লাহ্ ও তার রাসূলদের মর্যাদা সব সময়, সম্পূর্ণ আলাদা । নিজেদের বিশেষ আধিপত্যবাদ দাবী করে দ্বীনকে বিভক্ত করে ফেলে । যেমন ইয়াহুদী রাব্বাই, স্বীষ্টান হাওয়ারী ও কৌরেশী সাহাবীরা করেছে। এই ভিত্তিহীন সর্বনাশা আধিপত্যের ফিৎনাকে কাটার জন্য এ বইতে শুধু আল্লাহ্ তা'আলা ও তীর রাসূলদের জন্যই সকলের জন্য সাধারণ বাকধারা ব্যবহৃত হয়েছে, যা” কোরআন ও রাসূলদের শিক্ষা। বাবা হযরত আদম আঃ থেকে আল্লাহ্র দ্বীন ইসলাম আরম্ভ হয়ে আখেরী নবী মুহাম্মাদ সঃ এর রিসালাত দিয়ে তা" পূর্ণ হয়। এ বই সেই ইসলামের ৷ যে কথিত ইসলাম ১৪১২ বছর পূর্বে “আল্ আইম্মাতু মিন কোরেশ” অর্থাৎ “নেতৃত্ব শুধু কৌরেশ গোত্র থেকে হতে হবে” এর মিথ্যা ভিত্তিতে আরম্ত হয়ে উমাইয়া, আব্বাসী, মুঘল ও তুকী সাম্রাজ্যবাদের পাপের আবর্জনা বহন করে আজ মৃত্যুর প্রহর গুনছে, তার সাথে এ বই ও তার লেখকের কোনো সর্ম্পক নেই। ইয়াহুদী-শৃষ্টান হওয়া যেরূপ “মিল্লাতে ইব্বাহীম” হতে খারিজ বুঝায়, সুনী ও শিয়া হওয়া সেরূপ আখেরী নবী মুহাম্মাদ সঃ এর প্রদর্শিত ইসলাম থেকে খারিজ হওয়ার সনদ। গোটা বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠাকারীদের অবশ্যই শিয়া-সুনী বিভক্তি থেকে তওবা করে শুধু মুসলিম হতে হবে। এ বই আল্লাহ্, কৌর'আন ও রাসূল সঃ দের দ্বীনকে তুলে ধরার সাক্ষ্য, শাহাদাত ও দাওয়াত । ইবাহীম ও মুহাম্মাদী ইমামতের আদর্শে বিশ্ব শান্তির ইশৃতেহার।